অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল

রুপগঞ্জে ফেন্সি সহ দুইজন কে আটক করল গোয়েন্দা পুলিশ

কাসিফ দিপু :index_54662 ফেন্সি সহ দুইজন কে আটক করলেন গোয়েন্দা পুলিশ। গোপন সংবাদে গতকাল  রাতে রুপগঞ্জের কায়েত পারা ইউনিয়ন এ অভিজান চালিয়ে আমজাদ নামের একজন কে ফেন্সি র ব্যাগ সহ আটক করে। আটক করার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আমজাদ জানায় সে আব্দুল্লাহ নামের একজনের হয়ে কাজ করে। কায়েত পারার পশ্চিমগাও গ্রামে বসবাস করে আব্দুল্লাহ। সেই রাতেই চনপাড়া থেকে আব্দুল্লাহ কে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রামের লোকের কাছ থেকে জানা গেছে যে আরও একবছর আগে থেকেই সে এই মাদক ব্যবসায় জড়িত। প্রায় সাত মাস আগেও সে স্টাফ কোয়াটার এক দোকানে কাজ করতো কিন্তু সেখান থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল জুতার ভিতর গাঁজা সরবারহ করার কারনে। আব্দুল্লাহরর মত অনেক ছেলে আছে যাারা এই রকম মাদক সরবারহ এর কাজে সম্প্রিক্ত। তাই সব বাবা মায়ের উচিত তার ছেলে কোথায় যায় কি করে তা খোজখবর রাখা।

Tag :

নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ

রুপগঞ্জে ফেন্সি সহ দুইজন কে আটক করল গোয়েন্দা পুলিশ

আপডেট টাইম : ০৩:৪০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৪

কাসিফ দিপু :index_54662 ফেন্সি সহ দুইজন কে আটক করলেন গোয়েন্দা পুলিশ। গোপন সংবাদে গতকাল  রাতে রুপগঞ্জের কায়েত পারা ইউনিয়ন এ অভিজান চালিয়ে আমজাদ নামের একজন কে ফেন্সি র ব্যাগ সহ আটক করে। আটক করার পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আমজাদ জানায় সে আব্দুল্লাহ নামের একজনের হয়ে কাজ করে। কায়েত পারার পশ্চিমগাও গ্রামে বসবাস করে আব্দুল্লাহ। সেই রাতেই চনপাড়া থেকে আব্দুল্লাহ কে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রামের লোকের কাছ থেকে জানা গেছে যে আরও একবছর আগে থেকেই সে এই মাদক ব্যবসায় জড়িত। প্রায় সাত মাস আগেও সে স্টাফ কোয়াটার এক দোকানে কাজ করতো কিন্তু সেখান থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল জুতার ভিতর গাঁজা সরবারহ করার কারনে। আব্দুল্লাহরর মত অনেক ছেলে আছে যাারা এই রকম মাদক সরবারহ এর কাজে সম্প্রিক্ত। তাই সব বাবা মায়ের উচিত তার ছেলে কোথায় যায় কি করে তা খোজখবর রাখা।