অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় যানজট অব্যাহত রয়েছে

সুমন হোসেন, মানিকগঞ্জ ৩১ আগস্ট: পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে তিন দিন ধরে লেগে থাকা যানজট অব্যাহত রয়েছে। ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ লেগেই আছে। নদীতে প্রবোল ¯্রােত, ঘাট ও ফেরি সংকটের কারণে স্বাভাবিক ফেরি চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হয়। এতে ফেরির ট্রিপ কমে যায় এবং ঘাটে পারাপার হতে আসা গাড়ির সংখ্যা বাড়তে থাকে। আটকে পড়া এসব যানবাহন উভয় পারের টার্মিনাল ভরে মহাসড়কের ২/৩ কিলোমিটার এলাক জুড়ে লাইন ধরে ফেরি পারা-পারের অপেক্ষায় রয়েছে। পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে দুই/তিন দিন পর এবং রাতে আসা নৈশ কোচগুলোকে পরের দিন সকালে পারা-পার হতে হচ্ছে। ফলে ঘাট এলাকায় খাবার সংকট ও পয়ঃনিস্কাসনসহ যাত্রীদের নানাবিধ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
তিন ধরে ঘাটের এ অচলাবস্থা চলতে থাকায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যোগযোগ ব্যাবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। উক্ত অঞ্চলের যাত্রী এবং যানবাহন শ্রমিকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। ঘাটে সৃষ্ট যানজট পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আসন্ন কোরবানির ঈদে এ পথে যাত্রীদের নির্বিঘেœ বাড়ি ফেরা কঠিণ হয়ে পড়বে বলে যাত্রীরা মনে করছেন।
জানা গেছ, নদীতে প্রবোল ¯্রােত, ঘাট ও ফেরি সংকটের কারণে গত শনিবার (২৭ আগস্ট ) থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে স্বাভাবিক ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এতে ফেরির ট্রিপ কমে গেলে যানবাহন পারাপারও কমে যায়। ফলে উভায় ঘাটে যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। আটকে পড়া বাস, ট্রাকসহ অন্যান্য গাড়ি টার্মিনালে জায়গা না হওয়ায় ঘাট এলাকা ছেড়ে মহাসড়কের ২/৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে লাইন ধরে ফেরি পারা-পারের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যাত্রীবাহি বাস ও কোচ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পারা-পার করার পরও মঙ্গলবার রাতে আসা নৈশ কোচগুলোকে পরের দিন বুধবার সকালে পারা-পার হতে হয়। এসময় যাত্রীদেরকে ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়ির মধ্যেই বসে থাকতে বাধ্য হচ্ছে। এদের খাবার সংকট ও প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়াসহ নানা ধরনের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে মহিলা ও শিশু যাত্রীরা বেশী অসুবিধায় পড়ছে।
এদিকে পন্যবাহী ট্রাকগুলোকে ২/৩ দিন অপেক্ষার পর ফেরি পারা-পার হতে হচ্ছে। এতে একদিকে ট্রাক চালক ও হেলপাররা দুর্ভোগে পড়েছে। পাশা-পাশি ট্রাকের ট্রিপ কমে গিয়ে মালিকদেরও লোকসান হচ্ছে। অপরদিকে ট্রাকে বোঝায়কৃত ব্যবসায়ীদের পণ্য সময়মত গন্তব্যে পৌছে দিতে না পাড়ায় তারাও ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান

পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় যানজট অব্যাহত রয়েছে

আপডেট টাইম : ০৩:৫১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৬

সুমন হোসেন, মানিকগঞ্জ ৩১ আগস্ট: পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে তিন দিন ধরে লেগে থাকা যানজট অব্যাহত রয়েছে। ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ লেগেই আছে। নদীতে প্রবোল ¯্রােত, ঘাট ও ফেরি সংকটের কারণে স্বাভাবিক ফেরি চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হয়। এতে ফেরির ট্রিপ কমে যায় এবং ঘাটে পারাপার হতে আসা গাড়ির সংখ্যা বাড়তে থাকে। আটকে পড়া এসব যানবাহন উভয় পারের টার্মিনাল ভরে মহাসড়কের ২/৩ কিলোমিটার এলাক জুড়ে লাইন ধরে ফেরি পারা-পারের অপেক্ষায় রয়েছে। পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে দুই/তিন দিন পর এবং রাতে আসা নৈশ কোচগুলোকে পরের দিন সকালে পারা-পার হতে হচ্ছে। ফলে ঘাট এলাকায় খাবার সংকট ও পয়ঃনিস্কাসনসহ যাত্রীদের নানাবিধ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
তিন ধরে ঘাটের এ অচলাবস্থা চলতে থাকায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যোগযোগ ব্যাবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। উক্ত অঞ্চলের যাত্রী এবং যানবাহন শ্রমিকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে। ঘাটে সৃষ্ট যানজট পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আসন্ন কোরবানির ঈদে এ পথে যাত্রীদের নির্বিঘেœ বাড়ি ফেরা কঠিণ হয়ে পড়বে বলে যাত্রীরা মনে করছেন।
জানা গেছ, নদীতে প্রবোল ¯্রােত, ঘাট ও ফেরি সংকটের কারণে গত শনিবার (২৭ আগস্ট ) থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে স্বাভাবিক ফেরি চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এতে ফেরির ট্রিপ কমে গেলে যানবাহন পারাপারও কমে যায়। ফলে উভায় ঘাটে যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। আটকে পড়া বাস, ট্রাকসহ অন্যান্য গাড়ি টার্মিনালে জায়গা না হওয়ায় ঘাট এলাকা ছেড়ে মহাসড়কের ২/৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে লাইন ধরে ফেরি পারা-পারের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যাত্রীবাহি বাস ও কোচ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পারা-পার করার পরও মঙ্গলবার রাতে আসা নৈশ কোচগুলোকে পরের দিন বুধবার সকালে পারা-পার হতে হয়। এসময় যাত্রীদেরকে ঘন্টার পর ঘন্টা গাড়ির মধ্যেই বসে থাকতে বাধ্য হচ্ছে। এদের খাবার সংকট ও প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়াসহ নানা ধরনের ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। বিশেষ করে মহিলা ও শিশু যাত্রীরা বেশী অসুবিধায় পড়ছে।
এদিকে পন্যবাহী ট্রাকগুলোকে ২/৩ দিন অপেক্ষার পর ফেরি পারা-পার হতে হচ্ছে। এতে একদিকে ট্রাক চালক ও হেলপাররা দুর্ভোগে পড়েছে। পাশা-পাশি ট্রাকের ট্রিপ কমে গিয়ে মালিকদেরও লোকসান হচ্ছে। অপরদিকে ট্রাকে বোঝায়কৃত ব্যবসায়ীদের পণ্য সময়মত গন্তব্যে পৌছে দিতে না পাড়ায় তারাও ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে।