অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

ছেলেদের মুসলমানি করা তো জানেন কিন্তু মেয়েদের মুসলমানি করা হয় কেমন করে? জানলে চমকে উঠবেন

এ কেমন কথা! মহিলাদের খৎনা হয় কেমন করে?। তাদের যৌনাঙ্গে এমন কিছু কি আছে যা কেটে ফেলা দরকার?—অনেকেই এই প্রশ্ন করবেন। এর সোজা উত্তর হল: হ্যাঁ, মহিলাদেরও খৎনা করতে হবে—এটাই ইসলামী আইন। ঘুরে আসুন মিশর—দেখবেন প্রায় সমস্ত মহিলাই সেখানে খৎনা করা যদিও মিশরীয় সরকার দাবী করে যে এই প্রথার বিরুদ্ধে আইন আছে। কিন্তু কে শোনে যুক্তি, বিজ্ঞান বা আইনের কথা! ঘুরে আসুন ইন্দোনেশিয়া, পৃথিবীর সর্ব-বৃহত্তম ইসলামিক রাষ্ট্র—সেখানে দেখবেন শতকরা নব্বইজন মহিলা খৎনার শিকার। এই একই অবস্থা মালয়েশিয়াতে। তা হলে বাংলাদেশে কি হচ্ছে? খুব সম্ভবত: বাংলাদেশে এই বর্বর বেদুঈন প্রথা নাই। অথবা থাকলেও অত্যন্ত গোপনে তা করা হয়। আর এও হতে পারে যে বাংলাদেশে যে শারিয়া আইন চালু আছে তা হানাফি আইন। সুন্নিদের মধ্যে হানাফি আইনই একটু কম বর্বরোচিত। হানাফি আইন মতে মেয়েদের খৎনা করা বাধ্যতামূলক নয়। তাই আমাদের মহিলাদের কিছু রক্ষা।প্রশ্ন হতে পারে কেন মেয়েদের খৎনা করা হবে—ইসলামী আইন অনুযায়ী? এর সরাসরি উত্তর হবে মেয়েদের যৌন উত্তেজনাকে প্রশমিত করার জন্য। তা না করলে যে পুরুষদের সর্বনাশ হয়ে যাবে। পুরুষরা যে পারবে না মেয়েদের যৌন ক্ষুধার চাহিদা মিটাতে। এই সব বর্বর প্রথাকে সভ্যতার প্রলেপ দিতে অনেক ইসলামী জ্ঞানীরা বলে বেড়াচ্ছেন যে মেয়েদের খৎনা নাকি তাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভাল। কি ডাহা মিথ্যা কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধান মুফতিকে (উনার নাম খুব সম্ভবত: ফেহমী) একবার এক কাফের মহিলা

সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করল: কেন মুসলিম মেয়েদের খৎনা করা হয়? মুফতি ফেহমি সৎ উত্তর দিলেন। তিনি বললেন সাধারণত: উষ্ণ দেশের মেয়েদের যৌন তাড়না থাকে অনেক বেশী। তারপর ফেহমি ঐ মহিলা সাংবাদিকের প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বললেন: “তোমার হয়ত এর (মহিলা খৎনা) প্রয়োজন নাই; কিন্তু ঐ মহিলাদের আছে” আমি স্মৃতি থেকে এই ঘটানটি বললাম।

ইউনিসেফ-এর প্রতিবেদনে মোট ৩০টি দেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে৷ তবে এ বর্বরতার শিকার অর্ধেক নারীর অবস্থান মিশর, ইথিওপিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায়৷ গতবছরের তুলনায় এ হিসেব প্রায় সাত কোটি বেশি৷ গতবছরের হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার কোনো তথ্য ছিলো না৷

ইউনিসেফ-এর উপ-নির্বাহী পরিচালক গীতা রাও গুপ্তা জানান, যৌনাঙ্গচ্ছেদের পদ্ধতি দেশভেদে ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়৷ কিছু পদ্ধতি ভুক্তভোগীর জীবনের জন্য হুমকির কারণ হতে পারে এমন শারীরিক সমস্যা তৈরি করে৷

তিনি বলেন, ‘‘যৌনাঙ্গচ্ছেদ সব ক্ষেত্রেই নারীর অধিকারের লঙ্ঘন৷ এ চর্চা বন্ধে সরকার, স্বাস্থ্য সেবাদাতা, পিতামাতা ও পরিবারসহ সবার কাজ করতে হবে৷“

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

ছেলেদের মুসলমানি করা তো জানেন কিন্তু মেয়েদের মুসলমানি করা হয় কেমন করে? জানলে চমকে উঠবেন

আপডেট টাইম : ০৪:৫৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০১৬

এ কেমন কথা! মহিলাদের খৎনা হয় কেমন করে?। তাদের যৌনাঙ্গে এমন কিছু কি আছে যা কেটে ফেলা দরকার?—অনেকেই এই প্রশ্ন করবেন। এর সোজা উত্তর হল: হ্যাঁ, মহিলাদেরও খৎনা করতে হবে—এটাই ইসলামী আইন। ঘুরে আসুন মিশর—দেখবেন প্রায় সমস্ত মহিলাই সেখানে খৎনা করা যদিও মিশরীয় সরকার দাবী করে যে এই প্রথার বিরুদ্ধে আইন আছে। কিন্তু কে শোনে যুক্তি, বিজ্ঞান বা আইনের কথা! ঘুরে আসুন ইন্দোনেশিয়া, পৃথিবীর সর্ব-বৃহত্তম ইসলামিক রাষ্ট্র—সেখানে দেখবেন শতকরা নব্বইজন মহিলা খৎনার শিকার। এই একই অবস্থা মালয়েশিয়াতে। তা হলে বাংলাদেশে কি হচ্ছে? খুব সম্ভবত: বাংলাদেশে এই বর্বর বেদুঈন প্রথা নাই। অথবা থাকলেও অত্যন্ত গোপনে তা করা হয়। আর এও হতে পারে যে বাংলাদেশে যে শারিয়া আইন চালু আছে তা হানাফি আইন। সুন্নিদের মধ্যে হানাফি আইনই একটু কম বর্বরোচিত। হানাফি আইন মতে মেয়েদের খৎনা করা বাধ্যতামূলক নয়। তাই আমাদের মহিলাদের কিছু রক্ষা।প্রশ্ন হতে পারে কেন মেয়েদের খৎনা করা হবে—ইসলামী আইন অনুযায়ী? এর সরাসরি উত্তর হবে মেয়েদের যৌন উত্তেজনাকে প্রশমিত করার জন্য। তা না করলে যে পুরুষদের সর্বনাশ হয়ে যাবে। পুরুষরা যে পারবে না মেয়েদের যৌন ক্ষুধার চাহিদা মিটাতে। এই সব বর্বর প্রথাকে সভ্যতার প্রলেপ দিতে অনেক ইসলামী জ্ঞানীরা বলে বেড়াচ্ছেন যে মেয়েদের খৎনা নাকি তাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুব ভাল। কি ডাহা মিথ্যা কথা। অস্ট্রেলিয়ার প্রধান মুফতিকে (উনার নাম খুব সম্ভবত: ফেহমী) একবার এক কাফের মহিলা

সাংবাদিক জিজ্ঞাসা করল: কেন মুসলিম মেয়েদের খৎনা করা হয়? মুফতি ফেহমি সৎ উত্তর দিলেন। তিনি বললেন সাধারণত: উষ্ণ দেশের মেয়েদের যৌন তাড়না থাকে অনেক বেশী। তারপর ফেহমি ঐ মহিলা সাংবাদিকের প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বললেন: “তোমার হয়ত এর (মহিলা খৎনা) প্রয়োজন নাই; কিন্তু ঐ মহিলাদের আছে” আমি স্মৃতি থেকে এই ঘটানটি বললাম।

ইউনিসেফ-এর প্রতিবেদনে মোট ৩০টি দেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে৷ তবে এ বর্বরতার শিকার অর্ধেক নারীর অবস্থান মিশর, ইথিওপিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায়৷ গতবছরের তুলনায় এ হিসেব প্রায় সাত কোটি বেশি৷ গতবছরের হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার কোনো তথ্য ছিলো না৷

ইউনিসেফ-এর উপ-নির্বাহী পরিচালক গীতা রাও গুপ্তা জানান, যৌনাঙ্গচ্ছেদের পদ্ধতি দেশভেদে ভিন্ন ভিন্ন রকম হয়৷ কিছু পদ্ধতি ভুক্তভোগীর জীবনের জন্য হুমকির কারণ হতে পারে এমন শারীরিক সমস্যা তৈরি করে৷

তিনি বলেন, ‘‘যৌনাঙ্গচ্ছেদ সব ক্ষেত্রেই নারীর অধিকারের লঙ্ঘন৷ এ চর্চা বন্ধে সরকার, স্বাস্থ্য সেবাদাতা, পিতামাতা ও পরিবারসহ সবার কাজ করতে হবে৷“