পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

প্রতিরোধের মুখে বড়পুকুরিয়া খনি থেকে কয়লা পরিবহণ বন্ধ

রংপুর : দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া খনি থেকে স্থানীয় কয়লা ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধের মুখে কয়লা বিক্রি ও পরিবহণ বন্ধ রয়েছে।
ব্যবসায়ীদের কাছে খনি কর্তৃপক্ষ কয়লা বিক্রি না করায় তারা পূর্বে ক্রয়কৃত কয়লা নেওয়া বন্ধ রেখেছে এবং কয়লা পরিবহণ করতে বাধা দিচ্ছে।
ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, রোববার খনি কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের কাছে কয়লা বিক্রি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলে ব্যবসায়ীরা সোমবার সকাল থেকে পূর্বে খরিদকৃত কয়লা সরবরাহ ও পরিবহণ বন্ধ করে দেয়।
খনি থেকে পরিবহণ বন্ধ থাকায় কয়লা নিতে আসা বহু ট্রাককে খনির গেটে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অপেক্ষমাণ ট্রাকের ভিড়ে যানজট সৃষ্টি হয় বড়পুকুরিয়া-ফুলবাড়ী সড়কে।
খনি কর্তৃপক্ষ বলছেন, খনির ব্যবস্থাপনা পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কয়লা ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কারো কাছে কয়লা বিক্রির সুযোগ নেই। স্থানীয় কয়লা ব্যবসায়ীরা কেউ কয়লা ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক নন। তাই তাদের কাছে কয়লা বিক্রি করা যাবে না। এ অবস্থায় কয়লা ব্যবসায়ী ও পরিবহণ মালিকেরা পরিবহণ বন্ধ করায় খনির কয়লা সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয় কয়লা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘খনির সূচনালগ্ন থেকে আমরা কয়লার ব্যবসা করে আসছি। খনির যখন কয়লা বিক্রিতে ভাটা পড়েছিল, সেই সময় আমরা বিভিন্ন মালিকের কাছে কয়লা বিক্রি করে দিয়েছি। কয়লা বিক্রয়কারী হিসেবে ২০১৫ সালে খনি কর্তৃপক্ষ আমাদের পুরস্কৃত করেছে। অথচ এখন তারা ব্যবসায়ীদের কাছে কয়লা বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। এতে আমরা ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।’
কয়লা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের নতুন কয়লা না-দেবে, ততক্ষণ আমাদের (ডিও নেওয়া) খরিদ করা মজুদকৃত কয়লা খনি থেকে নেব না এবং সরবরাহ করতে দেব না।’
পরিবহণ শ্রমিক নেতা গোলাম মোস্তফা বলেন, বাইরে থেকে ভাটা মালিকেরা ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে কয়লা খরিদ করে। ব্যবসায়ীরা কয়লা না দেওয়ায় পরিবহণ বন্ধ আছে।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক জাফর সাদিক বলেন, কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেবলমাত্র কয়লা ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে কয়লা বিক্রয় করবে। স্থানীয় কয়লা ব্যবসায়ী দাবিদাররা কেউ কয়লা ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক নন। এ জন্য তাদের কাছে কয়লা বিক্রির সুযোগ নেই।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

প্রতিরোধের মুখে বড়পুকুরিয়া খনি থেকে কয়লা পরিবহণ বন্ধ

আপডেট টাইম : ০৬:০২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৬

রংপুর : দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া খনি থেকে স্থানীয় কয়লা ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধের মুখে কয়লা বিক্রি ও পরিবহণ বন্ধ রয়েছে।
ব্যবসায়ীদের কাছে খনি কর্তৃপক্ষ কয়লা বিক্রি না করায় তারা পূর্বে ক্রয়কৃত কয়লা নেওয়া বন্ধ রেখেছে এবং কয়লা পরিবহণ করতে বাধা দিচ্ছে।
ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, রোববার খনি কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের কাছে কয়লা বিক্রি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলে ব্যবসায়ীরা সোমবার সকাল থেকে পূর্বে খরিদকৃত কয়লা সরবরাহ ও পরিবহণ বন্ধ করে দেয়।
খনি থেকে পরিবহণ বন্ধ থাকায় কয়লা নিতে আসা বহু ট্রাককে খনির গেটে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। অপেক্ষমাণ ট্রাকের ভিড়ে যানজট সৃষ্টি হয় বড়পুকুরিয়া-ফুলবাড়ী সড়কে।
খনি কর্তৃপক্ষ বলছেন, খনির ব্যবস্থাপনা পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক কয়লা ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কারো কাছে কয়লা বিক্রির সুযোগ নেই। স্থানীয় কয়লা ব্যবসায়ীরা কেউ কয়লা ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক নন। তাই তাদের কাছে কয়লা বিক্রি করা যাবে না। এ অবস্থায় কয়লা ব্যবসায়ী ও পরিবহণ মালিকেরা পরিবহণ বন্ধ করায় খনির কয়লা সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয় কয়লা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘খনির সূচনালগ্ন থেকে আমরা কয়লার ব্যবসা করে আসছি। খনির যখন কয়লা বিক্রিতে ভাটা পড়েছিল, সেই সময় আমরা বিভিন্ন মালিকের কাছে কয়লা বিক্রি করে দিয়েছি। কয়লা বিক্রয়কারী হিসেবে ২০১৫ সালে খনি কর্তৃপক্ষ আমাদের পুরস্কৃত করেছে। অথচ এখন তারা ব্যবসায়ীদের কাছে কয়লা বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। এতে আমরা ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছি।’
কয়লা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের নতুন কয়লা না-দেবে, ততক্ষণ আমাদের (ডিও নেওয়া) খরিদ করা মজুদকৃত কয়লা খনি থেকে নেব না এবং সরবরাহ করতে দেব না।’
পরিবহণ শ্রমিক নেতা গোলাম মোস্তফা বলেন, বাইরে থেকে ভাটা মালিকেরা ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে কয়লা খরিদ করে। ব্যবসায়ীরা কয়লা না দেওয়ায় পরিবহণ বন্ধ আছে।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি কোম্পানি লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক জাফর সাদিক বলেন, কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেবলমাত্র কয়লা ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে কয়লা বিক্রয় করবে। স্থানীয় কয়লা ব্যবসায়ী দাবিদাররা কেউ কয়লা ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক নন। এ জন্য তাদের কাছে কয়লা বিক্রির সুযোগ নেই।