অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

সীমান্ত সুরক্ষায় গ্রীসকে তিন মাসের আলটিমেটাম

মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকা থেকে গত বছর দেড়েক ধরে যে লাখ লাখ অভিবাসী ইউরোপে ঢুকছে তার ৮০ শতাংশই এসে নামছে গ্রীসে। তারপর সেখান থেকে বিনা বাঁধায় সীমান্ত পেরিয়ে অন্যান্য দেশে ঢুকছে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ গ্রীসের প্রতিবেশীরা।

তাদের বক্তব্য ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ভিসা ছাড়া চলাচলের জন্য যে চুক্তি, সেই শেঙ্গেন চুক্তির অধীনে ইউরোপের বাইরের সীমানা রক্ষার দায়িত্ব গ্রীসেরও।

এখন ইউরোপীয় কমিশনও বলছে, শরণার্থী সংকটের সময় এই দায়িত্ব পালনে গ্রীস চরম অবহেলা দেখিয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিদর্শকরা দেখেছেন, নতুন আসা লোকজনের নাম রেজিস্ট্রেশন করা, তাদের আঙ্গুলের ছাপ নেয়া এবং তাদের কাগজপত্র যাচাই করা, এর কোনো কিছুই ঠিক মত করেনি গ্রীস।

ইন্টারপোল এবং অন্যান্য পুলিশ ডাটাবেজের সঙ্গে এসব তথ্য মিলিয়েও দেখা হয়নি।

ইউরোপীয় কমিশনের এই রিপোর্ট এখন দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার জন্য গ্রীসকে তিন মাসের সময় বেঁধে দিয়েছে।

যদি এর মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হয়, তখন শেঙ্গেন চুক্তির অধীন দেশগুলো স্ব স্ব দেশের সীমানায় নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারবে।

এর মানে অভিবাসীর চাপে ইউরোপের দেশগুলোর নাগরিকরা এখন যেভাবে অবাধে বিভিন্ন দেশে চলাচল করতে পারেন, তার ইতি ঘটতে যাচ্ছে। সূত্র: বিবিসি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪

সীমান্ত সুরক্ষায় গ্রীসকে তিন মাসের আলটিমেটাম

আপডেট টাইম : ০৩:৩৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০১৬

মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকা থেকে গত বছর দেড়েক ধরে যে লাখ লাখ অভিবাসী ইউরোপে ঢুকছে তার ৮০ শতাংশই এসে নামছে গ্রীসে। তারপর সেখান থেকে বিনা বাঁধায় সীমান্ত পেরিয়ে অন্যান্য দেশে ঢুকছে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ গ্রীসের প্রতিবেশীরা।

তাদের বক্তব্য ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ভিসা ছাড়া চলাচলের জন্য যে চুক্তি, সেই শেঙ্গেন চুক্তির অধীনে ইউরোপের বাইরের সীমানা রক্ষার দায়িত্ব গ্রীসেরও।

এখন ইউরোপীয় কমিশনও বলছে, শরণার্থী সংকটের সময় এই দায়িত্ব পালনে গ্রীস চরম অবহেলা দেখিয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিদর্শকরা দেখেছেন, নতুন আসা লোকজনের নাম রেজিস্ট্রেশন করা, তাদের আঙ্গুলের ছাপ নেয়া এবং তাদের কাগজপত্র যাচাই করা, এর কোনো কিছুই ঠিক মত করেনি গ্রীস।

ইন্টারপোল এবং অন্যান্য পুলিশ ডাটাবেজের সঙ্গে এসব তথ্য মিলিয়েও দেখা হয়নি।

ইউরোপীয় কমিশনের এই রিপোর্ট এখন দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার জন্য গ্রীসকে তিন মাসের সময় বেঁধে দিয়েছে।

যদি এর মধ্যে অবস্থার উন্নতি না হয়, তখন শেঙ্গেন চুক্তির অধীন দেশগুলো স্ব স্ব দেশের সীমানায় নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারবে।

এর মানে অভিবাসীর চাপে ইউরোপের দেশগুলোর নাগরিকরা এখন যেভাবে অবাধে বিভিন্ন দেশে চলাচল করতে পারেন, তার ইতি ঘটতে যাচ্ছে। সূত্র: বিবিসি