পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের পদোন্নতিতে অনিয়ম

বাংলার খবর২৪.কম rokea-university_54481: শুরু থেকেই চরম অনিয়ম ও দুর্নীতি চলছিল রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রতিষ্ঠার সাত বছরে পা রাখলেও অনিয়মের অভিশাপ মুক্ত হয়নি উত্তরবঙ্গের অন্যতম এ বিদ্যাপীঠটি।

এবার কর্মকর্তাদের পদোন্নতি কিংবা আপগ্রেডেশনেও মানা হয়নি কোন নীতিমালা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পদোন্নতি কিংবা আপগ্রেডেশনের জন্য ২৮ জন আবেদন করেছিলেন। নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করেই তাদের মধ্যে ১০ জন কর্মকর্তার উচ্চ পদায়ন দেওয়া হয়েছে । এদের মধ্যে ৮ জন সহকারী রেজিস্ট্রার ও ২ জন সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আপগ্রেডেশন পেয়েছেন।

বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সেকশন অফিসার, গ্রেড-১ এর জন্য স্নাতক সম্মান, মাস্টার্স ২য় শ্রেণী ও যে কোন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। অথচ ডিগ্রি কোর্স সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতাও ছাড়াই তাকে আবার সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

তারা শীর্ষ নিউজকে জানান, কর্মকর্তাদের পদোন্নতি কিংবা আপগ্রেডেশনের জন্য প্রত্যেককে বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন জমা দিতে হয়। কিন্তু এবার আমাদের কাছে থেকে এ প্রতিবেদন জমা নেওয়া হয়নি। তারপরও পদোন্নতির কমিটি করে ২৮ জনকে বাছাই প্রক্রিয়ায় রাখা হয়। অথচ বর্তমান রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোর্শেদ উল আলম রনি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বাছাই প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তারপরও বাছাই বোর্ড তাদের মধ্যে ১০ জনকে আপগ্রেডেশন দেন। পদায়নপ্রাপ্ত অনেকেই ঐ বাছাই কমিটির সদস্য ছিলেন।

অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান ভিসি ড. এ কে এম নূর উন নবীর আস্থাভাজনদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অথচ তাদের চেয়ে অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মকর্তা আছেন। তারপরও যোগ্য ব্যক্তিকে পদোন্নতি না দিয়ে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অযোগ্য ব্যক্তিকেই পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি অনেক দপ্তরে একই পদধারী কর্মকর্তা আছেন। যার ফলে অনেক সময় চেইন অব কমান্ড বিঘ্নিত হচ্ছে। কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ব্যাপারে নীতিমালার অনেক কিছুকেই তোয়াক্কা করা হয়নি।

এ ব্যাপারে কমিটির আহবায়ক ড. আর এম হাফিজুর রহমান জানান, কমিটিতে যারা সদস্য তারাই আবেদনকারী হওয়ায় আগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছিল। আর এখানে এমন কেউ নেই যার নিয়োগ অবৈধ। ইতোপূর্বে কোন বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন দেওয়া হয়নি। তাই এবারও তার ব্যাতিক্রম করা হয়নি। উপাচার্য তার ক্ষমতা বলে এটি করতেই পারেন। এতে দোষের কিছুই নাই।

ইনফরমেশন অফিসার মোহাম্মদ আলী জানান, জানামতে এমন কেউ নেই যে যোগ্য থাকার পরও তার উচ্চ পদায়ন হয়নি। তবে যারা চুক্তিভিত্তিক, তাদের কোনভাবেই উচ্চ পদায়ন করা হবে

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের পদোন্নতিতে অনিয়ম

আপডেট টাইম : ০৩:৫৩:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম rokea-university_54481: শুরু থেকেই চরম অনিয়ম ও দুর্নীতি চলছিল রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রতিষ্ঠার সাত বছরে পা রাখলেও অনিয়মের অভিশাপ মুক্ত হয়নি উত্তরবঙ্গের অন্যতম এ বিদ্যাপীঠটি।

এবার কর্মকর্তাদের পদোন্নতি কিংবা আপগ্রেডেশনেও মানা হয়নি কোন নীতিমালা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পদোন্নতি কিংবা আপগ্রেডেশনের জন্য ২৮ জন আবেদন করেছিলেন। নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করেই তাদের মধ্যে ১০ জন কর্মকর্তার উচ্চ পদায়ন দেওয়া হয়েছে । এদের মধ্যে ৮ জন সহকারী রেজিস্ট্রার ও ২ জন সহকারী পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আপগ্রেডেশন পেয়েছেন।

বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সেকশন অফিসার, গ্রেড-১ এর জন্য স্নাতক সম্মান, মাস্টার্স ২য় শ্রেণী ও যে কোন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। অথচ ডিগ্রি কোর্স সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার কোন পূর্ব অভিজ্ঞতাও ছাড়াই তাকে আবার সহকারী রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

তারা শীর্ষ নিউজকে জানান, কর্মকর্তাদের পদোন্নতি কিংবা আপগ্রেডেশনের জন্য প্রত্যেককে বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন জমা দিতে হয়। কিন্তু এবার আমাদের কাছে থেকে এ প্রতিবেদন জমা নেওয়া হয়নি। তারপরও পদোন্নতির কমিটি করে ২৮ জনকে বাছাই প্রক্রিয়ায় রাখা হয়। অথচ বর্তমান রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোর্শেদ উল আলম রনি স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ বাছাই প্রক্রিয়া স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। তারপরও বাছাই বোর্ড তাদের মধ্যে ১০ জনকে আপগ্রেডেশন দেন। পদায়নপ্রাপ্ত অনেকেই ঐ বাছাই কমিটির সদস্য ছিলেন।

অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান ভিসি ড. এ কে এম নূর উন নবীর আস্থাভাজনদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। অথচ তাদের চেয়ে অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মকর্তা আছেন। তারপরও যোগ্য ব্যক্তিকে পদোন্নতি না দিয়ে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অযোগ্য ব্যক্তিকেই পদোন্নতি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি অনেক দপ্তরে একই পদধারী কর্মকর্তা আছেন। যার ফলে অনেক সময় চেইন অব কমান্ড বিঘ্নিত হচ্ছে। কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ব্যাপারে নীতিমালার অনেক কিছুকেই তোয়াক্কা করা হয়নি।

এ ব্যাপারে কমিটির আহবায়ক ড. আর এম হাফিজুর রহমান জানান, কমিটিতে যারা সদস্য তারাই আবেদনকারী হওয়ায় আগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছিল। আর এখানে এমন কেউ নেই যার নিয়োগ অবৈধ। ইতোপূর্বে কোন বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন দেওয়া হয়নি। তাই এবারও তার ব্যাতিক্রম করা হয়নি। উপাচার্য তার ক্ষমতা বলে এটি করতেই পারেন। এতে দোষের কিছুই নাই।

ইনফরমেশন অফিসার মোহাম্মদ আলী জানান, জানামতে এমন কেউ নেই যে যোগ্য থাকার পরও তার উচ্চ পদায়ন হয়নি। তবে যারা চুক্তিভিত্তিক, তাদের কোনভাবেই উচ্চ পদায়ন করা হবে