অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

অবরোধ প্রত্যাহার না হলে ভারত সফরে যাবেন না নেপালি প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক: আগামী মাসে ভারত সফরের কথা নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে. পি শর্মার। এ নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে জবাবে কে. পি শর্মা ওলি মঙ্গলবার বলেছেন, নেপাল-ভারত সীমান্তে যতদিন ‘অবরোধ’ চলবে ততদিন তার পক্ষে নয়াদিল্লি সফর করা যথাযথ হবে না। গত সেপ্টেম্বরে নেপালে ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে নতুন সংবিধান পাস হয়। এরপর থেকেই মধেষি সম্প্রদায় তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে সীমান্ত এলাকাগুলোতে। তাদের দাবি, এ সংবিধানে তাদের অধিকারকে খর্ব করা হয়েছে। ফলে নেপালের দক্ষিণাঞ্চলে তেরাই এলাকায় সংবিধান বিরোধী বিক্ষোভ দিন দিন জোরালো হয়ে ওঠে। সেই বিক্ষোভ অবরোধে রূপ নিয়েছে। তা চলছে ৫ মাস। ভারতের সঙ্গে নেপালের রয়েছে ১৮৬৮ কিলোমিটার উন্মুক্ত সীমান্ত। তার বড় একটি অংশে এ বিক্ষোভ চলছে। ফলে ভারত থেকে নিত্যপণ্য নেপালে প্রবেশ করতে পারছে না। মধেষিদের আন্দোলনে ভারতের ইন্ধন আছে বলে অভিযোগ নেপালের। তারা একে ভারতের অঘোষিত অবরোধ হিসেবে আখ্যায়িত করছে। মধেষি আন্দোলনে ৪১টি ট্রানজিট ও কাস্টমস পয়েন্টের বেশির ভাগই বন্ধ হয়ে আছে।

উল্লেখ্য, নেপালের তেরাই অঞ্চলে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫১ ভাগ মানুষের বাস। কিন্তু রয়েছে পার্লামেন্টের তিন ভাগের এক ভাগ মাত্র আসন। এজন্য মধেষিরা আরো আসন দাবি করছেন সেখানে। সরকারি চাকরিতে তাদের আনুপাতিক হার আরো বাড়াতে বলছে। ২০০৭ সালের অন্তর্বর্তী সংবিধানে তাদের যেটুকু অধিকার দেয়া হয়েছিল তা পুনর্বহালের দাবি উঠেছে।

দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আগামী মাসে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে ভারতে যাওয়ার কথা রয়েছে কে. পি শর্মা ওলির। কিন্তু বামপন্থি এই প্রধানমন্ত্রী এখনো মধেষিদের দাবি মেনে নেননি। বলেছেন, তেরাই অঞ্চলে ওই উত্তেজনাকর অবস্থার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তিনি নয়াদিল্লি সফরে যাবেন না। মঙ্গলবার তিনি নেপালের সিনিয়র সব সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

সেখানে ওলি আশা প্রকাশ করেন যে, কয়েক দিনের মধ্যে নেপাল-ভারত প্রবেশপথগুলোর অবরোধ তুলে নেয়া হবে। এ অবস্থা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তিনি ভারত সফরে যাবেন না। তিনি বলেন, আমি বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধুত্বে বিশ্বাস করি। আমি আশা করি সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা প্রত্যাহার করা হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান

অবরোধ প্রত্যাহার না হলে ভারত সফরে যাবেন না নেপালি প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৩:৪০:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০১৬

ডেস্ক: আগামী মাসে ভারত সফরের কথা নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে. পি শর্মার। এ নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

তবে জবাবে কে. পি শর্মা ওলি মঙ্গলবার বলেছেন, নেপাল-ভারত সীমান্তে যতদিন ‘অবরোধ’ চলবে ততদিন তার পক্ষে নয়াদিল্লি সফর করা যথাযথ হবে না। গত সেপ্টেম্বরে নেপালে ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে নতুন সংবিধান পাস হয়। এরপর থেকেই মধেষি সম্প্রদায় তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে সীমান্ত এলাকাগুলোতে। তাদের দাবি, এ সংবিধানে তাদের অধিকারকে খর্ব করা হয়েছে। ফলে নেপালের দক্ষিণাঞ্চলে তেরাই এলাকায় সংবিধান বিরোধী বিক্ষোভ দিন দিন জোরালো হয়ে ওঠে। সেই বিক্ষোভ অবরোধে রূপ নিয়েছে। তা চলছে ৫ মাস। ভারতের সঙ্গে নেপালের রয়েছে ১৮৬৮ কিলোমিটার উন্মুক্ত সীমান্ত। তার বড় একটি অংশে এ বিক্ষোভ চলছে। ফলে ভারত থেকে নিত্যপণ্য নেপালে প্রবেশ করতে পারছে না। মধেষিদের আন্দোলনে ভারতের ইন্ধন আছে বলে অভিযোগ নেপালের। তারা একে ভারতের অঘোষিত অবরোধ হিসেবে আখ্যায়িত করছে। মধেষি আন্দোলনে ৪১টি ট্রানজিট ও কাস্টমস পয়েন্টের বেশির ভাগই বন্ধ হয়ে আছে।

উল্লেখ্য, নেপালের তেরাই অঞ্চলে দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫১ ভাগ মানুষের বাস। কিন্তু রয়েছে পার্লামেন্টের তিন ভাগের এক ভাগ মাত্র আসন। এজন্য মধেষিরা আরো আসন দাবি করছেন সেখানে। সরকারি চাকরিতে তাদের আনুপাতিক হার আরো বাড়াতে বলছে। ২০০৭ সালের অন্তর্বর্তী সংবিধানে তাদের যেটুকু অধিকার দেয়া হয়েছিল তা পুনর্বহালের দাবি উঠেছে।

দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর আগামী মাসে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে ভারতে যাওয়ার কথা রয়েছে কে. পি শর্মা ওলির। কিন্তু বামপন্থি এই প্রধানমন্ত্রী এখনো মধেষিদের দাবি মেনে নেননি। বলেছেন, তেরাই অঞ্চলে ওই উত্তেজনাকর অবস্থার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তিনি নয়াদিল্লি সফরে যাবেন না। মঙ্গলবার তিনি নেপালের সিনিয়র সব সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

সেখানে ওলি আশা প্রকাশ করেন যে, কয়েক দিনের মধ্যে নেপাল-ভারত প্রবেশপথগুলোর অবরোধ তুলে নেয়া হবে। এ অবস্থা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তিনি ভারত সফরে যাবেন না। তিনি বলেন, আমি বন্ধুদের সঙ্গে বন্ধুত্বে বিশ্বাস করি। আমি আশা করি সীমান্ত পয়েন্টগুলোতে যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তা প্রত্যাহার করা হবে।