অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল

প্রধান শিক্ষক যখন অফিস সহকারি

লালমনিরহাট : জেলার বহুল আলোচিত সাবেক ছিটমহল তিন বিঘা করিডোরের দহগ্রাম ইউনিয়নের দহগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ করা হয়েছে নয় মাস আগে। সেই থেকে নয় জন শিক্ষক ও কর্মচারি নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন সরকারি তহবিল থেকে।

কিন্তু বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ হওয়ায় বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের কপাল পুড়েছে। প্রধান শিক্ষক মীর জুমলার শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ডিগ্রি তৃতীয় বিভাগের হওয়ায় প্রধান শিক্ষক পদে তার বিল হয়নি। আর এ কারণে তাকে অফিস সহকারি/ উচ্চমান সহকারি পদে দেখানো হয়েছে।

স্কুলটি সরকারিকরণের চূড়ান্ত পর্যায়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কোন উপায় না পেয়ে মীর জুমলাকে অফিস সহকারি পদে দেখিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। পরে মীর জুমলার বেতন কাঠামো হয় অফিস সহকারি মানের। সাবেক ওই প্রধান শিক্ষক বর্তমানে অফিস সহকারির বেতন নিচ্ছেন বলে জানান দহগ্রাম সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তবিবর রহমান।

Tag :

নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

প্রধান শিক্ষক যখন অফিস সহকারি

আপডেট টাইম : ০২:৩৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জানুয়ারী ২০১৭

লালমনিরহাট : জেলার বহুল আলোচিত সাবেক ছিটমহল তিন বিঘা করিডোরের দহগ্রাম ইউনিয়নের দহগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ করা হয়েছে নয় মাস আগে। সেই থেকে নয় জন শিক্ষক ও কর্মচারি নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন সরকারি তহবিল থেকে।

কিন্তু বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ হওয়ায় বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের কপাল পুড়েছে। প্রধান শিক্ষক মীর জুমলার শিক্ষাজীবনের প্রতিটি ডিগ্রি তৃতীয় বিভাগের হওয়ায় প্রধান শিক্ষক পদে তার বিল হয়নি। আর এ কারণে তাকে অফিস সহকারি/ উচ্চমান সহকারি পদে দেখানো হয়েছে।

স্কুলটি সরকারিকরণের চূড়ান্ত পর্যায়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কোন উপায় না পেয়ে মীর জুমলাকে অফিস সহকারি পদে দেখিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। পরে মীর জুমলার বেতন কাঠামো হয় অফিস সহকারি মানের। সাবেক ওই প্রধান শিক্ষক বর্তমানে অফিস সহকারির বেতন নিচ্ছেন বলে জানান দহগ্রাম সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তবিবর রহমান।