পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

‘উন্নয়নশীল দেশের কাতারে এসেছি কারো কাছে মাথা নত করে নয়’

ডেস্ক: ‘আমরা বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিয়ে এসেছি। কারও কাছে হাত পেতে নয়, মাথা নত করে নয়, আমরা বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবো’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্ব সভায় মর্যাদার আসনে নিয়ে আসাই আমাদের লক্ষ্য ছিল।

এসময় শিশু-কিশোররা যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তে জড়িয়ে না পড়ে সেব্যাপরে সচেতন থাকার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (২৬ মার্চ) সকালে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত শিশু-কিশোর সমাবেশে এ আহবান জানান তিনি।

আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের ভবিষ্যত যেন সুন্দর হয় সেই লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। আমরা তোমাদের জন্য বিনামূল্যে বই দিচ্ছি, বৃত্তি দিচ্ছি। সারাদেশে স্কুল প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছি। সেখানে কম্পিউটার ও আধুনিক প্রযুক্তির শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সন্তানের শিক্ষার জন্য এক কোটি ৩০ লাখ মায়ের মোবাইলে টাকা পাঠানো হচ্ছে।

শিশুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরাই ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনা করবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হবে। দেশের ও মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করবে। দেশকে গভীরভাবে ভালোবাসবে। আমরা যেখানে রেখে যাবো তোমরা সেখান থেকে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এ সময়, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ার আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে শিশু-কিশোর সমাবেশে লাখো কণ্ঠে ধ্বনিত হয় জাতীয় সংগীত। জাতীয় সংগীতের পর প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করেন শিশু-কিশোর সমাবেশের নেতার কাছ থেকে। পরে তিনি পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সমাবেশের উদ্বোধন করেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

‘উন্নয়নশীল দেশের কাতারে এসেছি কারো কাছে মাথা নত করে নয়’

আপডেট টাইম : ০৩:৪৮:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মার্চ ২০১৮

ডেস্ক: ‘আমরা বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিয়ে এসেছি। কারও কাছে হাত পেতে নয়, মাথা নত করে নয়, আমরা বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলবো’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্ব সভায় মর্যাদার আসনে নিয়ে আসাই আমাদের লক্ষ্য ছিল।

এসময় শিশু-কিশোররা যেন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও মাদকাসক্তে জড়িয়ে না পড়ে সেব্যাপরে সচেতন থাকার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (২৬ মার্চ) সকালে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আয়োজিত শিশু-কিশোর সমাবেশে এ আহবান জানান তিনি।

আজকের শিশুই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের ভবিষ্যত যেন সুন্দর হয় সেই লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। আমরা তোমাদের জন্য বিনামূল্যে বই দিচ্ছি, বৃত্তি দিচ্ছি। সারাদেশে স্কুল প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছি। সেখানে কম্পিউটার ও আধুনিক প্রযুক্তির শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সন্তানের শিক্ষার জন্য এক কোটি ৩০ লাখ মায়ের মোবাইলে টাকা পাঠানো হচ্ছে।

শিশুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, তোমরাই ভবিষ্যতে দেশ পরিচালনা করবে। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই লেখাপড়া শিখে মানুষের মতো মানুষ হবে। দেশের ও মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল করবে। দেশকে গভীরভাবে ভালোবাসবে। আমরা যেখানে রেখে যাবো তোমরা সেখান থেকে দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এ সময়, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ার আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার একটি উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে শিশু-কিশোর সমাবেশে লাখো কণ্ঠে ধ্বনিত হয় জাতীয় সংগীত। জাতীয় সংগীতের পর প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করেন শিশু-কিশোর সমাবেশের নেতার কাছ থেকে। পরে তিনি পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সমাবেশের উদ্বোধন করেন।