পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

দেশের প্রত্যেক নাগরিক এই বাজেটে উপকৃত হবে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি মনে করি দেশের প্রত্যেক নাগরিক এই বাজেটে উপকৃত হবে। ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালে উন্নত এবং সমৃদ্ধশালী দেশ প্রতিষ্ঠায় আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এই বাজেট সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এই বাজেট দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

শনিবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশে বিভিন্ন সরকারের সময় বাজেটের বিশাল অংশটিই ছিল বৈদেশিক অনুদান নির্ভর। আমরা সরকার গঠনের পর সেই নির্ভরতা কমিয়ে এনেছি। আমরা আয় বুঝে ব্যয়ের যে বিষয়টি বলা হয়েছে, সেটি বিবেচনা করেই বাজেট দিই। দেশকে আমরা উন্নতির দিকে নিয়ে আসতে পেরেছি বলেই আজকে বাজেটে বৈদেশিক অনুদান শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ।

তিনি বলেন, আমরা গত ১০ বছরে মাথা পিছু আয় ১ হাজার ৯৯৯ ডলারে উন্নত করেছি। দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। এই হার অন্তত ১৬ শতাংশে নামিয়ে আনবো- এটা আমাদের লক্ষ্য। প্রবৃদ্ধি যখন উচ্চ আর মুদ্রাস্ফীতি যখন নিম্ন থাকে তখন এর সুফল দেশের মানুষ পায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাজেটে ঘাটতি সহনশীল। বাজেটে ঘাটতি কখনও বেশি হয় না। মাত্র ৫ শতাংশ ঘাটতি হয়। আমাদের লক্ষ্য আগামী ২০২৩-২৪ সালে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত করা, মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৫০ ডলারে উন্নীত করা, অতি দরিদ্র ৪ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা। আজ সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশ ডিজিটাল। আগে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে নিজেরাও দুর্নীতি করেছে। এ কারণে দুর্নীতি সমাজে ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার নীতি হলো জিরো টলারেন্স।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছিলেন। আর এটাই তার অপরাধ। দেশবিরোধী দেশি-বিদেশি ঘাতক চক্র তাকে হত্যা করে। তাদের ষড়যন্ত্র ছিল বাংলাদেশ যাতে পকিস্তানের অধীনস্থ থাকে। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য জাতির পিতার যে লক্ষ্যে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন, সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো। সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাল্লাহ, আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।

খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার যে প্রস্তাব বাজেটে করা হয়েছে, তা যুগোপযোগী উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ব্যাংক ঋণের সুদ এক অংকে নামিয়ে আনতে হবে। সুদ বেশি থাকলে ব্যবসা বাণিজ্য বিকশিত হয় না। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থও আমাদের দেখতে হবে।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

দেশের প্রত্যেক নাগরিক এই বাজেটে উপকৃত হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৪:০১:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০১৯

ডেস্ক :প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি মনে করি দেশের প্রত্যেক নাগরিক এই বাজেটে উপকৃত হবে। ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালে উন্নত এবং সমৃদ্ধশালী দেশ প্রতিষ্ঠায় আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। এই বাজেট সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহযোগিতা করবে। বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, এই বাজেট দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

শনিবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশে বিভিন্ন সরকারের সময় বাজেটের বিশাল অংশটিই ছিল বৈদেশিক অনুদান নির্ভর। আমরা সরকার গঠনের পর সেই নির্ভরতা কমিয়ে এনেছি। আমরা আয় বুঝে ব্যয়ের যে বিষয়টি বলা হয়েছে, সেটি বিবেচনা করেই বাজেট দিই। দেশকে আমরা উন্নতির দিকে নিয়ে আসতে পেরেছি বলেই আজকে বাজেটে বৈদেশিক অনুদান শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ।

তিনি বলেন, আমরা গত ১০ বছরে মাথা পিছু আয় ১ হাজার ৯৯৯ ডলারে উন্নত করেছি। দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। এই হার অন্তত ১৬ শতাংশে নামিয়ে আনবো- এটা আমাদের লক্ষ্য। প্রবৃদ্ধি যখন উচ্চ আর মুদ্রাস্ফীতি যখন নিম্ন থাকে তখন এর সুফল দেশের মানুষ পায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাজেটে ঘাটতি সহনশীল। বাজেটে ঘাটতি কখনও বেশি হয় না। মাত্র ৫ শতাংশ ঘাটতি হয়। আমাদের লক্ষ্য আগামী ২০২৩-২৪ সালে প্রবৃদ্ধি ১০ শতাংশে উন্নীত করা, মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৫০ ডলারে উন্নীত করা, অতি দরিদ্র ৪ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা। আজ সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশ ডিজিটাল। আগে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে নিজেরাও দুর্নীতি করেছে। এ কারণে দুর্নীতি সমাজে ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার নীতি হলো জিরো টলারেন্স।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছিলেন। আর এটাই তার অপরাধ। দেশবিরোধী দেশি-বিদেশি ঘাতক চক্র তাকে হত্যা করে। তাদের ষড়যন্ত্র ছিল বাংলাদেশ যাতে পকিস্তানের অধীনস্থ থাকে। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য জাতির পিতার যে লক্ষ্যে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন, সেই লক্ষ্যে পৌঁছানো। সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। ইনশাল্লাহ, আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।

খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার যে প্রস্তাব বাজেটে করা হয়েছে, তা যুগোপযোগী উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ব্যাংক ঋণের সুদ এক অংকে নামিয়ে আনতে হবে। সুদ বেশি থাকলে ব্যবসা বাণিজ্য বিকশিত হয় না। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থও আমাদের দেখতে হবে।