অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

ভারতে স্কুল-ছাত্রদের মধ্যে বাড়ছে যৌনরোগের প্রকোপ

ভারতের স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা রীতিমতো আশঙ্কাজনক। সমীক্ষা বলছে, যৌনমিলন বাহিত রোগের প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে ভারতের স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে। এমনকি ভারতে প্রথমবার যৌনমিলন করার গড় বয়সও ১৩ বছর হয়ে গিয়েছে।

সমীক্ষার রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, যৌনমিলন বাহিত রোগ দ্রুত হারে বাড়ছে ১২ থেকে ১৯ বছর বয়সিদের মধ্যে। ১৫ হাজারের বেশি ভারতীয় টিনেজারের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, ছেলেরা ১৩ ও মেয়েরা ১৪ বছর বয়সেই যৌনতায় লিপ্ত হচ্ছে। যা নিয়ে বেশ চিন্তিত চিকিত্‍‌সকরা। জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, ভারতে ৬.৩ শতাংশ স্কুল পড়ুয়াই স্বীকার করেছে, তাদের অন্তত একবার যৌনমিলনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

ফ্যামিলি প্ল্যানিং অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া-র সদস্য অমিতা ধানু জানাচ্ছেন, ভারতের অল্পবয়সিদের মধ্যে যৌনমিলনের প্রবণতা ব্যাপক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে স্কুলে পড়ার সময়ই তারা যৌনতায় লিপ্ত হচ্ছে। এমনকি অনেক স্কুল পড়ুয়া কলগার্লকেও ফোন করছে। যার জেরে এই সব ছাত্রদের মধ্যে যৌনতাবাহিত রোগের প্রকোপও বাড়ছে। সচেতনতা ও অল্প বয়সের কারণে অসুরক্ষিত যৌনমিলন করছে এই পড়ুয়ারা। ধানুর কথায়, ‘স্কুল পড়ুয়ারা সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে ভাবতেই পারে না। যৌনতাটাই তাদের কাছে একটা রহস্য উদ্ঘাটনের মতো। এর কারণ ভুল শিক্ষা ও সচেতনতার অভাব।’

কেন এই অবস্থা?

সমীক্ষা বলছে, স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে যৌনশিক্ষা ঠিকমতো পৌঁছচ্ছে না। ভারতের মাত্র ৬.২ শতাংশ স্কুল পড়ুয়া শিক্ষকের থেকে যৌনতার বিষয়ে তথ্য পায়। ৬ শতাংশ পড়ুয়া মায়ের কাছে শিক্ষা পায়। কিন্তু ৫৭ শতাংশ পড়ুয়াই যৌনশিক্ষা পাচ্ছে ইন্টারনেট থেকে। আর ইন্টারনেটে নানাবিধ তথ্য তারা বুঝতেও পারছে না। আর ভুল বোঝার কারণে ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়ছে। সরকার এবিষয়ে এখনই উদ্যোগী না হলে, অদূর ভবিষ্যতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হবে বলেও সতর্ক করছেন চিকিত্‍‌সকরা।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

ভারতে স্কুল-ছাত্রদের মধ্যে বাড়ছে যৌনরোগের প্রকোপ

আপডেট টাইম : ০২:১৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০১৫

ভারতের স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষা রীতিমতো আশঙ্কাজনক। সমীক্ষা বলছে, যৌনমিলন বাহিত রোগের প্রকোপ ক্রমেই বাড়ছে ভারতের স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে। এমনকি ভারতে প্রথমবার যৌনমিলন করার গড় বয়সও ১৩ বছর হয়ে গিয়েছে।

সমীক্ষার রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, যৌনমিলন বাহিত রোগ দ্রুত হারে বাড়ছে ১২ থেকে ১৯ বছর বয়সিদের মধ্যে। ১৫ হাজারের বেশি ভারতীয় টিনেজারের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, ছেলেরা ১৩ ও মেয়েরা ১৪ বছর বয়সেই যৌনতায় লিপ্ত হচ্ছে। যা নিয়ে বেশ চিন্তিত চিকিত্‍‌সকরা। জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, ভারতে ৬.৩ শতাংশ স্কুল পড়ুয়াই স্বীকার করেছে, তাদের অন্তত একবার যৌনমিলনের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

ফ্যামিলি প্ল্যানিং অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া-র সদস্য অমিতা ধানু জানাচ্ছেন, ভারতের অল্পবয়সিদের মধ্যে যৌনমিলনের প্রবণতা ব্যাপক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে স্কুলে পড়ার সময়ই তারা যৌনতায় লিপ্ত হচ্ছে। এমনকি অনেক স্কুল পড়ুয়া কলগার্লকেও ফোন করছে। যার জেরে এই সব ছাত্রদের মধ্যে যৌনতাবাহিত রোগের প্রকোপও বাড়ছে। সচেতনতা ও অল্প বয়সের কারণে অসুরক্ষিত যৌনমিলন করছে এই পড়ুয়ারা। ধানুর কথায়, ‘স্কুল পড়ুয়ারা সুরক্ষার বিষয়টি নিয়ে ভাবতেই পারে না। যৌনতাটাই তাদের কাছে একটা রহস্য উদ্ঘাটনের মতো। এর কারণ ভুল শিক্ষা ও সচেতনতার অভাব।’

কেন এই অবস্থা?

সমীক্ষা বলছে, স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে যৌনশিক্ষা ঠিকমতো পৌঁছচ্ছে না। ভারতের মাত্র ৬.২ শতাংশ স্কুল পড়ুয়া শিক্ষকের থেকে যৌনতার বিষয়ে তথ্য পায়। ৬ শতাংশ পড়ুয়া মায়ের কাছে শিক্ষা পায়। কিন্তু ৫৭ শতাংশ পড়ুয়াই যৌনশিক্ষা পাচ্ছে ইন্টারনেট থেকে। আর ইন্টারনেটে নানাবিধ তথ্য তারা বুঝতেও পারছে না। আর ভুল বোঝার কারণে ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়ছে। সরকার এবিষয়ে এখনই উদ্যোগী না হলে, অদূর ভবিষ্যতে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হবে বলেও সতর্ক করছেন চিকিত্‍‌সকরা।