পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo “বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

‘বিরোধীদল দমনে সন্ত্রাসী ঝুঁকিকে ব্যবহার করতে চায় ক্ষমতাসীনরা’

ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকিকে বিরোধী দল দমনে ব্যবহার করতে চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এমনই মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বেসরকারি গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান-স্ট্র্যাটফোর।

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আইএস-এর প্রতি সহানুভূতিশীলদের জন্য বাংলাদেশে সুযোগ সৃষ্টি করেছে বলেও উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি । স্ট্র্যাটফোরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই বছর ধরে চলা রাজনৈতিক সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার পর, বাংলাদেশ এবার নিজস্ব জঙ্গিবাদের সঙ্গে লড়াই করছে। বিরোধী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও তাদের ইসলামী শরিকদের রাজনৈতিক সহিংসতা থেকে ঢাকার মনোযোগ দেশটির প্রলম্বিত রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে সৃষ্ট উগ্রপন্থার দিকে সরে গেছে। নিরাপত্তা বাহিনী জামায়াত-ই-ইসলামীর মতো গোষ্ঠীসমূহকে টার্গেট করছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকিকে নিজ অবস্থান শক্তিশালী করতে ও রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনে ব্যবহার করতে চায় শাসকদল আওয়ামী লীগ। সুতরাং, সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী সহায়তা ও রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য সরকার নয়াদিল্লির সমর্থন কামনা অব্যাহত রাখবে। তীব্রমাত্রার সহিংসতায়ও ঢাকা অভ্যস্ত হয়ে গেছে। সুতরাং, জঙ্গি হামলার দরুন সরকারের ক্ষমতাচ্যুত হওয়া অথবা বছরের এ চতুর্ভাগে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড কার্যকরভাবে ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে পরিস্থিতি পাল্টাতে পারে যদি জঙ্গিরা সফলভাবে পশ্চিমা রাজনৈতিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। সে জন্যই ঢাকা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বাণিজ্যকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করছে। দেশকে স্থিতিশীল করতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় দেশের সামরিক বাহিনীর পুনঃঅন্তর্ভূক্তির জন্য যথেষ্ট বড় কারণ হতে পারে দেশে জঙ্গি হামলা বৃদ্ধি ও চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা।

স্ট্র্যাটফোর এ পূর্বাভাসে দক্ষিণ এশিয়া অংশে ভারতের ভূমিকা আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জঙ্গি কর্মকান্ড বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে উদ্বেগের ফলে চলমান নিরাপত্তা সহযোগিতাকে জোরদার করবে। কিন্তু বাংলাদেশ ও পাকিস্তান-আফগানিস্তান অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান জঙ্গিবাদ এবং নেপালে সংবিধান নিয়ে বিরোধ থেকে সংঘর্ষ শুরুর ঝুঁকি থাকায় সন্ত্রাসবাদের বর্ধিত শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারত নিজের সীমান্ত সংশ্লিষ্ট এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

“বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির

‘বিরোধীদল দমনে সন্ত্রাসী ঝুঁকিকে ব্যবহার করতে চায় ক্ষমতাসীনরা’

আপডেট টাইম : ১১:৪৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৫

ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকিকে বিরোধী দল দমনে ব্যবহার করতে চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এমনই মন্তব্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বেসরকারি গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান-স্ট্র্যাটফোর।

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আইএস-এর প্রতি সহানুভূতিশীলদের জন্য বাংলাদেশে সুযোগ সৃষ্টি করেছে বলেও উল্লেখ করেছে প্রতিষ্ঠানটি । স্ট্র্যাটফোরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই বছর ধরে চলা রাজনৈতিক সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার পর, বাংলাদেশ এবার নিজস্ব জঙ্গিবাদের সঙ্গে লড়াই করছে। বিরোধী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ও তাদের ইসলামী শরিকদের রাজনৈতিক সহিংসতা থেকে ঢাকার মনোযোগ দেশটির প্রলম্বিত রাজনৈতিক সঙ্কটের কারণে সৃষ্ট উগ্রপন্থার দিকে সরে গেছে। নিরাপত্তা বাহিনী জামায়াত-ই-ইসলামীর মতো গোষ্ঠীসমূহকে টার্গেট করছে।

বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকিকে নিজ অবস্থান শক্তিশালী করতে ও রাজনৈতিক বিরোধীদের দমনে ব্যবহার করতে চায় শাসকদল আওয়ামী লীগ। সুতরাং, সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী সহায়তা ও রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য সরকার নয়াদিল্লির সমর্থন কামনা অব্যাহত রাখবে। তীব্রমাত্রার সহিংসতায়ও ঢাকা অভ্যস্ত হয়ে গেছে। সুতরাং, জঙ্গি হামলার দরুন সরকারের ক্ষমতাচ্যুত হওয়া অথবা বছরের এ চতুর্ভাগে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড কার্যকরভাবে ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে পরিস্থিতি পাল্টাতে পারে যদি জঙ্গিরা সফলভাবে পশ্চিমা রাজনৈতিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। সে জন্যই ঢাকা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বাণিজ্যকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা বৃদ্ধি করছে। দেশকে স্থিতিশীল করতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় দেশের সামরিক বাহিনীর পুনঃঅন্তর্ভূক্তির জন্য যথেষ্ট বড় কারণ হতে পারে দেশে জঙ্গি হামলা বৃদ্ধি ও চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা।

স্ট্র্যাটফোর এ পূর্বাভাসে দক্ষিণ এশিয়া অংশে ভারতের ভূমিকা আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জঙ্গি কর্মকান্ড বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে উদ্বেগের ফলে চলমান নিরাপত্তা সহযোগিতাকে জোরদার করবে। কিন্তু বাংলাদেশ ও পাকিস্তান-আফগানিস্তান অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান জঙ্গিবাদ এবং নেপালে সংবিধান নিয়ে বিরোধ থেকে সংঘর্ষ শুরুর ঝুঁকি থাকায় সন্ত্রাসবাদের বর্ধিত শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারত নিজের সীমান্ত সংশ্লিষ্ট এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি করবে।