পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

স্থলপথে রফতানি বন্ধ-আটকা অর্ধশত ট্রাক-হুমকির মুখে রফতানি বানিজ্য

বেনাপোল : আন্তর্জাতিক নীয়ম নীতিকে তোয়াক্কা না করেই কোন নিদের্শনা ছাড়ায় ভারত সরকার বাংলাদেশি পাটজাতপণ্যে উচ্চ হারে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে। ফলে বেনাপোল স্থলপথে ভারতে পাটজাতপণ্য রপ্তানি হুমকির মুখে পড়েছে। গত ৫দিনন ধরে বেনাপোলে আটকে আছে ৬৮টি পাটপন্য বোঝায় ট্রাক। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন রফতানিকারক প্রতিষ্টান। ডেমারেজ গুনতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টানকে।

এর ফলে বেকার হয়ে পড়ছেন ব্যাবসায়ির সাথে সংশ্লিষ্টরা-পাটপন্য ছাড়ায় দেশের ৫৭টি ইন্ড্রাষ্টির উপর শুল্কআরোপ করেছে ভারত- পাটপন্য রফতানিকারক খুলনার প্রবল শিপিং লাইনের প্রতিনিধি-মহাসিনন আলী ও মুন ইন্টার প্রাইজ জুট মিলের প্রতিনিধি-জাহান আলী বলেন-ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব বিভাগ গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশি পাটঁজাতপণ্যে উচ্চ হারে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করে গেজেট প্রকাশ করেছে। এর ফলে ভারতে এখন পাটসুতা, চট ও বস্তা রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মেট্রিক টনে ১৯ থেকে ৩৫২ মার্কিন ডলার পর্যন্ত শুল্ক দিতে হবে। ভারতের গেজেট অনুযায়ী,বাংলাদেশি পাটজাতপণ্য রপ্তানিতে আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত শুল্ক দিতে হবে। ভারতীয় মুদ্রায় এই শুল্কের অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

ভারতের এই সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের পাটজাতপণ্যের রপ্তানি আয় কমে যাবে এমনটাই আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা। খুলনার এম এম জুট ফাইবারের প্রতিনিধি সিএন্ডএফ ব্যাবসায়ি আসাদুজামান আসাদ জানান,বর্তমানে প্রতি টন পাটসুতার গড় রপ্তানি মূল্য ৮০০থেকে ৯০০ডলার। তার ওপর ১৫০ডলার পর্যন্ত শুল্ক দিতে হলে যে দাম পড়বে,তা দিয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা (আমদানিকারকরা) বাংলাদেশ থেকে পাটজাত পণ্য কিনবেন না।

মুন ইন্টারন্যাশনাল জুট মিলস এর প্রতিনিধি জাহান আলি বলেন,‘৬০টন পাটসুতা রপ্তানি করতে আমাদের ২০লাখ টাকা লোকসান হয়ে যাবে। কারণ, শুল্কের অর্থ আমদানিকারক কেটে রাখবে। ভারতে রপ্তানি কমে যাবে।সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পাটপণ্য রপ্তানির জন্য অন্য বাজারের দিকে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

যেখানে প্রতিদিন বেনাপোল দিয়ে ভারতে রফতানি হতো প্রায় দেড়শ ট্রাক পাট ও পাটজাত পন্য। সেখানে সোমবার গেছে ৭ট্রাক পাট। বন্ধ হয়ে গেছে পাটপন্য রফতানি ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইন্ড্রাষ্টি সহ রফতানিকারকরা।

আলহাজ্ব মহাসিন মিলন-যুগ্নসম্পাদক,আমদানি রফতানিকারক মালিক সমিতি ও সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন বেনাপোল ও বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা শামসুল হক জানান,বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন এক’শ থেকে দেড়’শ ট্রাক পাট জাতীয় পণ্য ভারতে রফতানি হতো, নতুন করে শুল্ক আরোপ করে গেজেট প্রকাশের পর বৃহস্পতি ও সোমবার পর্যন্ত মাত্র ৬ ট্রাক পাট জাতীয় পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাবে, বাংলাদেশ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রায় ৯১ কোটি ৯৫ লাখ ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য বাংলাদেশ থেকে রফতানি হযেছে বিভিন্ন দেশে ,এর ২০ শতাংশ রফতানি হয়েছে ভারতে।

পাট জাতীয় পন্য রফতানিকারক’র প্রতিনিধি তৌহিদুর রহমান জানান, বাংলাদেশ থেকে যে সব পাট জাতীয় পন্য ভারতে রফতানি হয় তার সিংহ ভাগ খোলাবাজারে বিক্রি হওয়াকে এন্টি ডাম্পিং বলা হয়। বাংলাদেশি উৎপাদকরা পাট রপ্তানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা পাওয়ায় ভারতীয় পাট মার খাচ্ছে এমন অভিযোগ জানিয়ে দেশটির অ্যান্টি-ডাম্পিং অ্যান্ড অ্যালাইড ডিউটিজ (ডিজিএডি) অধিদপ্তর গত অক্টোবরে বাংলাদেশে পাটজাত পণের ওপর শুল্ক আরোপের সুপারিশ করে।

সুপারিশের পর গত বৃহস্পতিবার ভারতের রাজস্ব বিভাগ এন্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপের গেজেট প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠান ভারতে পাট’র সুতা, চট ও ব¯তা রপ্তানি করতে চাইলে প্রতি মেট্রিক টনে ১৯ থেকে ৩৫২ ডলার শুল্ক পরিশোধ করতে হবে।

ভারতের এই জাতীয় সিদ্ধাšেতর ফলে বাংলাদেশের পাট জাতীয় পণ্যের রপ্তানি কমে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

খুলনার মুন ইন্টারন্যাশনাল জুট মিলস ও প্রবাল শিপিং লাইন্স সহ অšতত চারটি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান পুর্বের খোলা ঋণপত্র অনুযায়ী মাল রফতানি করেছে ভারতে। তাদের তাদের ৩৮টি ট্রাক বেনাপোল বন্দরে আটকে রেখেছে।

প্রবাল শিপিং লাইনস এর প্রতিনিধি তৌহিদুর রহমান জানান বর্তশানে আরোপ করা শুল্ক দিয়ে আগের দরে মাল পাঠালে ৬০ টন পাটসুতায় তাদের লোকসান হবে ২০ লাখ টাকা।

বাংলাদেশের অনেক পাটকল ভারতে রপ্তানির ওপর নির্ভর করে ব্যবসা চালিয়ে আসছে। উচ্চ হারে অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপের ফলে সেগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

বেনাপোল বন্দর কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, বাংলাদেশের পাট ও পাট জাতীয় পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার ভারত। সেই বাজারে পাঁচ বছরের জন্য এই শুল্ক আরোপ করা হল।

প্রতিবছর ভারতে প্রায় দুই লাখ টন পাটসুতা, ব¯তা ও চট রপ্তানি করে আসছে বাংলাদেশ, যার মধ্যে পাট সুতার পরিমাণ দেড় লাখ টন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন হারে পাট জাতীয় পন্যের ওপর শুল্ক আরোপ করায় ভারতের বাজারে প্রতিযোগিতায় টেকা সম্ভব নয় বলে ব্যবসায়ীরা জানান।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

স্থলপথে রফতানি বন্ধ-আটকা অর্ধশত ট্রাক-হুমকির মুখে রফতানি বানিজ্য

আপডেট টাইম : ০৬:২৩:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৭

বেনাপোল : আন্তর্জাতিক নীয়ম নীতিকে তোয়াক্কা না করেই কোন নিদের্শনা ছাড়ায় ভারত সরকার বাংলাদেশি পাটজাতপণ্যে উচ্চ হারে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করেছে। ফলে বেনাপোল স্থলপথে ভারতে পাটজাতপণ্য রপ্তানি হুমকির মুখে পড়েছে। গত ৫দিনন ধরে বেনাপোলে আটকে আছে ৬৮টি পাটপন্য বোঝায় ট্রাক। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন রফতানিকারক প্রতিষ্টান। ডেমারেজ গুনতে হচ্ছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টানকে।

এর ফলে বেকার হয়ে পড়ছেন ব্যাবসায়ির সাথে সংশ্লিষ্টরা-পাটপন্য ছাড়ায় দেশের ৫৭টি ইন্ড্রাষ্টির উপর শুল্কআরোপ করেছে ভারত- পাটপন্য রফতানিকারক খুলনার প্রবল শিপিং লাইনের প্রতিনিধি-মহাসিনন আলী ও মুন ইন্টার প্রাইজ জুট মিলের প্রতিনিধি-জাহান আলী বলেন-ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের রাজস্ব বিভাগ গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশি পাটঁজাতপণ্যে উচ্চ হারে অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করে গেজেট প্রকাশ করেছে। এর ফলে ভারতে এখন পাটসুতা, চট ও বস্তা রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মেট্রিক টনে ১৯ থেকে ৩৫২ মার্কিন ডলার পর্যন্ত শুল্ক দিতে হবে। ভারতের গেজেট অনুযায়ী,বাংলাদেশি পাটজাতপণ্য রপ্তানিতে আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত শুল্ক দিতে হবে। ভারতীয় মুদ্রায় এই শুল্কের অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

ভারতের এই সিদ্ধান্তের কারণে বাংলাদেশের পাটজাতপণ্যের রপ্তানি আয় কমে যাবে এমনটাই আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা। খুলনার এম এম জুট ফাইবারের প্রতিনিধি সিএন্ডএফ ব্যাবসায়ি আসাদুজামান আসাদ জানান,বর্তমানে প্রতি টন পাটসুতার গড় রপ্তানি মূল্য ৮০০থেকে ৯০০ডলার। তার ওপর ১৫০ডলার পর্যন্ত শুল্ক দিতে হলে যে দাম পড়বে,তা দিয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা (আমদানিকারকরা) বাংলাদেশ থেকে পাটজাত পণ্য কিনবেন না।

মুন ইন্টারন্যাশনাল জুট মিলস এর প্রতিনিধি জাহান আলি বলেন,‘৬০টন পাটসুতা রপ্তানি করতে আমাদের ২০লাখ টাকা লোকসান হয়ে যাবে। কারণ, শুল্কের অর্থ আমদানিকারক কেটে রাখবে। ভারতে রপ্তানি কমে যাবে।সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পাটপণ্য রপ্তানির জন্য অন্য বাজারের দিকে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

যেখানে প্রতিদিন বেনাপোল দিয়ে ভারতে রফতানি হতো প্রায় দেড়শ ট্রাক পাট ও পাটজাত পন্য। সেখানে সোমবার গেছে ৭ট্রাক পাট। বন্ধ হয়ে গেছে পাটপন্য রফতানি ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইন্ড্রাষ্টি সহ রফতানিকারকরা।

আলহাজ্ব মহাসিন মিলন-যুগ্নসম্পাদক,আমদানি রফতানিকারক মালিক সমিতি ও সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন বেনাপোল ও বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা শামসুল হক জানান,বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন এক’শ থেকে দেড়’শ ট্রাক পাট জাতীয় পণ্য ভারতে রফতানি হতো, নতুন করে শুল্ক আরোপ করে গেজেট প্রকাশের পর বৃহস্পতি ও সোমবার পর্যন্ত মাত্র ৬ ট্রাক পাট জাতীয় পণ্য রপ্তানি হয়েছে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হিসাবে, বাংলাদেশ ২০১৫-১৬ অর্থবছরে প্রায় ৯১ কোটি ৯৫ লাখ ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য বাংলাদেশ থেকে রফতানি হযেছে বিভিন্ন দেশে ,এর ২০ শতাংশ রফতানি হয়েছে ভারতে।

পাট জাতীয় পন্য রফতানিকারক’র প্রতিনিধি তৌহিদুর রহমান জানান, বাংলাদেশ থেকে যে সব পাট জাতীয় পন্য ভারতে রফতানি হয় তার সিংহ ভাগ খোলাবাজারে বিক্রি হওয়াকে এন্টি ডাম্পিং বলা হয়। বাংলাদেশি উৎপাদকরা পাট রপ্তানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা পাওয়ায় ভারতীয় পাট মার খাচ্ছে এমন অভিযোগ জানিয়ে দেশটির অ্যান্টি-ডাম্পিং অ্যান্ড অ্যালাইড ডিউটিজ (ডিজিএডি) অধিদপ্তর গত অক্টোবরে বাংলাদেশে পাটজাত পণের ওপর শুল্ক আরোপের সুপারিশ করে।

সুপারিশের পর গত বৃহস্পতিবার ভারতের রাজস্ব বিভাগ এন্টি-ডাম্পিং শুল্ক আরোপের গেজেট প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠান ভারতে পাট’র সুতা, চট ও ব¯তা রপ্তানি করতে চাইলে প্রতি মেট্রিক টনে ১৯ থেকে ৩৫২ ডলার শুল্ক পরিশোধ করতে হবে।

ভারতের এই জাতীয় সিদ্ধাšেতর ফলে বাংলাদেশের পাট জাতীয় পণ্যের রপ্তানি কমে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

খুলনার মুন ইন্টারন্যাশনাল জুট মিলস ও প্রবাল শিপিং লাইন্স সহ অšতত চারটি রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান পুর্বের খোলা ঋণপত্র অনুযায়ী মাল রফতানি করেছে ভারতে। তাদের তাদের ৩৮টি ট্রাক বেনাপোল বন্দরে আটকে রেখেছে।

প্রবাল শিপিং লাইনস এর প্রতিনিধি তৌহিদুর রহমান জানান বর্তশানে আরোপ করা শুল্ক দিয়ে আগের দরে মাল পাঠালে ৬০ টন পাটসুতায় তাদের লোকসান হবে ২০ লাখ টাকা।

বাংলাদেশের অনেক পাটকল ভারতে রপ্তানির ওপর নির্ভর করে ব্যবসা চালিয়ে আসছে। উচ্চ হারে অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপের ফলে সেগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

বেনাপোল বন্দর কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, বাংলাদেশের পাট ও পাট জাতীয় পণ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার ভারত। সেই বাজারে পাঁচ বছরের জন্য এই শুল্ক আরোপ করা হল।

প্রতিবছর ভারতে প্রায় দুই লাখ টন পাটসুতা, ব¯তা ও চট রপ্তানি করে আসছে বাংলাদেশ, যার মধ্যে পাট সুতার পরিমাণ দেড় লাখ টন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, নতুন হারে পাট জাতীয় পন্যের ওপর শুল্ক আরোপ করায় ভারতের বাজারে প্রতিযোগিতায় টেকা সম্ভব নয় বলে ব্যবসায়ীরা জানান।