পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

ডেমরায় আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ এর অভিযোগে ১১ জন গ্রেফতার

রাজধানীর ডেমরায় ফেসি ইন নামে একটি আবাসিক হোটেলে পুলিশের অভিযানে পতিতা, খদ্দের ও হোটেল কর্তৃপক্ষসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধার পরে গোপন সংবাদের হোটেলটির ৪ জন ষ্টাফ, আগত ৪ জন পতিতা ও ৩ জন খদ্দেরকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাঁদের কাছে থাকা ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠিয়েছে ডেমরা থানা­-পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—হোটেল ফেসি ইনের সহকারী ম্যানেজার মো. শুভ (২২), ক্যাশিয়ার মো. পারভেজ (২৩), স্টাফ মো. আলাউদ্দিন (৩৪), হোটেল বয় মো. সোহেল (২৬), খদ্দের মো. আল আমীন (২৫), রফিকুল ইসলাম (৩৪), মো. রাব্বী (২৫)। এবং পতিতা কাজল (২৫), মোছা. স্মৃতি জাহান ওরফে মিম (২৪), মোছা. ডালিয়া (২৭) ও মোছা. শাকিলা অক্তার তাবাসুম (২৪)।

এদিকে অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হোটেলের মালিক জয় (৩৮) ও ম্যানেজার মো. আফজাল (৩৫) পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে শুক্রবার রাতেই গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে ডেমরা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিপূর্বেও এ হোটেলে এমন অসামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার কারণে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ও ডেমরা থানায় মামলা হয়েছে। রাজধানীর ডেমরায় দেহ ব্যবসার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃতরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত কতিপয় অসাধু ব্যক্তি স্থানীয় প্রভাবশালী ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে ডেমরার মীরপাড়ায় ফেসি ইন হোটেলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উঠতি বয়সের যুবতী মহিলাদের একত্রিত করে অবৈধ দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে নারীদের একত্রিত এখানে যৌনাচার ও নিপীড়নমূলক কার্য পরিচালনাও করা হচ্ছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ডেমরা থানায় যোগদানের পর থেকেই এ আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়ে কর্তৃপক্ষকে নিষেধ করেছি। কয়েকদিন বন্ধ থাকার পরে তাঁরা আবার ওই কাজ শুরু করেছে—এমন খবর পেয়ে হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

ডেমরায় আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ এর অভিযোগে ১১ জন গ্রেফতার

আপডেট টাইম : ০৫:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাজধানীর ডেমরায় ফেসি ইন নামে একটি আবাসিক হোটেলে পুলিশের অভিযানে পতিতা, খদ্দের ও হোটেল কর্তৃপক্ষসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধার পরে গোপন সংবাদের হোটেলটির ৪ জন ষ্টাফ, আগত ৪ জন পতিতা ও ৩ জন খদ্দেরকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাঁদের কাছে থাকা ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠিয়েছে ডেমরা থানা­-পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—হোটেল ফেসি ইনের সহকারী ম্যানেজার মো. শুভ (২২), ক্যাশিয়ার মো. পারভেজ (২৩), স্টাফ মো. আলাউদ্দিন (৩৪), হোটেল বয় মো. সোহেল (২৬), খদ্দের মো. আল আমীন (২৫), রফিকুল ইসলাম (৩৪), মো. রাব্বী (২৫)। এবং পতিতা কাজল (২৫), মোছা. স্মৃতি জাহান ওরফে মিম (২৪), মোছা. ডালিয়া (২৭) ও মোছা. শাকিলা অক্তার তাবাসুম (২৪)।

এদিকে অভিযানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হোটেলের মালিক জয় (৩৮) ও ম্যানেজার মো. আফজাল (৩৫) পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে শুক্রবার রাতেই গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে ডেমরা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিপূর্বেও এ হোটেলে এমন অসামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার কারণে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ও ডেমরা থানায় মামলা হয়েছে। রাজধানীর ডেমরায় দেহ ব্যবসার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃতরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর যাবত কতিপয় অসাধু ব্যক্তি স্থানীয় প্রভাবশালী ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে ডেমরার মীরপাড়ায় ফেসি ইন হোটেলে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উঠতি বয়সের যুবতী মহিলাদের একত্রিত করে অবৈধ দেহ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে নারীদের একত্রিত এখানে যৌনাচার ও নিপীড়নমূলক কার্য পরিচালনাও করা হচ্ছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ডেমরা থানায় যোগদানের পর থেকেই এ আবাসিক হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়ে কর্তৃপক্ষকে নিষেধ করেছি। কয়েকদিন বন্ধ থাকার পরে তাঁরা আবার ওই কাজ শুরু করেছে—এমন খবর পেয়ে হোটেলে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে