অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

লালবাগে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ধর্ষণের অভিনয়: গ্রেফতার ১

ঢাকা :রাজধানীর লালবাগে ধর্ষণের অভিনয় করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর অভিযোগে রেনু বেগম (৫০) নামে এক নারীকে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এ ঘটনার মূলহোতা নাজির আহম্মেদ ও অভিনয়কারী দুই নারীকে র‌্যাব খোঁজ করছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে লালবাগের শহীদ নগর এলাকায় রেনু বেগমকে আটকের পর থানায় সোপর্দ করা হয়।

র‌্যাব-১০ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর জাঙ্গাহীর কবীর সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘লালবাগে চিকিৎসার নামে কিশোরী ধর্ষণ’ হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন সংবাদ আমলে নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে র‌্যাব-১০। পরে র‌্যাবের একটি টিম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই ধর্ষিতাকে দেখতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, ওই কিশোরী পালিয়েছেন। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে র‌্যাব জানতে পারেন, ওই এলাকার বাসিন্দা নাজির আহম্মেদ ও রাসেলের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছে। আর ওই জমিতেই চিকিৎসক বাবুল আজম বিভিন্ন লোককে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেন।

নাজির আহম্মেদ চিকিৎসক বাবুল আজম ও রাসেলকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য দুই-তিন মাস আগে তার বাড়ির ভাড়াটিয়া রেনু বেগমের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে দুই কিশোরীকে ভাড়া করে আনেন। পরে নাজির আহম্মেদ দুই কিশোরীর মধ্যে মরিয়ম নামে এক মেয়েকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের অভিনয় করে ও নিজস্ব লোক দ্বারা ভিডিওচিত্র ধারণ করে। আর দৃশ্য ভিডিওচিত্র এডিটিংয়ের মাধ্যমে নাজির আহম্মেদের চেহারায় চিকিৎসক বাবুল আজম ও রাসেলের চেহারা বসিয়ে তাদের ব্ল্যাকমেইল করে। কিন্তু পরে ভিডিওম্যান সহযোগিতা করতে না চাইলে ২৭ অক্টোবর আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টার দিকে রেনু বেগম পুনরায় ওই মেয়েদের একজনকে বাসায় নিয়ে আসেন্ এবং তাকে ওই চিকিৎসক ও রাসেল ধর্ষণ করেছে বলে এমন অভিযোগ করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। কিন্তু চিকিৎসার শুরুর আগেই মরিয়ম নামেও মেয়েটি পালিয়ে যায়।

পরে র‌্যাব-১০, লালবাগ ক্যাম্প তদন্ত করে ধারণকৃত ভিডিও ক্লিপটি সংগ্রহ করে। ক্লিপটির সূত্র ধরে রেনু বেগমকে আটক করা হয়। পরে তিনি স্বীকার করেছেন- তার বাড়িওয়ালা নাজির আহম্মেদ তাকে দিয়ে বাবুল আজম ও তার সহযোগী রাসেলকে ফাঁসানোর জন্য এ ঘৃণ্য কাজ করিয়েছেন। র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা জানান, ঘটনার পরিকল্পনাকারী নাজির আহম্মেদ ও অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান

লালবাগে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ধর্ষণের অভিনয়: গ্রেফতার ১

আপডেট টাইম : ০৫:৪৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০১৫

ঢাকা :রাজধানীর লালবাগে ধর্ষণের অভিনয় করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর অভিযোগে রেনু বেগম (৫০) নামে এক নারীকে আটক করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। এ ঘটনার মূলহোতা নাজির আহম্মেদ ও অভিনয়কারী দুই নারীকে র‌্যাব খোঁজ করছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে লালবাগের শহীদ নগর এলাকায় রেনু বেগমকে আটকের পর থানায় সোপর্দ করা হয়।

র‌্যাব-১০ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর জাঙ্গাহীর কবীর সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘লালবাগে চিকিৎসার নামে কিশোরী ধর্ষণ’ হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত এমন সংবাদ আমলে নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে র‌্যাব-১০। পরে র‌্যাবের একটি টিম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই ধর্ষিতাকে দেখতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, ওই কিশোরী পালিয়েছেন। এরপর ঘটনাস্থলে গিয়ে র‌্যাব জানতে পারেন, ওই এলাকার বাসিন্দা নাজির আহম্মেদ ও রাসেলের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছে। আর ওই জমিতেই চিকিৎসক বাবুল আজম বিভিন্ন লোককে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেন।

নাজির আহম্মেদ চিকিৎসক বাবুল আজম ও রাসেলকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য দুই-তিন মাস আগে তার বাড়ির ভাড়াটিয়া রেনু বেগমের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে দুই কিশোরীকে ভাড়া করে আনেন। পরে নাজির আহম্মেদ দুই কিশোরীর মধ্যে মরিয়ম নামে এক মেয়েকে বিবস্ত্র করে ধর্ষণের অভিনয় করে ও নিজস্ব লোক দ্বারা ভিডিওচিত্র ধারণ করে। আর দৃশ্য ভিডিওচিত্র এডিটিংয়ের মাধ্যমে নাজির আহম্মেদের চেহারায় চিকিৎসক বাবুল আজম ও রাসেলের চেহারা বসিয়ে তাদের ব্ল্যাকমেইল করে। কিন্তু পরে ভিডিওম্যান সহযোগিতা করতে না চাইলে ২৭ অক্টোবর আনুমানিক সন্ধ্যা ৭টার দিকে রেনু বেগম পুনরায় ওই মেয়েদের একজনকে বাসায় নিয়ে আসেন্ এবং তাকে ওই চিকিৎসক ও রাসেল ধর্ষণ করেছে বলে এমন অভিযোগ করা হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। কিন্তু চিকিৎসার শুরুর আগেই মরিয়ম নামেও মেয়েটি পালিয়ে যায়।

পরে র‌্যাব-১০, লালবাগ ক্যাম্প তদন্ত করে ধারণকৃত ভিডিও ক্লিপটি সংগ্রহ করে। ক্লিপটির সূত্র ধরে রেনু বেগমকে আটক করা হয়। পরে তিনি স্বীকার করেছেন- তার বাড়িওয়ালা নাজির আহম্মেদ তাকে দিয়ে বাবুল আজম ও তার সহযোগী রাসেলকে ফাঁসানোর জন্য এ ঘৃণ্য কাজ করিয়েছেন। র‌্যাবের ওই কর্মকর্তা জানান, ঘটনার পরিকল্পনাকারী নাজির আহম্মেদ ও অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।