অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

তিস্তার ভাঙ্গনে পাঁচ শতাধিক পরিবার গৃহহীন

সুন্দরগঞ্জ(গাইবান্ধা)প্রতিনিধি : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তার ভাঙ্গন অব্যাহত। গত ১৫দিনের ব্যবধানে পাঁচ শতাধিক পরিবার নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে হাজারও পরিবার। ঈদ আনন্দ হতে বঞ্চিত তিস্তা পারের পরিবারগুলো।

গত শনিবার স্থানীয় সাংসদ ব্যারিষ্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী উপজেলার কাপাসিয়া ও চন্ডিপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় এমপির সাথে ছিলেন কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন ও চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফুল মিয়া।উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গত ১৫দিন ধরে উপজেলার কাপাসিয়া, চন্ডিপুর , শ্রীপুর, হরিপুর ও বেলকা ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর বিভিন্ন চরে ভাঙ্গন দেখা দেয়।দিনের পর দিন ভাঁঙ্গন অব্যাহত থাকায় গত ১৫ দিনের ব্যবধানে উপজেলার লালচামার, উজান বোচাগাড়ি, বাদামের চর, চরচরিতাবাড়ি, বেলকা নবাবগঞ্জ, তালুল বেলকা, বাবু বাজার, চরহরিপুর এলাকায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।এছাড়া ভাঁঙ্গনের মুখে রয়েছে হাজারও পরিবার।তিস্তার কড়াল গ্রাস থেকে শেষ সম্বল টুকু রক্ষা করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ভাঁঙ্গনের মুখে বসবাসরত পরিবারগুলো। সে কারনে ঈদের আনন্দ কি তা অনুভব করতে পারেনি ওরা।

কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান, ঈদের ২দিন আগ থেকে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় ঘরবাড়ি সরানোর কাজে ব্যস্ত থাকায় অনেক পরিবার ঈদ করতে পারেনি। তিনি বলেন ১৫দিনের ব্যবধানে তার ইউনিয়নে কমপক্ষে ৩০০ পরিবার নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে।

উপজেলা প্রকল্প ব্যস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার জানান, চেয়ারম্যানের মাধ্যমে নদী ভাঙ্গন পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে জেলা প্রশাসকের নিকট পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে বেলকা ইউনিয়নের ভাঁঙ্গন কবলিত ২০০ পরিবারকে ঈদের আগের দিন ২ কেজি করে চাল বিতরন করা হয়েছে।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

তিস্তার ভাঙ্গনে পাঁচ শতাধিক পরিবার গৃহহীন

আপডেট টাইম : ০২:২২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অগাস্ট ২০১৮

সুন্দরগঞ্জ(গাইবান্ধা)প্রতিনিধি : গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তার ভাঙ্গন অব্যাহত। গত ১৫দিনের ব্যবধানে পাঁচ শতাধিক পরিবার নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে হাজারও পরিবার। ঈদ আনন্দ হতে বঞ্চিত তিস্তা পারের পরিবারগুলো।

গত শনিবার স্থানীয় সাংসদ ব্যারিষ্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী উপজেলার কাপাসিয়া ও চন্ডিপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় এমপির সাথে ছিলেন কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন ও চন্ডিপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফুল মিয়া।উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গত ১৫দিন ধরে উপজেলার কাপাসিয়া, চন্ডিপুর , শ্রীপুর, হরিপুর ও বেলকা ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর বিভিন্ন চরে ভাঙ্গন দেখা দেয়।দিনের পর দিন ভাঁঙ্গন অব্যাহত থাকায় গত ১৫ দিনের ব্যবধানে উপজেলার লালচামার, উজান বোচাগাড়ি, বাদামের চর, চরচরিতাবাড়ি, বেলকা নবাবগঞ্জ, তালুল বেলকা, বাবু বাজার, চরহরিপুর এলাকায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।এছাড়া ভাঁঙ্গনের মুখে রয়েছে হাজারও পরিবার।তিস্তার কড়াল গ্রাস থেকে শেষ সম্বল টুকু রক্ষা করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ভাঁঙ্গনের মুখে বসবাসরত পরিবারগুলো। সে কারনে ঈদের আনন্দ কি তা অনুভব করতে পারেনি ওরা।

কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন জানান, ঈদের ২দিন আগ থেকে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় ঘরবাড়ি সরানোর কাজে ব্যস্ত থাকায় অনেক পরিবার ঈদ করতে পারেনি। তিনি বলেন ১৫দিনের ব্যবধানে তার ইউনিয়নে কমপক্ষে ৩০০ পরিবার নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে।

উপজেলা প্রকল্প ব্যস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার জানান, চেয়ারম্যানের মাধ্যমে নদী ভাঙ্গন পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে জেলা প্রশাসকের নিকট পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যে বেলকা ইউনিয়নের ভাঁঙ্গন কবলিত ২০০ পরিবারকে ঈদের আগের দিন ২ কেজি করে চাল বিতরন করা হয়েছে।