পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ!

ডেস্কঃ সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল ডিভিশনে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান এর বিরুদ্ধে প্রায় ৫০ কোটি টাকার দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগগুলো তার নরসিংদী সড়ক বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ের।

নরসিংদী সড়ক বিভাগে মো. মনিরুজ্জামানের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব কালীন সময়ে প্রায় ৪ বছরে ছোট ছোট মেরামতের নামে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল তার সিংহভাগই অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে প্রাক্কলন প্রস্তুত করে দরপত্র আহ্বান এর মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগের অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় প্রতিটি কাজেরই কিছু ভুয়া কাজের ব্যয় দেখানো হয়েছে এবং প্রাক্কলনগুলো পরবর্তীতে রিভাইসড করে অতিরিক্ত ব্যয় করা হয়। নরসিংদী সড়ক বিভাগের তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান একাই এই অর্থ আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

তৎকালীন সময়ে সরকারি চাকুরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান অনেক কাজেই ঠিকাদারদের সহযোগী (পার্টনার) হিসেবে কাজ করেন বলেও অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে।

মনিরুজ্জামান ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রায় চার বছর নরসিংদী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এই সময়ে তিনি প্রায় ৫০ কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অবৈধ উপার্জনের মাধ্যমে তিনি ও তার পরিবার ঢাকা ও তার নিজ জেলায় জমি, ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন বলেও জানা গেছে। হয়েছেনে ব্যক্তিগত বিলাসবহুল গাড়ির মালিক। এছাড়া তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে রয়েছে বহু টাকার এফডিআর।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অবাস্তব এবং অবান্তর। কেউ উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই অভিযোগগুলো করতে পারে।

সূত্রঃ প্রকৌশল নিউজ.কম।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ!

আপডেট টাইম : ০৫:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১

ডেস্কঃ সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল ডিভিশনে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান এর বিরুদ্ধে প্রায় ৫০ কোটি টাকার দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগগুলো তার নরসিংদী সড়ক বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ের।

নরসিংদী সড়ক বিভাগে মো. মনিরুজ্জামানের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব কালীন সময়ে প্রায় ৪ বছরে ছোট ছোট মেরামতের নামে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল তার সিংহভাগই অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে প্রাক্কলন প্রস্তুত করে দরপত্র আহ্বান এর মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগের অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় প্রতিটি কাজেরই কিছু ভুয়া কাজের ব্যয় দেখানো হয়েছে এবং প্রাক্কলনগুলো পরবর্তীতে রিভাইসড করে অতিরিক্ত ব্যয় করা হয়। নরসিংদী সড়ক বিভাগের তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান একাই এই অর্থ আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

তৎকালীন সময়ে সরকারি চাকুরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান অনেক কাজেই ঠিকাদারদের সহযোগী (পার্টনার) হিসেবে কাজ করেন বলেও অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে।

মনিরুজ্জামান ২০১৫ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রায় চার বছর নরসিংদী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

এই সময়ে তিনি প্রায় ৫০ কোটি টাকা অবৈধভাবে উপার্জন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ অবৈধ উপার্জনের মাধ্যমে তিনি ও তার পরিবার ঢাকা ও তার নিজ জেলায় জমি, ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন বলেও জানা গেছে। হয়েছেনে ব্যক্তিগত বিলাসবহুল গাড়ির মালিক। এছাড়া তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে রয়েছে বহু টাকার এফডিআর।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদককে জানান, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অবাস্তব এবং অবান্তর। কেউ উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই অভিযোগগুলো করতে পারে।

সূত্রঃ প্রকৌশল নিউজ.কম।