অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

বাংলাদেশে সহিংসতার ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ তদন্ত চায় যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক: বাংলাদেশে বড় একটি রাজনৈতিক দলের বিক্ষোভের আগে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর সহিংসতার পূর্ণাঙ্গ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত চায় যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে সব পক্ষকে সহিংসতা থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দপ্তর (হোয়াইট হাউজ) শুক্রবার এই আহ্বান জানায়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। খবর রয়টার্সসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিরোধী দল বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের ওপর বুধবার পুলিশ গুলি চালালে একজন নিহত ও ৬০ জনের বেশি আহত হন। ভয়েস অব আমেরিকার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঢাকায় শনিবার বিএনপির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে গত মাসে বিএনপির কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই বিক্ষোভে ১০ লাখ লোক অংশ নিতে পারে বলে দলটির নেতাকর্মীরা বলে আসছিলেন।

হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, এসব ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি ‘খুব, খুবই নিবিড়ভাবে’ পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের ভয়ভীতি, হুমকি, হয়রানি ও সহিংসতামুক্ত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অধিকারের দাবি যুক্তরাষ্ট্র অব্যাহতভাবে জানিয়ে আসছে।

জন কিরবি আরও বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে এবং সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে বাংলাদেশের সব পক্ষের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা চাই, তারা হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন থেকে বিরত থাকবে। কোনো দল কিংবা প্রার্থীকে হুমকি, অন্য কোনো দলের বিরুদ্ধে উসকানি বা সহিংস আচরণ করা যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।

এদিকে মানুষকে সমাবেশের অধিকার দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক। বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি। প্রশ্নোত্তর পর্বটি জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে দুজারিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির মাধ্যমে জাতিসংঘের অবস্থান তুলে ধরেছি। জনগণ শান্তিপূর্ণ সমাবেশে অংশগ্রহণ করবে, এ সুযোগ করে দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে যাদের আটক করা হয়েছে তাদের যথাযথ আইনি অধিকার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিরোধীদের ওপর নৃশংস হামলা-হিউম্যান রাইটস ওয়াচ: নিজের রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকে শেখ হাসিনা কখনো চ্যালেঞ্জের মুখে ভিত ছিলেন না। ৮০ দশকে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি কয়েকবার কারাভোগ করেছেন। ১৯৯১ সালে নির্বাচন হয় এবং দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসে। কিন্তু ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পরিবর্তন ঘটে। তার সরকারের অধীনে আয়োজিত নির্বাচনে ভীতি প্রদর্শন ও প্রতারণার অভিযোগ আছে। আগামী ২০২৪ সালের নির্বাচনে চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসতে শেখ হাসিনা ও তার সরকার বিরোধ দল বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচি বানচাল করতে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। বৃহস্পতিবার দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, যে হাত আমাদের আঘাত করতে আসবে সেই হাত ভেঙে দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

এতে আরও বলা হয়, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বড় ধরনের সমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় আওয়ামী লীগ বিরোধীদের (বিএনপি) সমাবেশের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে। গণমাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, রাস্তায় কোনো ধরনের সমাবেশ সরকার বরদাশত করবে না। সংঘাত দমনের আড়ালে পুলিশ শহরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে, শহরের প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসায় এবং বাস ও প্রাইভেকারে তল্লাশি চালায়। তবে বিরোধী দলের সমর্থকদের ভয় দেখাতেই পুলিশ এসব করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭ ডিসেম্বর পুলিশ, আওয়ামী লীগ এবং বিরোধী দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়। বিএনপির সদর দপ্তরে অভিযান চালানো হয় এবং বিরোধী দলের হাজারো নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার সমালোচনা করেছেন বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ‘ভীতিকর পরিবেশ’ সৃষ্টির জন্যও তিনি সরকারকে অভিযুক্ত করেন। এর একদিন পর সরকার তাকে এবং দলের আরেক নেতা মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলার উসকানি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। শেখ হাসিনার উচিত গণতান্ত্রিক শাসনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা, কর্তৃত্ববাদ নয়।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

বাংলাদেশে সহিংসতার ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ তদন্ত চায় যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট টাইম : ০৪:২৮:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২২

ডেস্ক: বাংলাদেশে বড় একটি রাজনৈতিক দলের বিক্ষোভের আগে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর সহিংসতার পূর্ণাঙ্গ, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত চায় যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে সব পক্ষকে সহিংসতা থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দপ্তর (হোয়াইট হাউজ) শুক্রবার এই আহ্বান জানায়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর নৃশংস হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ। খবর রয়টার্সসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিরোধী দল বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের ওপর বুধবার পুলিশ গুলি চালালে একজন নিহত ও ৬০ জনের বেশি আহত হন। ভয়েস অব আমেরিকার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঢাকায় শনিবার বিএনপির পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে গত মাসে বিএনপির কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই বিক্ষোভে ১০ লাখ লোক অংশ নিতে পারে বলে দলটির নেতাকর্মীরা বলে আসছিলেন।

হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তাবিষয়ক মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, এসব ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি ‘খুব, খুবই নিবিড়ভাবে’ পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের ভয়ভীতি, হুমকি, হয়রানি ও সহিংসতামুক্ত শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অধিকারের দাবি যুক্তরাষ্ট্র অব্যাহতভাবে জানিয়ে আসছে।

জন কিরবি আরও বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে এবং সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে বাংলাদেশের সব পক্ষের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা চাই, তারা হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন থেকে বিরত থাকবে। কোনো দল কিংবা প্রার্থীকে হুমকি, অন্য কোনো দলের বিরুদ্ধে উসকানি বা সহিংস আচরণ করা যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।

এদিকে মানুষকে সমাবেশের অধিকার দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক। বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি। প্রশ্নোত্তর পর্বটি জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে দুজারিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির মাধ্যমে জাতিসংঘের অবস্থান তুলে ধরেছি। জনগণ শান্তিপূর্ণ সমাবেশে অংশগ্রহণ করবে, এ সুযোগ করে দেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে যাদের আটক করা হয়েছে তাদের যথাযথ আইনি অধিকার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিরোধীদের ওপর নৃশংস হামলা-হিউম্যান রাইটস ওয়াচ: নিজের রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকে শেখ হাসিনা কখনো চ্যালেঞ্জের মুখে ভিত ছিলেন না। ৮০ দশকে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি কয়েকবার কারাভোগ করেছেন। ১৯৯১ সালে নির্বাচন হয় এবং দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসে। কিন্তু ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পরিবর্তন ঘটে। তার সরকারের অধীনে আয়োজিত নির্বাচনে ভীতি প্রদর্শন ও প্রতারণার অভিযোগ আছে। আগামী ২০২৪ সালের নির্বাচনে চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় আসতে শেখ হাসিনা ও তার সরকার বিরোধ দল বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচি বানচাল করতে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। বৃহস্পতিবার দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, যে হাত আমাদের আঘাত করতে আসবে সেই হাত ভেঙে দিতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

এতে আরও বলা হয়, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বড় ধরনের সমাবেশ করার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় আওয়ামী লীগ বিরোধীদের (বিএনপি) সমাবেশের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে। গণমাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, রাস্তায় কোনো ধরনের সমাবেশ সরকার বরদাশত করবে না। সংঘাত দমনের আড়ালে পুলিশ শহরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে, শহরের প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসায় এবং বাস ও প্রাইভেকারে তল্লাশি চালায়। তবে বিরোধী দলের সমর্থকদের ভয় দেখাতেই পুলিশ এসব করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৭ ডিসেম্বর পুলিশ, আওয়ামী লীগ এবং বিরোধী দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত ও ৫০ জন আহত হয়। বিএনপির সদর দপ্তরে অভিযান চালানো হয় এবং বিরোধী দলের হাজারো নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ার সমালোচনা করেছেন বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ‘ভীতিকর পরিবেশ’ সৃষ্টির জন্যও তিনি সরকারকে অভিযুক্ত করেন। এর একদিন পর সরকার তাকে এবং দলের আরেক নেতা মির্জা আব্বাসকে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলার উসকানি দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। শেখ হাসিনার উচিত গণতান্ত্রিক শাসনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা, কর্তৃত্ববাদ নয়।