পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo “বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির Logo পাটগ্রামে দবির উদ্দিন চিকিৎসা সহায়তা ফাউন্ডেশনের নগদ সহায়তা প্রদান Logo পাটগ্রামে ইহসান ইয়ুথ সার্কেলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি Logo কায়েতপাড়ায় বসতভিটা রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের মানুষের থানায় গণঅভিযোগ Logo পাটগ্রামে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলা, নারীসহ আহত ৪ Logo পাটগ্রামে রাস্তা ভেঙে চলাচল বন্ধ প্রায় দুই হাজার পরিবারের চলাচলে দুর্ভোগ Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

হামলার আশঙ্কা: পশ্চিমা বিশ্বে নিরাপত্তা

ডেস্ক : নতুন বছরের প্রথম প্রহরের উৎসবকে টার্গেট করে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হতে পারে- এমন আশঙ্কায় পশ্চিমা বিশ্বের বড় বড় শহরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

লন্ডন, বার্লিন, ব্রাসেলস এবং সিডনিতে হাজার হাজার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
অন্যদিকে প্যারিস, মাদ্রিদ এবং নিউ ইয়র্কের যেসব জায়গায় হাজার হাজার মানুষ বর্ষবরণ উৎসবের জন্য সমবেত হয়, সেসব জায়গায় চারদিক ঘিরে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে।

নতুন বছরকে বরণ করার জন্য বিশ্বের বড় বড় নগরীতে এবারও উৎসব আয়োজনে ঘাটতি নেই।

ওপেন এয়ার কনসার্ট আর চোখ ধাঁধানো আতশবাজির প্রদর্শনী দেখতে লক্ষ লক্ষ মানুষ এসব নগরীতে জড়ো হবেন।

হামলার আশঙ্কা

কিন্তু এবছর জুড়ে যেভাবে এ ধরনের উৎসবকে টার্গেট করে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে তাতে নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রচণ্ড উদ্বেগ।

বিশেষ করে বার্লিনে এবং নিস শহরে যেভাবে জনতার ওপর ট্রাক চালিয়ে দেয়া হয়েছিল, সে ধরনের হামলার আশঙ্কা করছেন অনেকে।

তাই লন্ডন, নিউ ইয়র্ক, প্যারিস থেকে শুরু করে সব বড় শহরেই সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

টাইমস স্কয়ার

নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ার, যেখানে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মূল আয়োজন, সেখানে কোন গাড়িই ঢুকতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নগরীর একজন পুলিশ কর্মকর্তা স্কট শ্যানলি।

নিউ ইয়র্কের পুলিশ বিভাগের উপ প্রধান স্কট শ্যানলি বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় যা ঘটছে সেটা দেখে তাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে জার্মানির বার্লিন এবং ফ্রান্সের নিস শহরে যেভাবে ট্রাক চালিয়ে হামলা করা হয়েছে, সেরকম হামলা হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।”

একই ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে লন্ডন, বার্লিন, প্যারিস, সিডনিসহ আরও সব বড় বড় শহরে।

২০১৬ সালে ইউরোপের শহরগুলো যেভাবে একের পর এক সন্ত্রাসবাদী হামলার শিকার হয়েছে, সেরকম নজির সাম্প্রতিক সময়ে আর নেই।

জার্মানির চ্যালেঞ্জ

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেল তার নতুন বছরের ভাষণে ইসলামী জঙ্গিবাদকে তার দেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে বর্ণনা করেছেন।

জার্মানিতে এ বছর যে তিনটি হামলা হয়, তার প্রত্যেকটিতেই হামলাকারীরা জার্মানিতে ঢুকেছিল শরণার্থী পরিচয়ে।

কিন্তু তারপরও তিনি তার অভিবাসন নীতি থেকে সরে না দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ঘোষণা করেছেন।–বিবিসি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

“বাঙ্গরা বাজার থানা সমিতি-ঢাকা’র নির্বাচন সভাপতি মোমেন, সাধারণ সম্পাদক আবির

হামলার আশঙ্কা: পশ্চিমা বিশ্বে নিরাপত্তা

আপডেট টাইম : ০৫:৪৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬

ডেস্ক : নতুন বছরের প্রথম প্রহরের উৎসবকে টার্গেট করে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হতে পারে- এমন আশঙ্কায় পশ্চিমা বিশ্বের বড় বড় শহরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

লন্ডন, বার্লিন, ব্রাসেলস এবং সিডনিতে হাজার হাজার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
অন্যদিকে প্যারিস, মাদ্রিদ এবং নিউ ইয়র্কের যেসব জায়গায় হাজার হাজার মানুষ বর্ষবরণ উৎসবের জন্য সমবেত হয়, সেসব জায়গায় চারদিক ঘিরে নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়েছে।

নতুন বছরকে বরণ করার জন্য বিশ্বের বড় বড় নগরীতে এবারও উৎসব আয়োজনে ঘাটতি নেই।

ওপেন এয়ার কনসার্ট আর চোখ ধাঁধানো আতশবাজির প্রদর্শনী দেখতে লক্ষ লক্ষ মানুষ এসব নগরীতে জড়ো হবেন।

হামলার আশঙ্কা

কিন্তু এবছর জুড়ে যেভাবে এ ধরনের উৎসবকে টার্গেট করে সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে তাতে নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রচণ্ড উদ্বেগ।

বিশেষ করে বার্লিনে এবং নিস শহরে যেভাবে জনতার ওপর ট্রাক চালিয়ে দেয়া হয়েছিল, সে ধরনের হামলার আশঙ্কা করছেন অনেকে।

তাই লন্ডন, নিউ ইয়র্ক, প্যারিস থেকে শুরু করে সব বড় শহরেই সর্বোচ্চ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

টাইমস স্কয়ার

নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ার, যেখানে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মূল আয়োজন, সেখানে কোন গাড়িই ঢুকতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নগরীর একজন পুলিশ কর্মকর্তা স্কট শ্যানলি।

নিউ ইয়র্কের পুলিশ বিভাগের উপ প্রধান স্কট শ্যানলি বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় যা ঘটছে সেটা দেখে তাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে জার্মানির বার্লিন এবং ফ্রান্সের নিস শহরে যেভাবে ট্রাক চালিয়ে হামলা করা হয়েছে, সেরকম হামলা হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।”

একই ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে লন্ডন, বার্লিন, প্যারিস, সিডনিসহ আরও সব বড় বড় শহরে।

২০১৬ সালে ইউরোপের শহরগুলো যেভাবে একের পর এক সন্ত্রাসবাদী হামলার শিকার হয়েছে, সেরকম নজির সাম্প্রতিক সময়ে আর নেই।

জার্মানির চ্যালেঞ্জ

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেল তার নতুন বছরের ভাষণে ইসলামী জঙ্গিবাদকে তার দেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে বর্ণনা করেছেন।

জার্মানিতে এ বছর যে তিনটি হামলা হয়, তার প্রত্যেকটিতেই হামলাকারীরা জার্মানিতে ঢুকেছিল শরণার্থী পরিচয়ে।

কিন্তু তারপরও তিনি তার অভিবাসন নীতি থেকে সরে না দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ঘোষণা করেছেন।–বিবিসি