অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বনশ্রীতে মেগা বুকশপ ‘তিলোত্তমা’গ্র্যান্ড ওপেনিং Logo “বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

নাজিমুদ্দিন হত্যায় আল-কায়েদার ‘স্বীকারোক্তি’ সত্য মনে করে না পুলিশ

ঢাকা: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নাজিমুদ্দিন হত্যায় আল-কায়েদার ‘স্বীকারোক্তি’ সত্য মনে করে না পুলিশ। অতীতের কোনো ঘটনায় এর প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

‍সম্প্রতি অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমুদ্দিন হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী স্বীকার কর‍ার পর পুলিশ এ দাবি করেছে।

হত্যাকাণ্ডের দুদিন পর শুক্রবার রাতে জঙ্গি তৎপরতা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাটির ওয়েবসাইটে দায় স্বীকারের এই বার্তা প্রকাশ করা হয় বলে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে।

যদিও সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের খবরের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের। রয়টার্সও বলেছে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে এই বার্তার সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, “ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়েদার (একিউআইএস) বাংলাদেশ শাখা আনসার আল-ইসলাম বলেছে, ব্লগার নাজিমুদ্দিন সামাদ ফেসবুকে আল্লাহ, নবী মোহাম্মদ ও ইসলামকে অবমামনা করায় ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে তাদের সদস্যরা এই হামলা চালিয়েছে।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সান্ধ্যকালীন কোর্সের ছাত্র ২৭ বছর বয়সী নাজিমুদ্দিনকে বুধবার রাত ৯টার দিকে সূত্রাপুরের একরামপুরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি চালিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

সাইটের বক্তব্য হলো, তাদের কাছে পাঠানো বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা একিউআইএসের ওই বার্তায় বলা হয়, “এই অপারেশন চালানো হয়েছে এই দেশের সেই সব ধর্ম অবমাননাকারীদের শিক্ষা দিতে, যাদের বিষাক্ত জিহ্বা লাগাতার আল্লাহ, ইসলাম ধর্ম ও রাসুলের অবমাননা করে যাচ্ছে।”

এদিকে ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে লেখালেখির কারণে এর আগে নাজিমুদ্দিন সামাদ ‘হুমকি পেয়েছিলেন’ বলে তার নিকটজনেরা জানিয়েছেন।

তার বন্ধুরা বলেছেন, হুমকি মাথায় নিয়ে কিছুদিন সিলেটের বিয়ানীবাজারে আত্মগোপনে ছিলেন নাজিম। দিন পনের নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টও বন্ধ রেখেছিলেন। ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে লেখালেখির কারণে নাজিমের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন তার স্বজনরাও।

ঢাকার জগন্নাথে আইন বিভাগে ভর্তির আগে ২০১৩ সালে নাজিম ছিলেন সিলেটের লিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সেসময় গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে সব কর্মসূচিতে নাজিম সক্রিয় ছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বনশ্রীতে মেগা বুকশপ ‘তিলোত্তমা’গ্র্যান্ড ওপেনিং

নাজিমুদ্দিন হত্যায় আল-কায়েদার ‘স্বীকারোক্তি’ সত্য মনে করে না পুলিশ

আপডেট টাইম : ০৪:০৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০১৬

ঢাকা: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নাজিমুদ্দিন হত্যায় আল-কায়েদার ‘স্বীকারোক্তি’ সত্য মনে করে না পুলিশ। অতীতের কোনো ঘটনায় এর প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

‍সম্প্রতি অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নাজিমুদ্দিন হত্যাকাণ্ডের দায়িত্ব আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী স্বীকার কর‍ার পর পুলিশ এ দাবি করেছে।

হত্যাকাণ্ডের দুদিন পর শুক্রবার রাতে জঙ্গি তৎপরতা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাটির ওয়েবসাইটে দায় স্বীকারের এই বার্তা প্রকাশ করা হয় বলে রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে।

যদিও সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের খবরের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের। রয়টার্সও বলেছে, তারা তাৎক্ষণিকভাবে এই বার্তার সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, “ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়েদার (একিউআইএস) বাংলাদেশ শাখা আনসার আল-ইসলাম বলেছে, ব্লগার নাজিমুদ্দিন সামাদ ফেসবুকে আল্লাহ, নবী মোহাম্মদ ও ইসলামকে অবমামনা করায় ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে তাদের সদস্যরা এই হামলা চালিয়েছে।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সান্ধ্যকালীন কোর্সের ছাত্র ২৭ বছর বয়সী নাজিমুদ্দিনকে বুধবার রাত ৯টার দিকে সূত্রাপুরের একরামপুরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি চালিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

সাইটের বক্তব্য হলো, তাদের কাছে পাঠানো বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা একিউআইএসের ওই বার্তায় বলা হয়, “এই অপারেশন চালানো হয়েছে এই দেশের সেই সব ধর্ম অবমাননাকারীদের শিক্ষা দিতে, যাদের বিষাক্ত জিহ্বা লাগাতার আল্লাহ, ইসলাম ধর্ম ও রাসুলের অবমাননা করে যাচ্ছে।”

এদিকে ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে লেখালেখির কারণে এর আগে নাজিমুদ্দিন সামাদ ‘হুমকি পেয়েছিলেন’ বলে তার নিকটজনেরা জানিয়েছেন।

তার বন্ধুরা বলেছেন, হুমকি মাথায় নিয়ে কিছুদিন সিলেটের বিয়ানীবাজারে আত্মগোপনে ছিলেন নাজিম। দিন পনের নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টও বন্ধ রেখেছিলেন। ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে লেখালেখির কারণে নাজিমের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন তার স্বজনরাও।

ঢাকার জগন্নাথে আইন বিভাগে ভর্তির আগে ২০১৩ সালে নাজিম ছিলেন সিলেটের লিডিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সেসময় গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনে সব কর্মসূচিতে নাজিম সক্রিয় ছিলেন।