অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

চড়া মূল্যেই ত্রিপুরা থেকে আসছে বিদ্যুৎ

ঢাকা : ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে প্রতি ইউনিট ৫ রুপি ৫০ পয়সা (৬ টাকা ৬০ পয়সা) দরে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার।

আজ শনিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দু’দেশের যৌথ বৈঠকে বিদ্যুতের এই দাম নির্ধারণ করা হয়।

সকল অবকাঠামো থাকা স্থাপন করার পরেও দাম জটিলতার কারণে ত্রিপুরা থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব হচ্ছিল না। অবশেষে শনিবার দু’দেশের যৌথ বৈঠকে এ দাম নির্ধারণ করা হলো।

বৈঠকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী মানিক দে, ত্রিপুরার মুখ্য সচিব এস কে রাকেশ, ত্রিপুরা রাজ্যের বিদ্যুৎ বিভাগের পরিচালক ঘণশ্যাম প্রসাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম বলেন, ‘ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমরা উভয় দেশ ঐকমত্যে পৌঁছেছি। ত্রিপুরা থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে আর কোনো বাধা রইল না।’

বৈঠক সূত্র জানায়, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই বিদ্যুৎ আমদানির চূড়ান্ত চুক্তি করা হবে। এ বিষয়ে শনিবারই একটি খসড়া অনুমোদন দিয়েছে উভয় দেশ।

সূত্র আরো জানায়, বিদ্যুতের দাম নির্ধারণে উভয় দেশ কিছুটা ছাড় দিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। ত্রিপুরা থেকে যে বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে তার স্থায়ী (ক্যাপাসিটি) কোনো খরচ নেই। অর্থাৎ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ আমদানি করলেই বিল দেবে, না নিলে কোনো বিল দেয়া লাগবে না।

বর্তমানে ভারতের পশ্চিমাঞ্চল থেকে বাংলাদেশের ভেড়ামারা দিয়ে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। এই ৫০০ মেগাওয়াটের মধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে নেয়া ২৫০ মেগাওয়াটের দাম প্রতি ইউনিট ২ রুপি ৪৬ পয়সা। বাকি ২৫০ মেগাওয়াট বেসরকারিভাবে নেয়া হচ্ছে, যার দাম প্রতি ইউনিট ৫ রুপি ৪৬ পয়সা। এখানে ক্যাপাসিটি খরচও দিতে হয়।

সূত্র জানায়, ভারত প্রথমে ত্রিপুরার বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট প্রায় ৮ রুপি করে চেয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ সম্মত হয়নি। সেজন্যই বিদ্যুৎ আনতে দেরি হয়েছে। দর কষাকষির একপর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ সাড়ে ৫ রুপি করে দিতে রাজি হলো ভারত।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

চড়া মূল্যেই ত্রিপুরা থেকে আসছে বিদ্যুৎ

আপডেট টাইম : ০২:২৩:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৬

ঢাকা : ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে প্রতি ইউনিট ৫ রুপি ৫০ পয়সা (৬ টাকা ৬০ পয়সা) দরে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার।

আজ শনিবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দু’দেশের যৌথ বৈঠকে বিদ্যুতের এই দাম নির্ধারণ করা হয়।

সকল অবকাঠামো থাকা স্থাপন করার পরেও দাম জটিলতার কারণে ত্রিপুরা থেকে বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব হচ্ছিল না। অবশেষে শনিবার দু’দেশের যৌথ বৈঠকে এ দাম নির্ধারণ করা হলো।

বৈঠকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী মানিক দে, ত্রিপুরার মুখ্য সচিব এস কে রাকেশ, ত্রিপুরা রাজ্যের বিদ্যুৎ বিভাগের পরিচালক ঘণশ্যাম প্রসাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম বলেন, ‘ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমরা উভয় দেশ ঐকমত্যে পৌঁছেছি। ত্রিপুরা থেকে বিদ্যুৎ আমদানিতে আর কোনো বাধা রইল না।’

বৈঠক সূত্র জানায়, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই বিদ্যুৎ আমদানির চূড়ান্ত চুক্তি করা হবে। এ বিষয়ে শনিবারই একটি খসড়া অনুমোদন দিয়েছে উভয় দেশ।

সূত্র আরো জানায়, বিদ্যুতের দাম নির্ধারণে উভয় দেশ কিছুটা ছাড় দিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে। ত্রিপুরা থেকে যে বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে তার স্থায়ী (ক্যাপাসিটি) কোনো খরচ নেই। অর্থাৎ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ আমদানি করলেই বিল দেবে, না নিলে কোনো বিল দেয়া লাগবে না।

বর্তমানে ভারতের পশ্চিমাঞ্চল থেকে বাংলাদেশের ভেড়ামারা দিয়ে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। এই ৫০০ মেগাওয়াটের মধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে নেয়া ২৫০ মেগাওয়াটের দাম প্রতি ইউনিট ২ রুপি ৪৬ পয়সা। বাকি ২৫০ মেগাওয়াট বেসরকারিভাবে নেয়া হচ্ছে, যার দাম প্রতি ইউনিট ৫ রুপি ৪৬ পয়সা। এখানে ক্যাপাসিটি খরচও দিতে হয়।

সূত্র জানায়, ভারত প্রথমে ত্রিপুরার বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট প্রায় ৮ রুপি করে চেয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ সম্মত হয়নি। সেজন্যই বিদ্যুৎ আনতে দেরি হয়েছে। দর কষাকষির একপর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ সাড়ে ৫ রুপি করে দিতে রাজি হলো ভারত।