অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক

‘আগামী ৮-৯ বছরে শেষ হয়ে যাবে দেশের সব গ্যাস’

ডেস্ক : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, পূর্বাভাস অনুযায়ী দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মজুত হ্রাস পেতে শুরু করেছে। আট থেকে নয় বছরের মধ্যে দেশের গ্যাসসম্পদ নিঃশেষ হয়ে যাবে।

বার্তা সংস্থা ইউএনবির খবরে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আজ বুধবার প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এসব কথা বলেন। জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার পালিত হবে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস। এ উপলক্ষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালি বের করা হবে এবং মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে প্রচারাভিযান চালানো হবে। এ ছাড়া পেট্রোবাংলা সেমিনারের আয়োজন করবে বলে বুধবারের প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি বা দুটি গ্যাসক্ষেত্র এরই মধ্যে নিঃশেষ হয়ে গেছে এবং বাকিগুলোও শেষ হওয়ার পথে। তিনি বলেন, ‘দেশের সব গ্যাসক্ষেত্র আট থেকে নয় বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ নিঃশেষ হয়ে যাবে। কারণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র খুঁজে পাইনি। বহু দেশেই প্রাকৃতিক কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।’

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৩টি গ্যাসক্ষেত্র আছে। এসব গ্যাসক্ষেত্র থেকে এখন প্রতিদিন ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। তবে দেশে প্রতিদিনে গ্যাসের চাহিদার পরিমাণ ৩৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। সেই হিসাবে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি আছে।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ আরও বলেন, বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্র ১০৮টি কূপ খনন করার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর জন্যই এই পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। তবে আটটি কূপ খননের পর ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যায়নি। তাই বাকি ১০০টি কূপ খননের আগে সেগুলো আবার নিরীক্ষা করা হবে।

নসরুল হামিদ বলেন, জ্বালানির বৈশ্বিক বাজারের দৃশ্যপট খুব দ্রুত পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। নতুন নতুন ধারণা আসছে সেখানে। তিনি বলেন, ‘তাই আমাদের খুব সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জ্বালানির চাহিদা মেটাতে সরকার এখন এলএনজি আমদানির চেষ্টা চালাচ্ছে।’

এলএনজি গ্যাসের দাম বাড়ানোয় ভূমিকা রাখবে বলে স্বীকার করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘কিন্তু আমি আশা করব, গ্যাসের দাম বাড়ানোর মতো কোনো সিদ্ধান্ত জ্বালানি নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ নেবে না।’

Tag :

সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো

‘আগামী ৮-৯ বছরে শেষ হয়ে যাবে দেশের সব গ্যাস’

আপডেট টাইম : ০৯:০৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অগাস্ট ২০১৮

ডেস্ক : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, পূর্বাভাস অনুযায়ী দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মজুত হ্রাস পেতে শুরু করেছে। আট থেকে নয় বছরের মধ্যে দেশের গ্যাসসম্পদ নিঃশেষ হয়ে যাবে।

বার্তা সংস্থা ইউএনবির খবরে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আজ বুধবার প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এসব কথা বলেন। জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার পালিত হবে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস। এ উপলক্ষে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালি বের করা হবে এবং মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার মাধ্যমে প্রচারাভিযান চালানো হবে। এ ছাড়া পেট্রোবাংলা সেমিনারের আয়োজন করবে বলে বুধবারের প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি বা দুটি গ্যাসক্ষেত্র এরই মধ্যে নিঃশেষ হয়ে গেছে এবং বাকিগুলোও শেষ হওয়ার পথে। তিনি বলেন, ‘দেশের সব গ্যাসক্ষেত্র আট থেকে নয় বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ নিঃশেষ হয়ে যাবে। কারণ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমরা নতুন কোনো গ্যাসক্ষেত্র খুঁজে পাইনি। বহু দেশেই প্রাকৃতিক কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।’

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মোট ২৩টি গ্যাসক্ষেত্র আছে। এসব গ্যাসক্ষেত্র থেকে এখন প্রতিদিন ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। তবে দেশে প্রতিদিনে গ্যাসের চাহিদার পরিমাণ ৩৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। সেই হিসাবে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি আছে।

প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ আরও বলেন, বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্র ১০৮টি কূপ খনন করার কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর জন্যই এই পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। তবে আটটি কূপ খননের পর ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যায়নি। তাই বাকি ১০০টি কূপ খননের আগে সেগুলো আবার নিরীক্ষা করা হবে।

নসরুল হামিদ বলেন, জ্বালানির বৈশ্বিক বাজারের দৃশ্যপট খুব দ্রুত পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। নতুন নতুন ধারণা আসছে সেখানে। তিনি বলেন, ‘তাই আমাদের খুব সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জ্বালানির চাহিদা মেটাতে সরকার এখন এলএনজি আমদানির চেষ্টা চালাচ্ছে।’

এলএনজি গ্যাসের দাম বাড়ানোয় ভূমিকা রাখবে বলে স্বীকার করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘কিন্তু আমি আশা করব, গ্যাসের দাম বাড়ানোর মতো কোনো সিদ্ধান্ত জ্বালানি নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ নেবে না।’