পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

বিআরটিএ’র রুট পারমিটের কথা বলে ৯১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন সাহেদ, চট্টগ্রামে মামলা

ফারুক আহমেদ সুজনঃ চট্টগ্রামে সোয়া ৯১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। ঢাকার রাস্তায় থ্রি-হুইলার চলাচলের জন্য বিআরটিএ’র ভুয়া পারমিট সরবরাহ করে এই টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনেছে মেসার্স মেগা মোটরস নামে একটি প্রতিষ্ঠান।
সোমবার(১৩ জুলাই) বিকেলে নগরীর ডবলমুরিং থানায় মামলাটি করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক জিয়া উদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের পক্ষে চাচাতো ভাই মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। নগরীর ডবলমুরিং থানার ধনিয়ালাপাড়ায় মেসার্স মেগা মোটরস প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ডবলমুরিং থানার ওসি সদীপ কুমার দাশ বলেন, এ মামলায় সাহেদ করিম ছাড়াও মেসার্স মেগা মোটরসের সাবেক কর্মকর্তা শহীদুল্লাহকেও আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন জানান, মেসার্স মেগা মোটরসের আমদানি করা থ্রি-হুইলার ঢাকা শহরে চলাচলের রুট পারমিটসহ সব অনুমতি নিয়ে দেয়ার কথা বলে কয়েক দফায় ৯১ লাখ ২৫ হাজার টাকা নেন সাহেদ। টাকা নেয়ার পর ২০১৭ সালের ৫ মার্চ বিআরটিএ চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্রের ফটোকপি মেগা মোটরসের কাছে হস্তান্তর করেন তিনি। যেখানে দুইশ থ্রি-হুইলার ঢাকা শহরে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ ছিল। কিন্তু বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় বিআরটিএ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। তারা পরিপত্রের ফটোকপিটি ভুয়া বলে জানান। এরপর থেকে টাকা ফেরতের বিষয়ে সাহেদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ হলেও তিনি বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। তাই আইনের আশ্রয় নেয়া হয়। করোনাভাইরাস পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়া, নিয়ম বহির্ভূতভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের প্রমাণ পায় র‌্যাব। এরপর ৬ থেকে ৮ জুলাই অভিযান চালিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখা বন্ধ করে দেয়। র‌্যাবের ওই অভিযানের পর রিজেন্টের মালিক মোহাম্মদ সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর গণমাধ্যমে আসতে শুরু করে।

উল্লেখ্য বিআরটিএ’র কিছু কর্মকর্তা গনের সাথে তার অনেক ভালো সু-সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায় ।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

বিআরটিএ’র রুট পারমিটের কথা বলে ৯১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন সাহেদ, চট্টগ্রামে মামলা

আপডেট টাইম : ০৬:৩৪:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০

ফারুক আহমেদ সুজনঃ চট্টগ্রামে সোয়া ৯১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। ঢাকার রাস্তায় থ্রি-হুইলার চলাচলের জন্য বিআরটিএ’র ভুয়া পারমিট সরবরাহ করে এই টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনেছে মেসার্স মেগা মোটরস নামে একটি প্রতিষ্ঠান।
সোমবার(১৩ জুলাই) বিকেলে নগরীর ডবলমুরিং থানায় মামলাটি করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক জিয়া উদ্দিন মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের পক্ষে চাচাতো ভাই মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। নগরীর ডবলমুরিং থানার ধনিয়ালাপাড়ায় মেসার্স মেগা মোটরস প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ডবলমুরিং থানার ওসি সদীপ কুমার দাশ বলেন, এ মামলায় সাহেদ করিম ছাড়াও মেসার্স মেগা মোটরসের সাবেক কর্মকর্তা শহীদুল্লাহকেও আসামি করা হয়েছে। মামলার বাদী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন জানান, মেসার্স মেগা মোটরসের আমদানি করা থ্রি-হুইলার ঢাকা শহরে চলাচলের রুট পারমিটসহ সব অনুমতি নিয়ে দেয়ার কথা বলে কয়েক দফায় ৯১ লাখ ২৫ হাজার টাকা নেন সাহেদ। টাকা নেয়ার পর ২০১৭ সালের ৫ মার্চ বিআরটিএ চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত একটি পরিপত্রের ফটোকপি মেগা মোটরসের কাছে হস্তান্তর করেন তিনি। যেখানে দুইশ থ্রি-হুইলার ঢাকা শহরে চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ ছিল। কিন্তু বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় বিআরটিএ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। তারা পরিপত্রের ফটোকপিটি ভুয়া বলে জানান। এরপর থেকে টাকা ফেরতের বিষয়ে সাহেদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ হলেও তিনি বিভিন্নভাবে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। তাই আইনের আশ্রয় নেয়া হয়। করোনাভাইরাস পরীক্ষা না করেই ভুয়া রিপোর্ট দেয়া, নিয়ম বহির্ভূতভাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের প্রমাণ পায় র‌্যাব। এরপর ৬ থেকে ৮ জুলাই অভিযান চালিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখা বন্ধ করে দেয়। র‌্যাবের ওই অভিযানের পর রিজেন্টের মালিক মোহাম্মদ সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির খবর গণমাধ্যমে আসতে শুরু করে।

উল্লেখ্য বিআরটিএ’র কিছু কর্মকর্তা গনের সাথে তার অনেক ভালো সু-সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায় ।