অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল

যুদ্ধাপরাধে ফাঁসি: বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত

ডেস্ক: ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের শাস্তি প্রদানে গঠিত ট্রাইব্যুনাল ও অভিযুক্তদের ফাঁসি কার্যকরের ব্যাপারে পশ্চিমা মানবাধিকার সংগঠন আপত্তি জানিয়েছে। তবে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষে আছে ভারত। এমনকি ওই মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সংস্থায় কেউ গেলে তখনো বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত।

আজ বুধবার ভারতের দ্য স্টেটসম্যান, দ্য ইকোনমিক টাইমস ও টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

ওই দুই পত্রিকায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা সত্ত্বেও ভারত সরকার মনে করছে, শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখতেই ওই পদক্ষেপ নিয়েছে। পাকিস্তান কিংবা পশ্চিমের কোনো দেশ এ বিষয় নিয়ে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে যায় তাহলে ভারত প্রকাশ্যে বাংলাদেশকে সমর্থন জানাতে পারে।

২১ নভেম্বর দিবাগত রাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এ কথা উল্লেখ করে ওই দুই পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মেনেই তাঁদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। ওই ফাঁসি কার্যকরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার আইন এবং সে দেশের জনগণের দাবি মেনেই সবকিছু সম্পন্ন করেছে বলে মনে করছে ভারত। এর সঙ্গে এটিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

প্রতিবেদনগুলো জানিয়েছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করে, আন্তর্জাতিক যুদ্ধপরাধ আদালতের বিচার মেনেই বাংলাদেশে ওই দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টও ওই ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী এবং মানবতাবিরোধী ওই দুই নেতার ফাঁসি কার্যকরের পরই বাংলাদেশে উত্তেজনা তৈরি করতে সচেষ্ট জামায়াতে ইসলামের মতো মৌলবাদী শক্তিগুলো। কিন্তু অশুভ শক্তিকে কঠোর হাতে দমন করার কথা এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন শেখ হাসিনা সরকার। অপরদিকে বাংলাদেশের মাটিতে ইসলামিক স্টেটের (আইএস)মতো জঙ্গি সংগঠনের কোনো অস্তিত্ব নেই বলেও বাংলাদেশ দাবি করেছে। সেদিকে অবশ্য ভারত কড়া নজর রাখছে বলে জানা গেছে।

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরের ঘটনায় নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে পাকিস্তান সরকার। একই সঙ্গে পাকিস্তানের অন্যতম রাজনৈতিক শক্তি তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রধান ইমরান খানও ফাঁসি কার্যকর নিয়ে সমালোচনা করেছেন।

Tag :

নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

যুদ্ধাপরাধে ফাঁসি: বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত

আপডেট টাইম : ০২:৩৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৫

ডেস্ক: ১৯৭১ সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের শাস্তি প্রদানে গঠিত ট্রাইব্যুনাল ও অভিযুক্তদের ফাঁসি কার্যকরের ব্যাপারে পশ্চিমা মানবাধিকার সংগঠন আপত্তি জানিয়েছে। তবে মানবতাবিরোধী অপরাধীদের শাস্তি দেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষে আছে ভারত। এমনকি ওই মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সংস্থায় কেউ গেলে তখনো বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত।

আজ বুধবার ভারতের দ্য স্টেটসম্যান, দ্য ইকোনমিক টাইমস ও টাইমস অব ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

ওই দুই পত্রিকায় বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা সত্ত্বেও ভারত সরকার মনে করছে, শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখতেই ওই পদক্ষেপ নিয়েছে। পাকিস্তান কিংবা পশ্চিমের কোনো দেশ এ বিষয় নিয়ে কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছে যায় তাহলে ভারত প্রকাশ্যে বাংলাদেশকে সমর্থন জানাতে পারে।

২১ নভেম্বর দিবাগত রাতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এ কথা উল্লেখ করে ওই দুই পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মেনেই তাঁদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। ওই ফাঁসি কার্যকরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার আইন এবং সে দেশের জনগণের দাবি মেনেই সবকিছু সম্পন্ন করেছে বলে মনে করছে ভারত। এর সঙ্গে এটিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

প্রতিবেদনগুলো জানিয়েছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করে, আন্তর্জাতিক যুদ্ধপরাধ আদালতের বিচার মেনেই বাংলাদেশে ওই দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টও ওই ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী এবং মানবতাবিরোধী ওই দুই নেতার ফাঁসি কার্যকরের পরই বাংলাদেশে উত্তেজনা তৈরি করতে সচেষ্ট জামায়াতে ইসলামের মতো মৌলবাদী শক্তিগুলো। কিন্তু অশুভ শক্তিকে কঠোর হাতে দমন করার কথা এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন শেখ হাসিনা সরকার। অপরদিকে বাংলাদেশের মাটিতে ইসলামিক স্টেটের (আইএস)মতো জঙ্গি সংগঠনের কোনো অস্তিত্ব নেই বলেও বাংলাদেশ দাবি করেছে। সেদিকে অবশ্য ভারত কড়া নজর রাখছে বলে জানা গেছে।

সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকরের ঘটনায় নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে পাকিস্তান সরকার। একই সঙ্গে পাকিস্তানের অন্যতম রাজনৈতিক শক্তি তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রধান ইমরান খানও ফাঁসি কার্যকর নিয়ে সমালোচনা করেছেন।