
সানি লিওন এবার এই সামাজিক এবং মানসিক বিষয়টিকেই খুব সোজা ভাবে মানুষের কাছে তুলে ধরলেন। ‘প্রাক্তন’ পর্নস্টার পেশাগত দিক থেকে অনেক সময়ই যৌনতায় লিপ্ত হয়েছেন, তিনি নিজেও একথা জানিয়েছেন, তবে সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সঙ্গীর মনোভাব জানা অবশ্যই দরকার এবং তাকে মান্যতা দেওয়া মানবতার অভ্যাস, সেটাও স্পষ্ট ব্যক্ত হয়েছে তাঁর কথায়।
সঙ্গীর ইচ্ছেকে গুরুত্ব দেওয়ার মধ্যে দিয়েই দৃঢ় হয় সম্পর্কের বাঁধন। তখন যৌনতা লালসা নয়, তখন যৌনতা শুধুই কাম নয়। যৌনতার তখন উত্তরণ ঘটে পৃথিবীর আদি সৌন্দর্যে। যে সৌন্দর্যের সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়েছে খাজুরাহো। যে সৌন্দর্য আমরা উপলব্ধি করেছি ইডেনের ‘আদম’ ও ‘ইভ’-এর মধ্যে। বিকৃতকাম নয়, বলপূর্বক যৌনতা নয়। মর্যাদা পাক অন্যের ইচ্ছে। সংবরণ হোক মনুষ্যত্বের আসল পরিচয়।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
















