অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

অভিজিৎ হত্যায় গ্রেপ্তার ৫ জন এখন অনন্ত হত্যার আসামি

সিলেট: সিলেটে ব্লগার অনন্ত বিজয় দাস হত্যা মামলায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ঢাকায় আটক তৌহিদুর রহমান ও আমিনুল মল্লিককে মঙ্গলবার সকালে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে বিচারক সাহেদুল করিম তাদের গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দেন।

আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) আবদুল আহাদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দু’জনকে অনন্ত বিজয় দাস হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা তৌহিদুর রহমান, আমিনুল মল্লিক, আরিফুল ইসলাম, জাকির প্রকাশ ও সাদেক আলিমকে গত ৩ সেপ্টেম্বর অনন্ত হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর (শ্যোন অ্যারেস্ট) আবেদন করেছিল সিআইডি। এরই ধারবাহিকতায় আজ তাঁদের সিলেট মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক ও অনন্ত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরমান আলী। পরে বিচারক সাহেদুল করিম তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে এই পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদনের ওপর আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গত ১২ মে সকালে সিলেট নগরের সুবিদবাজারে নুরানী আবাসিক এলাকার চৌরাস্তার মোড়ে নিজ বাসার সামনে অনন্তকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অনন্ত মুক্তমনা ও সামহোয়্যার ইন ব্লগে নিয়মিত লেখালেখি করতেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকেও সক্রিয় ছিলেন। সিলেটের গণজাগরণ মঞ্চের সক্রিয় কর্মী হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। তাঁকে উগ্র ধর্মান্ধগোষ্ঠীরা পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে এ অভিযোগ অনন্তের বড় ভাই রত্নেশ্বর দাশ বাদী হয়ে অজ্ঞাত চার দুর্বৃত্তকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

ঘটনার প্রায় সাড়ে তিন মাসের মাথায় গত শুক্রবার ভোরে কানাইঘাট উপজেলা পূর্ব পালজুর গ্রাম থেকে মান্নান ইয়াহইয়া ওরফে মান্নান রাহী (২৪) ও মোহাইমিন নোমান ওরফে এ এ নোমান (২২) নামের দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।

মান্নান রাহী গত ২ সেপ্টেম্বর হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে রাহী ধর্ম নিয়ে ব্লগে লেখালেখি করার কারণেই অনন্তকে হত্যা করেন বলে উল্লেখ করেন। ওই দিনই কানাইঘাটের পালজুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল খায়ের ওরফে রশীদ আহমদ (২৪) নামের এক তরুণকে সিলেট নগরের জালালাবাদ থানা এলাকার টুকেরবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৩ সেপ্টেম্বর নোমানকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

অভিজিৎ হত্যায় গ্রেপ্তার ৫ জন এখন অনন্ত হত্যার আসামি

আপডেট টাইম : ০৬:৩০:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫

সিলেট: সিলেটে ব্লগার অনন্ত বিজয় দাস হত্যা মামলায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বিজ্ঞান লেখক অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ঢাকায় আটক তৌহিদুর রহমান ও আমিনুল মল্লিককে মঙ্গলবার সকালে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করলে বিচারক সাহেদুল করিম তাদের গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দেন।

আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) আবদুল আহাদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, দু’জনকে অনন্ত বিজয় দাস হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা তৌহিদুর রহমান, আমিনুল মল্লিক, আরিফুল ইসলাম, জাকির প্রকাশ ও সাদেক আলিমকে গত ৩ সেপ্টেম্বর অনন্ত হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর (শ্যোন অ্যারেস্ট) আবেদন করেছিল সিআইডি। এরই ধারবাহিকতায় আজ তাঁদের সিলেট মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক ও অনন্ত হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরমান আলী। পরে বিচারক সাহেদুল করিম তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে এই পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদনের ওপর আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

গত ১২ মে সকালে সিলেট নগরের সুবিদবাজারে নুরানী আবাসিক এলাকার চৌরাস্তার মোড়ে নিজ বাসার সামনে অনন্তকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। অনন্ত মুক্তমনা ও সামহোয়্যার ইন ব্লগে নিয়মিত লেখালেখি করতেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকেও সক্রিয় ছিলেন। সিলেটের গণজাগরণ মঞ্চের সক্রিয় কর্মী হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। তাঁকে উগ্র ধর্মান্ধগোষ্ঠীরা পরিকল্পিতভাবে খুন করেছে এ অভিযোগ অনন্তের বড় ভাই রত্নেশ্বর দাশ বাদী হয়ে অজ্ঞাত চার দুর্বৃত্তকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

ঘটনার প্রায় সাড়ে তিন মাসের মাথায় গত শুক্রবার ভোরে কানাইঘাট উপজেলা পূর্ব পালজুর গ্রাম থেকে মান্নান ইয়াহইয়া ওরফে মান্নান রাহী (২৪) ও মোহাইমিন নোমান ওরফে এ এ নোমান (২২) নামের দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।

মান্নান রাহী গত ২ সেপ্টেম্বর হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে রাহী ধর্ম নিয়ে ব্লগে লেখালেখি করার কারণেই অনন্তকে হত্যা করেন বলে উল্লেখ করেন। ওই দিনই কানাইঘাটের পালজুর গ্রামের বাসিন্দা আবুল খায়ের ওরফে রশীদ আহমদ (২৪) নামের এক তরুণকে সিলেট নগরের জালালাবাদ থানা এলাকার টুকেরবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৩ সেপ্টেম্বর নোমানকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।