পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

মুনাফালোভীদের হাতে রাজনীতি চলে যাচ্ছে

বাংলার খবর২৪.কম 500x350_16906319fb19d3387a3a8b6241843644_image_103938_0: যতদিন পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত করা যাবে না ততদিন পর্যন্ত রাজনৈতিক অর্থায়নের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচাক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ’ আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “রাজনৈতিক অর্থায়ন সব সময় একাকার ছিল, কিন্তু এখন সেটা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত দুটি সংসদ নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণের হার বেড়েছে। এখন শুধু রাজনীতিবিদরা রাজনীতি করে না। কিছু মুনাফালোভীদের হাতে রাজনীতি চলে যাচ্ছে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “দেশ স্বাধীন হ্ওয়ার পর আমাদের দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে ব্যবসায়ী ছিল মাত্র ১৭.৫ শতাংশ। অথচ বর্তমানে সেটা ৫৯ শতাংশে গিয়ে পৌঁছেছে। কোনো বিশেষ পেশার লোক রাজনীতিতে আসতে পারবে না সেটা আমরা বলি না। তবে এই যে ধারাটি তা হলো- রাজনীতি এবং রাজনৈতিক অবস্থান বর্তমানে একটি মুনাফা লাভের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই গবেষক বলেন, “জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রাধান্য দেয়া প্রয়োজন। নেপাল ও ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে বাংলাদেশের আইনী কাঠামো ভালো। তবে চর্চার দিক থেকে খুবই খারাপ। আইন রয়েছে, তার যথাযথ প্রয়োগ করতে পারি না। সে ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো ও নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা রয়েছে।

তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত নির্বাচনী ব্যয়ের যে সুন্দর তালিকাটি আমরা দেখি। তার বাইরে শুধু নির্বাচনী ব্যয়ের উপরেই আলাদা একটা দৃশ্যপট আছে। আমাদের মাঠ পযায়ে অভিজ্ঞতা হল-নির্বাচন কেন্দ্রীক ব্যয়ের যে দৃশ্যমান হিসাব দেয়া হয় তার বাইরে অদৃশ্য ব্যয়ের পরিমাণ অনেক বেশি। এ ক্ষেত্রে মনোনয়ন বাণিজ্যের কথা বলা যেতে পারে-যেটাকে বলা যায় একটা ‘ব্লাক ম্যাজিক এরিয়া’। এই এরিয়াতে মনোনয়নের মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থের লেনদেন হয়।

ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পরিচালনা কমিটির সদস্য হারুন অর রশিদের পরিচালনায় গোলটেবিল আলোচনায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম মুহম্মদ কাদের, ডেমোক্রেসি ওয়াচের নির্বাহী পরিচালক তালেয়া রেহমান, ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পরিচালক আব্দুল আলীম প্রমুখ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

মুনাফালোভীদের হাতে রাজনীতি চলে যাচ্ছে

আপডেট টাইম : ০২:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কম 500x350_16906319fb19d3387a3a8b6241843644_image_103938_0: যতদিন পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত করা যাবে না ততদিন পর্যন্ত রাজনৈতিক অর্থায়নের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচাক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ’ আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “রাজনৈতিক অর্থায়ন সব সময় একাকার ছিল, কিন্তু এখন সেটা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত দুটি সংসদ নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণের হার বেড়েছে। এখন শুধু রাজনীতিবিদরা রাজনীতি করে না। কিছু মুনাফালোভীদের হাতে রাজনীতি চলে যাচ্ছে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, “দেশ স্বাধীন হ্ওয়ার পর আমাদের দেশের সংসদ সদস্যদের মধ্যে ব্যবসায়ী ছিল মাত্র ১৭.৫ শতাংশ। অথচ বর্তমানে সেটা ৫৯ শতাংশে গিয়ে পৌঁছেছে। কোনো বিশেষ পেশার লোক রাজনীতিতে আসতে পারবে না সেটা আমরা বলি না। তবে এই যে ধারাটি তা হলো- রাজনীতি এবং রাজনৈতিক অবস্থান বর্তমানে একটি মুনাফা লাভের মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই গবেষক বলেন, “জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রাধান্য দেয়া প্রয়োজন। নেপাল ও ইন্দোনেশিয়ার চেয়ে বাংলাদেশের আইনী কাঠামো ভালো। তবে চর্চার দিক থেকে খুবই খারাপ। আইন রয়েছে, তার যথাযথ প্রয়োগ করতে পারি না। সে ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো ও নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা রয়েছে।

তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত নির্বাচনী ব্যয়ের যে সুন্দর তালিকাটি আমরা দেখি। তার বাইরে শুধু নির্বাচনী ব্যয়ের উপরেই আলাদা একটা দৃশ্যপট আছে। আমাদের মাঠ পযায়ে অভিজ্ঞতা হল-নির্বাচন কেন্দ্রীক ব্যয়ের যে দৃশ্যমান হিসাব দেয়া হয় তার বাইরে অদৃশ্য ব্যয়ের পরিমাণ অনেক বেশি। এ ক্ষেত্রে মনোনয়ন বাণিজ্যের কথা বলা যেতে পারে-যেটাকে বলা যায় একটা ‘ব্লাক ম্যাজিক এরিয়া’। এই এরিয়াতে মনোনয়নের মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থের লেনদেন হয়।

ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পরিচালনা কমিটির সদস্য হারুন অর রশিদের পরিচালনায় গোলটেবিল আলোচনায় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম মুহম্মদ কাদের, ডেমোক্রেসি ওয়াচের নির্বাহী পরিচালক তালেয়া রেহমান, ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপের পরিচালক আব্দুল আলীম প্রমুখ।