পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

আজ থেকেই গাজর খাওয়া শুরু করুন

এক অতি পুষ্টিকর ও উপাদের সবজি গাজর। অনেক দেশেই এটি দারুণ জনপ্রিয় খাবার। ফ্রান্স, সুইডেন, ইতালি এবং জাপানে তো রীতিমতো গাজর দিবস পালিত হয়। এটা এক সবজি যা মূল আকারে থাকে। এটা পার্সলে, ফেনেল এবং ডিল পরিবারের সদস্য। অনেকেই গাজর বলতে নজরকাড়া গাঢ় কমলা রংয়ের সবজিটিকেই বোঝেন। কিন্তু গাজর আসলে বেগুনী রংয়ের। এ তথ্য অনেকেই জানেন না। কমলা রংয়ের গাজর প্রথম দেখা যায় ১৭ শো শতকে। ব্রিটেনে ২০০২ সালে এমন গাজর বিক্রি হতে দেখা যায় যার ওপরটা বেগুনী এবং ভেতরটা কমলা।

অনেক ব্যবহার : গাজরে রয়েছে প্রোটিন। একে বের করতে হলে রান্না, ফালি করে কাটা বা জুস বানাতে হবে। এসব উপায়ে গাজর খেলে এর ক্যারোটেনয়েড বৃদ্ধি পায় ৬০০ শতাংশ। রান্নার সময় গাজরের পুষ্টি উপাদান বাড়ে ৩৯ শতাংশ। সাধারণত তেলে রান্না করলে গাজর অনেক বেশি পুষ্টিকর হয়ে ওঠে। তাই গাজরের স্যুপ অতি পুষ্টিকর খাবার। এ ছাড়া শিশুদের গাজর সেঁচে খাবারে দেওয়া যায় মিষ্টি স্বাদের জন্য। সালাদের প্লেটে অদ্ভুত স্বাদ ও চেহারা এনে দেয় গাজর। এটি কুচি কুচি করে কেটে তাতে সরিষা, সবুজ মরিচ এবং মসলা দিয়ে রান্না করলে তা দারুণ স্বাদের হয়ে ওঠে। এতে কিছুটা টকা স্বাদ পেতে টক দই মিশিয়ে প্রেসার কুকারে দিয়ে দিন। সবজি দিয়ে নুডলস রান্না করলে তাকে গাজর দিন। স্বাদের সঙ্গে পরিবেশনটাও হবে দেখার মতো। এর মিষ্ট স্বাদের কারণেই গাজরের কেক বা পুডিং বা হালুয়ার মতো খাবারগুলো বানানো সম্ভব হয়েছে।

গাজরের হালুয়া : সব সময়ের জন্য জনপ্রিয় এক খাবার। উৎসবে তো চলেই। এমনকি বছরের যেকোনো সময় এটি খেতে কোনো অরুচি হয় না। ঐতিহ্যবাহী ও গতানুগতিক পদ্ধতিতে এটি রান্না করলে চমৎকার স্বাদের হয়। কম আঁচে দুধ, চিনিতে গাজরের হালুয়া প্রায় সবাই রান্না করতে পারেন। কিংবা না পারলেও শিখে নেন।

গাজরের কেক : এর জনপ্রিয়তা হালুয়ার চেয়ে কম নয়। এই কেক তৈরি হয় মধ্যযুগ থেকে। তখন মিষ্টি স্বাদের জন্য চিনি মিলতো না। তাই গাজরের ব্যবহার করা হতো। ইন্টারন্যাশনাল ক্যারোট ডে-তে গাজরের কেক মূল আকর্ষণ থাকে। এ ছাড়া কেবল কাঁচা গাজর চিবিয়ে খেতেও অনেক মজা। আরো অন্যান্য খাকারের ও দেওয়অ যায় অনায়াসে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

আজ থেকেই গাজর খাওয়া শুরু করুন

আপডেট টাইম : ০২:০৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৬

এক অতি পুষ্টিকর ও উপাদের সবজি গাজর। অনেক দেশেই এটি দারুণ জনপ্রিয় খাবার। ফ্রান্স, সুইডেন, ইতালি এবং জাপানে তো রীতিমতো গাজর দিবস পালিত হয়। এটা এক সবজি যা মূল আকারে থাকে। এটা পার্সলে, ফেনেল এবং ডিল পরিবারের সদস্য। অনেকেই গাজর বলতে নজরকাড়া গাঢ় কমলা রংয়ের সবজিটিকেই বোঝেন। কিন্তু গাজর আসলে বেগুনী রংয়ের। এ তথ্য অনেকেই জানেন না। কমলা রংয়ের গাজর প্রথম দেখা যায় ১৭ শো শতকে। ব্রিটেনে ২০০২ সালে এমন গাজর বিক্রি হতে দেখা যায় যার ওপরটা বেগুনী এবং ভেতরটা কমলা।

অনেক ব্যবহার : গাজরে রয়েছে প্রোটিন। একে বের করতে হলে রান্না, ফালি করে কাটা বা জুস বানাতে হবে। এসব উপায়ে গাজর খেলে এর ক্যারোটেনয়েড বৃদ্ধি পায় ৬০০ শতাংশ। রান্নার সময় গাজরের পুষ্টি উপাদান বাড়ে ৩৯ শতাংশ। সাধারণত তেলে রান্না করলে গাজর অনেক বেশি পুষ্টিকর হয়ে ওঠে। তাই গাজরের স্যুপ অতি পুষ্টিকর খাবার। এ ছাড়া শিশুদের গাজর সেঁচে খাবারে দেওয়া যায় মিষ্টি স্বাদের জন্য। সালাদের প্লেটে অদ্ভুত স্বাদ ও চেহারা এনে দেয় গাজর। এটি কুচি কুচি করে কেটে তাতে সরিষা, সবুজ মরিচ এবং মসলা দিয়ে রান্না করলে তা দারুণ স্বাদের হয়ে ওঠে। এতে কিছুটা টকা স্বাদ পেতে টক দই মিশিয়ে প্রেসার কুকারে দিয়ে দিন। সবজি দিয়ে নুডলস রান্না করলে তাকে গাজর দিন। স্বাদের সঙ্গে পরিবেশনটাও হবে দেখার মতো। এর মিষ্ট স্বাদের কারণেই গাজরের কেক বা পুডিং বা হালুয়ার মতো খাবারগুলো বানানো সম্ভব হয়েছে।

গাজরের হালুয়া : সব সময়ের জন্য জনপ্রিয় এক খাবার। উৎসবে তো চলেই। এমনকি বছরের যেকোনো সময় এটি খেতে কোনো অরুচি হয় না। ঐতিহ্যবাহী ও গতানুগতিক পদ্ধতিতে এটি রান্না করলে চমৎকার স্বাদের হয়। কম আঁচে দুধ, চিনিতে গাজরের হালুয়া প্রায় সবাই রান্না করতে পারেন। কিংবা না পারলেও শিখে নেন।

গাজরের কেক : এর জনপ্রিয়তা হালুয়ার চেয়ে কম নয়। এই কেক তৈরি হয় মধ্যযুগ থেকে। তখন মিষ্টি স্বাদের জন্য চিনি মিলতো না। তাই গাজরের ব্যবহার করা হতো। ইন্টারন্যাশনাল ক্যারোট ডে-তে গাজরের কেক মূল আকর্ষণ থাকে। এ ছাড়া কেবল কাঁচা গাজর চিবিয়ে খেতেও অনেক মজা। আরো অন্যান্য খাকারের ও দেওয়অ যায় অনায়াসে।