পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

৭৬৯ কোটি ডলারের রফতানি আয়

বাংলার খবর২৪.কম index_54380: চলতি অর্থবছরের (২০১৪-১৫) প্রথম তিন মাস অর্থাৎ জুলাই- সেপ্টেম্বরে দেশের মোট পণ্য রফতানি আয় হয়েছে ৭৬৯ কোটি ৫১ লাখ ডলার। সোমবার রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রফতানি আয়ের হালনাগাদ প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এই আয় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ কম। তবে তা গত অর্থবছরের চেয়ে দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয় ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। আর প্রথম দুই মাসে প্রবৃদ্ধি হয় ২ শতাংশ।

এদিকে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশ থেকে ৬২৩ কোটি মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে। যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৫০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকার সমান। তৈরি পোশাক খাতের এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে মাত্র শূন্য দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি হলেও আলোচ্য সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তা ৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ কম।

ইপিবির হালনাগাদে দেখা যায়, তৈরি পোশাকে সামান্য প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পাট ও পাটজাত পণ্য, টেরিটাওয়াল, প্রকৌশলী পণ্য, বিশেষায়িত টেক্সটাইল, হিমায়িত মাছসহ বেশকিছু পণ্যে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হওয়ায় সামগ্রিক রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কের ঘরে নেমে এসেছে।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী, আলোচ্য সময়ে ৩০ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১২ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি। এই ৩০ কোটি ডলারের মধ্যে ১০ কোটি ৯২ লাখ ডলারের চামড়া, পাঁচ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য, ১৪ কোটি ডলারের পাদুকা রফতানি হয়েছে।

এছাড়াও পাট ও পাটজাত পণ্যে ১৯ কোটি, হোম টেক্সটাইলে ১৮ কোটি, টেরিটাওয়ালে এক কোটি, বাইসাইকেলে তিন কোটি ৪৬ লাখ, প্লাস্টিকে দুই কোটি ৭৩ লাখ, প্রকৌশল পণ্যে আট কোটি ৩৪ লাখ ডলার রফতানি আয় হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে দেশের পণ্য রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তিন হাজার ৩২০ কোটি ডলার। সর্বশেষ ২০১৩-১৪ অর্থবছর তিন হাজার ১৮ কোটি ডলার রফতানি আয় অর্জিত হয়।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

৭৬৯ কোটি ডলারের রফতানি আয়

আপডেট টাইম : ০৩:৩২:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম index_54380: চলতি অর্থবছরের (২০১৪-১৫) প্রথম তিন মাস অর্থাৎ জুলাই- সেপ্টেম্বরে দেশের মোট পণ্য রফতানি আয় হয়েছে ৭৬৯ কোটি ৫১ লাখ ডলার। সোমবার রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রফতানি আয়ের হালনাগাদ প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এই আয় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ কম। তবে তা গত অর্থবছরের চেয়ে দশমিক ৮৮ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয় ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। আর প্রথম দুই মাসে প্রবৃদ্ধি হয় ২ শতাংশ।

এদিকে, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশ থেকে ৬২৩ কোটি মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে। যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ৫০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকার সমান। তৈরি পোশাক খাতের এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে মাত্র শূন্য দশমিক ৪০ শতাংশ বেশি হলেও আলোচ্য সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তা ৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ কম।

ইপিবির হালনাগাদে দেখা যায়, তৈরি পোশাকে সামান্য প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি পাট ও পাটজাত পণ্য, টেরিটাওয়াল, প্রকৌশলী পণ্য, বিশেষায়িত টেক্সটাইল, হিমায়িত মাছসহ বেশকিছু পণ্যে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হওয়ায় সামগ্রিক রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কের ঘরে নেমে এসেছে।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী, আলোচ্য সময়ে ৩০ কোটি ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রফতানি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১২ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি। এই ৩০ কোটি ডলারের মধ্যে ১০ কোটি ৯২ লাখ ডলারের চামড়া, পাঁচ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য, ১৪ কোটি ডলারের পাদুকা রফতানি হয়েছে।

এছাড়াও পাট ও পাটজাত পণ্যে ১৯ কোটি, হোম টেক্সটাইলে ১৮ কোটি, টেরিটাওয়ালে এক কোটি, বাইসাইকেলে তিন কোটি ৪৬ লাখ, প্লাস্টিকে দুই কোটি ৭৩ লাখ, প্রকৌশল পণ্যে আট কোটি ৩৪ লাখ ডলার রফতানি আয় হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে দেশের পণ্য রফতানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তিন হাজার ৩২০ কোটি ডলার। সর্বশেষ ২০১৩-১৪ অর্থবছর তিন হাজার ১৮ কোটি ডলার রফতানি আয় অর্জিত হয়।