অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

একের পর এক আসছে লাশ, নিহত বেড়ে ৪৯

ডেস্ক : সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একের পর এক আসছে লাশবাহী এম্বুলেন্স। আজ বেলা ৩টা পর্যন্ত ৪৯ জনের মরদেহ চমেক হাসপাতালের মর্গে আনা হয়। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ৮ জন কর্মীও রয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে পাঁচজনকে শনাক্ত করা গেছে। তারা হলেন- কুমিরা ফায়ার স্টেশনের নার্সিং অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে কর্মরত বাঁশাখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের মধুখালী গ্রামের মনিরুজ্জামান (৩২), একই উপজেলার চারিয়ার নাপুরা এলাকার মাহমুদুর রহমানের ছেলে মো. মহিউদ্দীন (২৪), ভোলা জেলার হাবিবুর রহমান (২৬) ও রবিউল আলম (১৯)। তাদের মধ্যে মহিউদ্দীন বেসরকারি পার্ক ভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ফায়ার সার্ভিসের দগ্ধ ও আহত ১৫ জন কর্মীকে চট্টগ্রাম সিএমএইচসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আরো দুজন কর্মীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন উপ-সহকারী পরিচালক শাহজাহান।

এদিকে স্বজনহারাদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে চমেক হাসপাতালের আশপাশের পরিবেশ। হাসপাতালের বেডে কাতরাছেন আহতরা।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

একের পর এক আসছে লাশ, নিহত বেড়ে ৪৯

আপডেট টাইম : ০৫:৩১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুন ২০২২

ডেস্ক : সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একের পর এক আসছে লাশবাহী এম্বুলেন্স। আজ বেলা ৩টা পর্যন্ত ৪৯ জনের মরদেহ চমেক হাসপাতালের মর্গে আনা হয়। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ৮ জন কর্মীও রয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে পাঁচজনকে শনাক্ত করা গেছে। তারা হলেন- কুমিরা ফায়ার স্টেশনের নার্সিং অ্যাটেনডেন্ট হিসেবে কর্মরত বাঁশাখালী উপজেলার ছনুয়া ইউনিয়নের মধুখালী গ্রামের মনিরুজ্জামান (৩২), একই উপজেলার চারিয়ার নাপুরা এলাকার মাহমুদুর রহমানের ছেলে মো. মহিউদ্দীন (২৪), ভোলা জেলার হাবিবুর রহমান (২৬) ও রবিউল আলম (১৯)। তাদের মধ্যে মহিউদ্দীন বেসরকারি পার্ক ভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ফায়ার সার্ভিসের দগ্ধ ও আহত ১৫ জন কর্মীকে চট্টগ্রাম সিএমএইচসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আরো দুজন কর্মীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন উপ-সহকারী পরিচালক শাহজাহান।

এদিকে স্বজনহারাদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে চমেক হাসপাতালের আশপাশের পরিবেশ। হাসপাতালের বেডে কাতরাছেন আহতরা।