অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে কেশবপুর আদালতে মামলা

যশোর : যশোরের কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের শেখ জুলমত আলীকে ১৯৭১’এ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার নিহত ব্যক্তির ছেলে আব্দুল করিম বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে কেশবপুর আমলী আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

যশোর কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক রেজাউল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বাদীর অভিযোগটি আমলে নিয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইফফাত জাহান আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।

আসামিরা হলেন- কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত মিনহাজ গাজীর ছেলে ও ওই এলাকার রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার আমিনউদ্দিন মাস্টার, একই গ্রামের মেহের শেখের ছেলে জাকের আলী, মৃত চাঁদ আলীর ছেলে আজাহার আলী, ভালুকঘর গ্রামের মৃত ইউনুচ আলীর ছেলে আকরাম মোল্লা এবং চালিতাবাড়িয়া গ্রামের মৃত জামাত আলীর ছেলে কাসেম আলী।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭১’এ মুক্তিযুদ্ধের সময় স্থানীয় আমিনউদ্দিন মাস্টার কেশবপুরে রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। কিন্তু বাদী আব্দুল করিমের বাবা শেখ জুলমত আলী মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক হওয়ায় ১৯৭১ সালের ৪ মে আসামিরা শেখ জুলমত আলীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। তাকে কেশবপুর রাজাকার ক্যাম্পে আটকে রেখে নির্যাতন চালানো হয়।

চারদিন আটকে রাখার পর রাজাকাররা ৮ মে জুলমত আলীকে উপজেলার শ্রীরামপুর বাজারের কাছে তার বাড়ির সামনে চোখ বেঁধে নিয়ে আসে এবং ওইদিনই পরিবারের সদস্যদের সামনে গুলি ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, ঘটনার সময় বাদী আব্দুল করিমের বয়স ছিল মাত্র দুই বছর। সে কারণে তার পরিবারের লোকজন এ ঘটনার প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে কেশবপুর আদালতে মামলা

আপডেট টাইম : ০২:২৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০১৫

যশোর : যশোরের কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের শেখ জুলমত আলীকে ১৯৭১’এ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার নিহত ব্যক্তির ছেলে আব্দুল করিম বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে কেশবপুর আমলী আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

যশোর কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক রেজাউল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বাদীর অভিযোগটি আমলে নিয়ে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইফফাত জাহান আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন।

আসামিরা হলেন- কেশবপুর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত মিনহাজ গাজীর ছেলে ও ওই এলাকার রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার আমিনউদ্দিন মাস্টার, একই গ্রামের মেহের শেখের ছেলে জাকের আলী, মৃত চাঁদ আলীর ছেলে আজাহার আলী, ভালুকঘর গ্রামের মৃত ইউনুচ আলীর ছেলে আকরাম মোল্লা এবং চালিতাবাড়িয়া গ্রামের মৃত জামাত আলীর ছেলে কাসেম আলী।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭১’এ মুক্তিযুদ্ধের সময় স্থানীয় আমিনউদ্দিন মাস্টার কেশবপুরে রাজাকার বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন। কিন্তু বাদী আব্দুল করিমের বাবা শেখ জুলমত আলী মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক হওয়ায় ১৯৭১ সালের ৪ মে আসামিরা শেখ জুলমত আলীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। তাকে কেশবপুর রাজাকার ক্যাম্পে আটকে রেখে নির্যাতন চালানো হয়।

চারদিন আটকে রাখার পর রাজাকাররা ৮ মে জুলমত আলীকে উপজেলার শ্রীরামপুর বাজারের কাছে তার বাড়ির সামনে চোখ বেঁধে নিয়ে আসে এবং ওইদিনই পরিবারের সদস্যদের সামনে গুলি ও বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, ঘটনার সময় বাদী আব্দুল করিমের বয়স ছিল মাত্র দুই বছর। সে কারণে তার পরিবারের লোকজন এ ঘটনার প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।