অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ

রাসেলের ক্যামিওতে লড়াইয়ের পুঁজি কুমিল্লার

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে শুরুতে যে চাপে ফেলেছিল ফরচুন বরিশাল, তাতে অল্প রানেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেয় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। চাপ সামলে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন দলকে টেনে তুলেন। এরপর আন্দ্রে রাসেলের ক্যামিওতে লড়াইয়ের পুঁজি পায় লিটন কুমার দাসের দল। শুক্রবার (১ মার্চ) নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান করেছে কুমিল্লা। ১৪ বলে রাসেল করেন ২৮ রান। যদিও শেষদিকে বেশ কয়েকটি ডট খেলেন তিনি। ২৩ বলে ২০ রান করে তাকে সঙ্গ দেন জাকের আলি।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় কুমিল্লা। কাইল মেয়ার্সের তৃতীয় বলে সুনীল নারিনের ক্যাচ ছেড়ে দিলেও পঞ্চম বলে আর সুযোগ হাতছাড়া করেননি ওবেদ ম্যাককয়। শর্ট ফাইন লেগে দারুণ ক্যাচ নেন ক্যারিবিয়ান পেসার। পরের ওভারে সাইফউদ্দিনকে পিটিয়ে ১৪ রান তোলে তাওহীদ হৃদয়-লিটন দাস জুটি।

আরও পড়ুন: হাথুরু দামি কোচ, তবুও প্লেয়াররা কেন আমার কাছে আসে: সালাউদ্দিন

হৃদয় বিদায় নেন চতুর্থ ওভারে। জেমস ফুলারের বলে ডিপ থার্ডম্যান অঞ্চলে তার ক্যাচ নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১০ বলে ১৫ রান করেন কুমিল্লার এ ব্যাটার। মারতে থাকা লিটন দাস ফুলারের বলে নান্দনিকভাবে কাট করলেও বল সীমানা ছাড়া হয়নি। তা লুফে নেন রিয়াদ। ১২ বলে ১৬ রান করেন কুমিল্লা দলপতি।

ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খেতে থাকা জনসন চার্লস এদিনও রান পাননি। শম্বুকগতির ইনিংসে ১৭ বলে ১৫ রান করে ম্যাককয়ের ওভারে আউট হন তিনি। এরপর মঈন আলিকে নিয়ে ইনিংস ধরে রাখায় মনযোগী হন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। মঈন মাত্র ৩ রান করে রানআউট হন মেহেদী হাসান মিরাজের দারুণ এক থ্রোতে।

পাঁচ উইকেট চলে যাওয়ার পর জাকের আলিকে নিয়ে কুমিল্লার সংগ্রহ একশ পার করেন মাহিদুল। বিপদের সময় হাল ধরেও তিনি আউট হন খুবই বাজেভাবে। সাইফউদ্দিনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল লেগে খেলতে গিয়ে উইকেট উড়ে যায় তার। ৩৫ বলে ৩৮ রান করেন মাহিদুল। রাসেলের ইনিংসে ছিল ৪টি ছয়ের মার।

Tag :

বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ

রাসেলের ক্যামিওতে লড়াইয়ের পুঁজি কুমিল্লার

আপডেট টাইম : ০৩:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে শুরুতে যে চাপে ফেলেছিল ফরচুন বরিশাল, তাতে অল্প রানেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেয় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। চাপ সামলে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন দলকে টেনে তুলেন। এরপর আন্দ্রে রাসেলের ক্যামিওতে লড়াইয়ের পুঁজি পায় লিটন কুমার দাসের দল। শুক্রবার (১ মার্চ) নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান করেছে কুমিল্লা। ১৪ বলে রাসেল করেন ২৮ রান। যদিও শেষদিকে বেশ কয়েকটি ডট খেলেন তিনি। ২৩ বলে ২০ রান করে তাকে সঙ্গ দেন জাকের আলি।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় কুমিল্লা। কাইল মেয়ার্সের তৃতীয় বলে সুনীল নারিনের ক্যাচ ছেড়ে দিলেও পঞ্চম বলে আর সুযোগ হাতছাড়া করেননি ওবেদ ম্যাককয়। শর্ট ফাইন লেগে দারুণ ক্যাচ নেন ক্যারিবিয়ান পেসার। পরের ওভারে সাইফউদ্দিনকে পিটিয়ে ১৪ রান তোলে তাওহীদ হৃদয়-লিটন দাস জুটি।

আরও পড়ুন: হাথুরু দামি কোচ, তবুও প্লেয়াররা কেন আমার কাছে আসে: সালাউদ্দিন

হৃদয় বিদায় নেন চতুর্থ ওভারে। জেমস ফুলারের বলে ডিপ থার্ডম্যান অঞ্চলে তার ক্যাচ নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১০ বলে ১৫ রান করেন কুমিল্লার এ ব্যাটার। মারতে থাকা লিটন দাস ফুলারের বলে নান্দনিকভাবে কাট করলেও বল সীমানা ছাড়া হয়নি। তা লুফে নেন রিয়াদ। ১২ বলে ১৬ রান করেন কুমিল্লা দলপতি।

ব্যর্থতার বৃত্তে ঘুরপাক খেতে থাকা জনসন চার্লস এদিনও রান পাননি। শম্বুকগতির ইনিংসে ১৭ বলে ১৫ রান করে ম্যাককয়ের ওভারে আউট হন তিনি। এরপর মঈন আলিকে নিয়ে ইনিংস ধরে রাখায় মনযোগী হন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। মঈন মাত্র ৩ রান করে রানআউট হন মেহেদী হাসান মিরাজের দারুণ এক থ্রোতে।

পাঁচ উইকেট চলে যাওয়ার পর জাকের আলিকে নিয়ে কুমিল্লার সংগ্রহ একশ পার করেন মাহিদুল। বিপদের সময় হাল ধরেও তিনি আউট হন খুবই বাজেভাবে। সাইফউদ্দিনের অফ স্টাম্পের বাইরের বল লেগে খেলতে গিয়ে উইকেট উড়ে যায় তার। ৩৫ বলে ৩৮ রান করেন মাহিদুল। রাসেলের ইনিংসে ছিল ৪টি ছয়ের মার।