পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo “বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

‘দুদক আইনের ৫টি ধারা কেন অবৈধ নয়’

ঢাকা: দুর্নীতি দমন কমিশনের মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০১৫-এর পাঁচটি ধারা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। পাঁচটি ধারা হচ্ছে ২ (খ) (ট) (অ) (আ), ৫, ৬ ৭(খ) এবং ১১।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মোহাম্মদ ইকবাল কবিরের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। একজন মানবাধিকারকর্মীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ রুল জারি করা হয়।

আইনসচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে রুলে বিবাদী করা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন, অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

শুনানি শেষে ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই এ অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে। ফলে সরকার উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে দুদককে ব্যবহার করছে।’ গত ২৫ অক্টোবর মানবাধিকারকর্মী ইমতিয়াজ আহমেদ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, উল্লিখিত পাঁচটি ধারা দুদকের ২০১৪-এর ২ (ক), ৩ (২), ৩ (৩), ১৭(ঞ), ২০, ২৪ ও ৩২(১) ধারাগুলোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এর মাধ্যমে দুদকের ক্ষমতাকে খর্ব করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

“বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির

‘দুদক আইনের ৫টি ধারা কেন অবৈধ নয়’

আপডেট টাইম : ১২:২১:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৫

ঢাকা: দুর্নীতি দমন কমিশনের মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০১৫-এর পাঁচটি ধারা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। পাঁচটি ধারা হচ্ছে ২ (খ) (ট) (অ) (আ), ৫, ৬ ৭(খ) এবং ১১।

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মোহাম্মদ ইকবাল কবিরের অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। একজন মানবাধিকারকর্মীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ রুল জারি করা হয়।

আইনসচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে রুলে বিবাদী করা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন, অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

শুনানি শেষে ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই এ অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে। ফলে সরকার উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে দুদককে ব্যবহার করছে।’ গত ২৫ অক্টোবর মানবাধিকারকর্মী ইমতিয়াজ আহমেদ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।

রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়, উল্লিখিত পাঁচটি ধারা দুদকের ২০১৪-এর ২ (ক), ৩ (২), ৩ (৩), ১৭(ঞ), ২০, ২৪ ও ৩২(১) ধারাগুলোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এর মাধ্যমে দুদকের ক্ষমতাকে খর্ব করা হয়েছে।