পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

মহাকাশে এবার আগুন নিয়ে পরীক্ষা

8af2dc9549e9610cfc03116c926d580b-flameবাংলার খবর২৪.কম:, ডেস্ক পৃথিবীতে কোথাও আগুন লাগলে তা পানি দিয়ে নেভানো যায় কিন্তু মহাকাশে? মহাকাশে ভরশূন্য পরিবেশে আগুনের শিখা দেখতেই বা কেমন? সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা মহাকাশে আগুনের শিখা নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেছেন। তাঁদের মতে, মহাশূন্যের ভরশূন্য পরিবেশে শিখা ভাসমান আগুনের স্তর তৈরি করে অদ্ভুত রূপ নেয়। দ্য ইনডিপেন্ডেন্টের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি নভচারী রেইড ওয়াইজম্যান মহাকাশ থেকে ভাইন ভিডিও পোস্ট করেছেন যাতে মহাকাশে আগুনের এই অদ্ভুত বিষয়টি দেখা যায়। ভাইন হচ্ছে ভিডিও শেয়ারিং সাইট যাতে ছোট আকারের ভিডিও পোস্ট করা হয়।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন ৩৮ বছর বয়সী রেইড ওয়াইজম্যান। তিনি এই ভিডিও সম্পর্কে বলেন, ভাসমান আগুন জীবন্ত হয়ে ওঠার বিষয়টি ফ্লেক্স পরীক্ষায় দেখা গেল যা পৃথিবীতে উন্নত ইঞ্জিন তৈরিতে কাজে লাগানো যাবে।

মহাকাশে একটি ফুটবল মাঠের সমান আকারের এই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সামান্য অগ্নিকা-ের ঘটনাও নভোচারীদের জীবনের জন্য হুমকি হতে পারে।

গত কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা ‘ফ্লেইম এক্সটিংগুইশমেন্ট এক্সপেরিমেন্ট’ বা ফ্লেক্স নামের গবেষণা করছেন। ইতিমধ্যে অগ্নিশিখার মৌলিক বিষয়গুলো জানতে ও মাইক্রোগ্র্যাভিটিতে তা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে তা জানতে ২০০ টির বেশি পরীক্ষা চালিয়েছেন তাঁরা।মহাকাশে আগুনের শিখা নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন নাসার গবেষকেরা নাসার গ্লেস রিসার্চ সেন্টারের গবেষক ড্যান বলেন, পৃথিবীতে যখন কোনো শিখা পুড়তে থাকে তখন আগুন থেকে গরম গ্যাস উঠতে থাকে এবং ভাসমান প্রবাহ তৈরি করে যা ওই শিখাতে অক্সিজেন টেনে আনে ও দহনশক্তি নির্গত করে। এর ফলে তৈরি হয় শিখার আকৃতি।
ব-ভষধসব-২পৃথিবীর তুলনায় মহাশূন্যের অগ্নিশিখায় পার্থক্য রয়েছে। মহাকাশে আণবিক বিকিরণ আগুনের শিখাতে অক্সিজেন টেনে আনে এবং এই শিখা থেকে যে দাহ্যশক্তি নির্গত হয় তা পৃথিবীর আগুনের তুলনায় শতগুণ ধীরগতির। মহাকাশে পৃথিবীর তুলনায় খুব কম তাপমাত্রায়, খুবই ধীরগতিতে ও খুব কম অক্সিজেন নিয়ে শিখাকে জ্বলতে হয়। এর অর্থ হচ্ছে, আগুন নেভানোর জন্য যে উপাদান প্রয়োজন তা বেশি ঘনত্বের হতে হবে। মহাকাশযানে ধীরগতির বাতাস অগ্নিশিখাকে আরও দ্রুত জ্বলতে সাহায্য করবে।

মহাকাশে কীভাবে শিখা জ্বলে তা পরীক্ষা করতে ফ্লেক্সের গবেষকেরা এক ফোঁটা মিথানলে আগুন লাগান। এক ফোঁটা মিথানল প্রায় ২০ সেকেন্ড জ্বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ জ্বলে এই শিখা অদ্ভুত জেলিফিশের মতো রূপ নেয়। প্রথম আলো।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

মহাকাশে এবার আগুন নিয়ে পরীক্ষা

আপডেট টাইম : ০৩:৪১:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০১৪

8af2dc9549e9610cfc03116c926d580b-flameবাংলার খবর২৪.কম:, ডেস্ক পৃথিবীতে কোথাও আগুন লাগলে তা পানি দিয়ে নেভানো যায় কিন্তু মহাকাশে? মহাকাশে ভরশূন্য পরিবেশে আগুনের শিখা দেখতেই বা কেমন? সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা মহাকাশে আগুনের শিখা নিয়ে পরীক্ষা করে দেখেছেন। তাঁদের মতে, মহাশূন্যের ভরশূন্য পরিবেশে শিখা ভাসমান আগুনের স্তর তৈরি করে অদ্ভুত রূপ নেয়। দ্য ইনডিপেন্ডেন্টের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি নভচারী রেইড ওয়াইজম্যান মহাকাশ থেকে ভাইন ভিডিও পোস্ট করেছেন যাতে মহাকাশে আগুনের এই অদ্ভুত বিষয়টি দেখা যায়। ভাইন হচ্ছে ভিডিও শেয়ারিং সাইট যাতে ছোট আকারের ভিডিও পোস্ট করা হয়।

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন ৩৮ বছর বয়সী রেইড ওয়াইজম্যান। তিনি এই ভিডিও সম্পর্কে বলেন, ভাসমান আগুন জীবন্ত হয়ে ওঠার বিষয়টি ফ্লেক্স পরীক্ষায় দেখা গেল যা পৃথিবীতে উন্নত ইঞ্জিন তৈরিতে কাজে লাগানো যাবে।

মহাকাশে একটি ফুটবল মাঠের সমান আকারের এই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সামান্য অগ্নিকা-ের ঘটনাও নভোচারীদের জীবনের জন্য হুমকি হতে পারে।

গত কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার গবেষকেরা ‘ফ্লেইম এক্সটিংগুইশমেন্ট এক্সপেরিমেন্ট’ বা ফ্লেক্স নামের গবেষণা করছেন। ইতিমধ্যে অগ্নিশিখার মৌলিক বিষয়গুলো জানতে ও মাইক্রোগ্র্যাভিটিতে তা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে তা জানতে ২০০ টির বেশি পরীক্ষা চালিয়েছেন তাঁরা।মহাকাশে আগুনের শিখা নিয়ে পরীক্ষা চালিয়েছেন নাসার গবেষকেরা নাসার গ্লেস রিসার্চ সেন্টারের গবেষক ড্যান বলেন, পৃথিবীতে যখন কোনো শিখা পুড়তে থাকে তখন আগুন থেকে গরম গ্যাস উঠতে থাকে এবং ভাসমান প্রবাহ তৈরি করে যা ওই শিখাতে অক্সিজেন টেনে আনে ও দহনশক্তি নির্গত করে। এর ফলে তৈরি হয় শিখার আকৃতি।
ব-ভষধসব-২পৃথিবীর তুলনায় মহাশূন্যের অগ্নিশিখায় পার্থক্য রয়েছে। মহাকাশে আণবিক বিকিরণ আগুনের শিখাতে অক্সিজেন টেনে আনে এবং এই শিখা থেকে যে দাহ্যশক্তি নির্গত হয় তা পৃথিবীর আগুনের তুলনায় শতগুণ ধীরগতির। মহাকাশে পৃথিবীর তুলনায় খুব কম তাপমাত্রায়, খুবই ধীরগতিতে ও খুব কম অক্সিজেন নিয়ে শিখাকে জ্বলতে হয়। এর অর্থ হচ্ছে, আগুন নেভানোর জন্য যে উপাদান প্রয়োজন তা বেশি ঘনত্বের হতে হবে। মহাকাশযানে ধীরগতির বাতাস অগ্নিশিখাকে আরও দ্রুত জ্বলতে সাহায্য করবে।

মহাকাশে কীভাবে শিখা জ্বলে তা পরীক্ষা করতে ফ্লেক্সের গবেষকেরা এক ফোঁটা মিথানলে আগুন লাগান। এক ফোঁটা মিথানল প্রায় ২০ সেকেন্ড জ্বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ জ্বলে এই শিখা অদ্ভুত জেলিফিশের মতো রূপ নেয়। প্রথম আলো।