পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী Logo ঢাকায় সন্ধ্যার মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

বৃষ্টি ও কবিতা

image

                           একজন নিশাদ

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
ছাতি-ছিদ্র ভেদ করে দুর্বল দানারূপে রমণীর
শরীর চুমে যাচ্ছে বৃষ্টিবিন্দু।
হোক কবিতায় কিংবা রমণীর উষ্ণতায়,
ঢলেপড়ার বদভ্যাসটা বৃষ্টির আর গেলোনা।

মেঘলা মহুয়ার সতেজতা রমণীর ভাললাগা হতে পারে,
তথাপী দুশ্চরিত্র বাতাস যখন আঁচল টানে আপন মনে-
রমণী ভেবে পায় না

ছাতা না আঁচল
বাতাস না বৃষ্টি।

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
জানালার ভাঙা অংশ দিয়ে ধেয়ে আসা প্রবল ঠান্ডা বাতাসেও
ঘেমে জবজবে সাধাসিধে যুবক,
একহাতে বর্ষজুড়ে এঁকে চলা পোট্রেট অন্যহাতে দিয়াশলাই।
ঝুল বারান্দার টবগুলোতে মিশে যেতে দেখা জলের বুদবুদ দেখে
ঈর্ষায় পরপর তিনবার গর্জে উঠেও ব্যর্থতার গুঞ্জন বাতাসে ভাসায় বারুদের ঘ্রাণ
খিলখিল শব্দে হেসে ওঠে কপাটগুলো।
যুবক ভেবে পায় না

অগ্নি না প্রেম
জল না মায়া

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
প্রাপ্তি কিংবা অপ্রাপ্তির অবস্থানে
সাঁতার কাটতে ব্যস্ত
কিছু তরুণ তরুনী।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

বৃষ্টি ও কবিতা

আপডেট টাইম : ০৭:১৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৪

image

                           একজন নিশাদ

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
ছাতি-ছিদ্র ভেদ করে দুর্বল দানারূপে রমণীর
শরীর চুমে যাচ্ছে বৃষ্টিবিন্দু।
হোক কবিতায় কিংবা রমণীর উষ্ণতায়,
ঢলেপড়ার বদভ্যাসটা বৃষ্টির আর গেলোনা।

মেঘলা মহুয়ার সতেজতা রমণীর ভাললাগা হতে পারে,
তথাপী দুশ্চরিত্র বাতাস যখন আঁচল টানে আপন মনে-
রমণী ভেবে পায় না

ছাতা না আঁচল
বাতাস না বৃষ্টি।

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
ঠিক তখনি
জানালার ভাঙা অংশ দিয়ে ধেয়ে আসা প্রবল ঠান্ডা বাতাসেও
ঘেমে জবজবে সাধাসিধে যুবক,
একহাতে বর্ষজুড়ে এঁকে চলা পোট্রেট অন্যহাতে দিয়াশলাই।
ঝুল বারান্দার টবগুলোতে মিশে যেতে দেখা জলের বুদবুদ দেখে
ঈর্ষায় পরপর তিনবার গর্জে উঠেও ব্যর্থতার গুঞ্জন বাতাসে ভাসায় বারুদের ঘ্রাণ
খিলখিল শব্দে হেসে ওঠে কপাটগুলো।
যুবক ভেবে পায় না

অগ্নি না প্রেম
জল না মায়া

আষাঢ়ের এ প্রভাতে
কবি যখন এ কবিতা লিখছেন
প্রাপ্তি কিংবা অপ্রাপ্তির অবস্থানে
সাঁতার কাটতে ব্যস্ত
কিছু তরুণ তরুনী।