পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

‘সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠীর এদেশিয় এজেন্টরাই দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতায় লিপ্ত’

চট্টগ্রাম: হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী বলেছেন, ইয়াহুদি-খ্রিস্টান সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী ও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলোর এদেশিয় এজেন্টরা শান্তিপ্রিয় আলিমসমাজ, ধর্মপ্রাণ মানুষ এবং কুরআন-হাদিসের বিশুদ্ধ জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রগুলো সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছে। এরা জঙ্গি তৎপরতার বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে অকার্যকর রাষ্ট্র প্রমাণ করা এবং ঔপনিবেশিক শক্তির আগ্রাসনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে অব্যাহতভাবে নিয়োজিত রয়েছে। এসব কাজে জড়িতরা দেশ ও জাতির বন্ধু হতে পারে না।

আজ চট্টগ্রাম লালদীঘি ময়দানে হেফাজতের উদ্যোগে দুইদিন-ব্যাপী ইসলামি মহাসম্মেলনের প্রথম দিনে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

আহমদ শফী বলেন, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ইসলাম, মুসলমান, ইসলামের প্রতীক ও ইসলামি শিক্ষার বিরুদ্ধে হরদম মিথ্যা, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। কতিপয় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সাধারণ মানুষের মগজ ধোলাই ও মানুষের মনে ঘৃণা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে না অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

আল্লামা আহমদ শফী আরও বলেন, এই অপশক্তির নিয়োজিত ভাড়াটে লোকগুলোই দেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের ক্ষেত্র বানানোর ঘৃণ্য চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। এদেশের মোকাবেলায় দলীয় সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে সকল মুসলমানকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, ইসলামে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। যারা আল্লাহর হুকুম ও তার রাসূল (সা.) এর জীবনাদর্শ পূর্ণাঙ্গরূপে অনুসরণ করে চলে তারা সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারে না।

তিনি বলেন, কওমী মাদরাসায় কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গি কর্মকাণ্ড হয় না; এখানে আল্লাহওয়ালা, বুজর্গ ও কুরআন-হাদিসের পণ্ডিত তৈরি হয়।

আল্লামা আহমদ শফী বলেন, জীবনের সর্বক্ষেত্রে তাকওয়া ও খোদাভীতি অনুসরণ করলে সমাজের নৈরাজ্য, অশান্তি, দুর্নীতি ও হানাহানির লেশমাত্র থাকতো না। তিনি বলেন, ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ পরিপূর্ণ অনুসরণ করে শিরক-বিদআত ও নাস্তিকতামুক্ত আদর্শ সমাজ গড়া হেফাজতে ইসলামের লক্ষ্য। তিনি সকলের উদ্দেশে বলেন, আপনারা প্রাত্যহিক জীবনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পাশাপাশি সুন্নাতে রাসুলের ইত্তেবা করবেন। বেশি বেশি করে প্রিয়নবী (সা.) এর প্রতি দরুদ পাঠ করবেন। গিবত, শেকায়েত, অশ্লীলতা, বেহায়াপনা থেকে নিজে বিরত থাকবেন, পরিবার-পরিজনকে বিরত রাখবেন। মানুষের হক নষ্ট করবেন না; কারও ইজ্জতের ওপর আঘাত করবেন না।

হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা শাহ্ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলাম, মাওলানা সালাহুদ্দিন নানুপুরী ও মাওলানা শিহাবুদ্দিন চার অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য পেশ করেন- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী, মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়তের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা হাফেজ নুরুল ইসলাম, মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা মোস্তফা আল হোসাইনী, মাওলানা আবদুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, দৈনিক ইনকিলাবের সহকারী সম্পাদক মাওলানা ওবাইদুর রহমান খান নদভী, মাওলানা লোকমান হাকিম, মাওলানা শহীদুল্লাহ উজানী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফতেহপুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মাওলানা মুইনুদ্দিন রূহী, মাওলানা হাফেজ ফয়সাল ও মাওলানা আহমদুল্লাহ।

সভাপতির ভাষণে মাওলানা শাহ্ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, নাস্তিক-মুরতাদ ও ইসলামবিদ্বেষী অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ চলবে। মসজিদ মাদরাসার বিরুদ্ধে চক্রান্তকারীদের ছেড়ে দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, যারা আল্লাহর ফরজ বিধানকে ইচ্ছাকৃতভাবে কটাক্ষ করবে, হারাম বিধানকে অবৈধ নয় বলে ঘোষণা দেবে তারা কোনোভাবেই ঈমানদার হতে পারেনা। বর্তমান সরকারের কতিপয়মন্ত্রী ইসলামী বিধিবিধান সম্পর্কে কটাক্ষ ও অপব্যাখ্যা করে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (স.)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।

আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে যদি সর্বোচ্চ সাজার বিধান কার্যকর করার দৃষ্টান্ত তৈরি হতো, তাহলে ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিক ব্লগার ও তসলিমা-লতিফের মতো ঘৃণিত কুলাঙ্গাররা মাথাচাড়া দিতে সাহস করতো না। কিন্তু ধর্ম অবমাননার সর্বোচ্চ সাজা না থাকায় এদের মতো বেয়াদব নাস্তিক-মুরতাদরা প্রকাশ্যে ইসলামি বিধিবিধানের প্রতি ঠাট্টা-বিদ্রুপ এবং আল্লাহ ও রাসূল (স.)-এর অবমাননার দুঃসাহস দেখাচ্ছে।

আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী আরো বলেন, ধর্মনিরপেক্ষ ক্ষমতাসীন সরকারের ধর্মহীন মন্ত্রীরা যেভাবে ইসলামী নীতিমালা ও বিধিবিধানের বিরুদ্ধে একের পর এক উস্কানিমূলক ও বিদ্বেষপ্রসূত বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন, তাতে করে আমরা মনে করছি, দেশের ক্ষুদ্রসংখ্যক ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক ও মুরতাদ গোষ্ঠীর প্ররোচনায় চিহ্নিত ইসলামবিদ্বেষী মন্ত্রীরা নিজেরাতো ধর্মপালন করেই না কিন্তু দেশের ধর্মপ্রাণ জনতাকে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ধর্মহীন করার ষড়যন্ত্র করছেন। আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, তাদের এই ষড়যন্ত্র বাংলার তৌহিদি জনতা রুখে দেবে ইনশাআল্লাহ।

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

‘সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠীর এদেশিয় এজেন্টরাই দেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতায় লিপ্ত’

আপডেট টাইম : ০২:১৬:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারী ২০১৬

চট্টগ্রাম: হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী বলেছেন, ইয়াহুদি-খ্রিস্টান সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠী ও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলোর এদেশিয় এজেন্টরা শান্তিপ্রিয় আলিমসমাজ, ধর্মপ্রাণ মানুষ এবং কুরআন-হাদিসের বিশুদ্ধ জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রগুলো সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছে। এরা জঙ্গি তৎপরতার বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে অকার্যকর রাষ্ট্র প্রমাণ করা এবং ঔপনিবেশিক শক্তির আগ্রাসনের ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে অব্যাহতভাবে নিয়োজিত রয়েছে। এসব কাজে জড়িতরা দেশ ও জাতির বন্ধু হতে পারে না।

আজ চট্টগ্রাম লালদীঘি ময়দানে হেফাজতের উদ্যোগে দুইদিন-ব্যাপী ইসলামি মহাসম্মেলনের প্রথম দিনে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

আহমদ শফী বলেন, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ইসলাম, মুসলমান, ইসলামের প্রতীক ও ইসলামি শিক্ষার বিরুদ্ধে হরদম মিথ্যা, ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। কতিপয় প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সাধারণ মানুষের মগজ ধোলাই ও মানুষের মনে ঘৃণা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে না অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

আল্লামা আহমদ শফী আরও বলেন, এই অপশক্তির নিয়োজিত ভাড়াটে লোকগুলোই দেশকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের ক্ষেত্র বানানোর ঘৃণ্য চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। এদেশের মোকাবেলায় দলীয় সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে সকল মুসলমানকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, ইসলামে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই। যারা আল্লাহর হুকুম ও তার রাসূল (সা.) এর জীবনাদর্শ পূর্ণাঙ্গরূপে অনুসরণ করে চলে তারা সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারে না।

তিনি বলেন, কওমী মাদরাসায় কোনো সন্ত্রাস ও জঙ্গি কর্মকাণ্ড হয় না; এখানে আল্লাহওয়ালা, বুজর্গ ও কুরআন-হাদিসের পণ্ডিত তৈরি হয়।

আল্লামা আহমদ শফী বলেন, জীবনের সর্বক্ষেত্রে তাকওয়া ও খোদাভীতি অনুসরণ করলে সমাজের নৈরাজ্য, অশান্তি, দুর্নীতি ও হানাহানির লেশমাত্র থাকতো না। তিনি বলেন, ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভ পরিপূর্ণ অনুসরণ করে শিরক-বিদআত ও নাস্তিকতামুক্ত আদর্শ সমাজ গড়া হেফাজতে ইসলামের লক্ষ্য। তিনি সকলের উদ্দেশে বলেন, আপনারা প্রাত্যহিক জীবনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পাশাপাশি সুন্নাতে রাসুলের ইত্তেবা করবেন। বেশি বেশি করে প্রিয়নবী (সা.) এর প্রতি দরুদ পাঠ করবেন। গিবত, শেকায়েত, অশ্লীলতা, বেহায়াপনা থেকে নিজে বিরত থাকবেন, পরিবার-পরিজনকে বিরত রাখবেন। মানুষের হক নষ্ট করবেন না; কারও ইজ্জতের ওপর আঘাত করবেন না।

হেফাজতে ইসলামের সিনিয়র নায়েবে আমির মাওলানা শাহ্ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলাম, মাওলানা সালাহুদ্দিন নানুপুরী ও মাওলানা শিহাবুদ্দিন চার অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য পেশ করেন- হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা হাফেজ জুনাইদ বাবুনগরী, মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়তের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা হাফেজ নুরুল ইসলাম, মুফাসসিরে কুরআন মাওলানা মোস্তফা আল হোসাইনী, মাওলানা আবদুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, দৈনিক ইনকিলাবের সহকারী সম্পাদক মাওলানা ওবাইদুর রহমান খান নদভী, মাওলানা লোকমান হাকিম, মাওলানা শহীদুল্লাহ উজানী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা মাহমুদুল হাসান ফতেহপুরী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মাওলানা মুইনুদ্দিন রূহী, মাওলানা হাফেজ ফয়সাল ও মাওলানা আহমদুল্লাহ।

সভাপতির ভাষণে মাওলানা শাহ্ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, নাস্তিক-মুরতাদ ও ইসলামবিদ্বেষী অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের জিহাদ চলবে। মসজিদ মাদরাসার বিরুদ্ধে চক্রান্তকারীদের ছেড়ে দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, যারা আল্লাহর ফরজ বিধানকে ইচ্ছাকৃতভাবে কটাক্ষ করবে, হারাম বিধানকে অবৈধ নয় বলে ঘোষণা দেবে তারা কোনোভাবেই ঈমানদার হতে পারেনা। বর্তমান সরকারের কতিপয়মন্ত্রী ইসলামী বিধিবিধান সম্পর্কে কটাক্ষ ও অপব্যাখ্যা করে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (স.)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে।

আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং ধর্ম অবমাননার বিরুদ্ধে যদি সর্বোচ্চ সাজার বিধান কার্যকর করার দৃষ্টান্ত তৈরি হতো, তাহলে ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিক ব্লগার ও তসলিমা-লতিফের মতো ঘৃণিত কুলাঙ্গাররা মাথাচাড়া দিতে সাহস করতো না। কিন্তু ধর্ম অবমাননার সর্বোচ্চ সাজা না থাকায় এদের মতো বেয়াদব নাস্তিক-মুরতাদরা প্রকাশ্যে ইসলামি বিধিবিধানের প্রতি ঠাট্টা-বিদ্রুপ এবং আল্লাহ ও রাসূল (স.)-এর অবমাননার দুঃসাহস দেখাচ্ছে।

আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরী আরো বলেন, ধর্মনিরপেক্ষ ক্ষমতাসীন সরকারের ধর্মহীন মন্ত্রীরা যেভাবে ইসলামী নীতিমালা ও বিধিবিধানের বিরুদ্ধে একের পর এক উস্কানিমূলক ও বিদ্বেষপ্রসূত বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন, তাতে করে আমরা মনে করছি, দেশের ক্ষুদ্রসংখ্যক ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক ও মুরতাদ গোষ্ঠীর প্ররোচনায় চিহ্নিত ইসলামবিদ্বেষী মন্ত্রীরা নিজেরাতো ধর্মপালন করেই না কিন্তু দেশের ধর্মপ্রাণ জনতাকে ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ধর্মহীন করার ষড়যন্ত্র করছেন। আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, তাদের এই ষড়যন্ত্র বাংলার তৌহিদি জনতা রুখে দেবে ইনশাআল্লাহ।