
ঢাকা : ইনফরমেশন টেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ার্স এক্সামিনেশনে (আইটিইই) অংশ নিয়ে প্রথম বারের মতো ১০ জন বাংলাদেশি গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য পেয়েছে। ইনফরমেশন টেকনোলজি প্রোফেশনালস এক্সামিনেশন কাউন্সিল(আইটিপিইসি’র) সদস্যপদ লাভের পর এ সাফল্য পেলো তারা।
বিডি-আইটেকের প্রকল্প পরিচালক মো. এনামুল কবির আইটিইই কর্তৃক্ষের তথ্য অনুযায়ী সোমবার এ ফলাফল প্রকাশ করেন।
গত ২৬ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েটে একযোগে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) সহযোগিতায় বাংলাদেশের ১৮২ জন আইটি পেশাদার সম্পূর্র্ণ বিনা খরচে আইটিইই পরীক্ষায় অংশ নেন।
বিডি-আইটেকের প্রকল্প পরিচালক মো. এনামুল কবির বলেন, আইটিইইতে বাংলাদেশের এ সাফল্য আইটি পেশাজীবীদের কাজের গতি বৃদ্ধির পাশাপাশি বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে নতুন পরিচয়ে পরিচিত করেছে।
জাইকা আইটিইই-এর প্রধান উপদেষ্টা হিদিয়ো হোয়া বলেন, তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে তার প্রমাণ মিললো এ ফলাফলের মাধ্যমে। এ সার্টিফিকেট বাংলাদেশি আইটি পেশাদারদের আন্তর্জাতিক চাকরির বাজারে প্রবেশের পথ অনেকটাই সহজ করছে।
উল্লেখ্য, আইটিইই জাপানে আইটি প্রোফেশনালদের মান নিয়ন্ত্রক জাতীয় পরীক্ষা পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত এবং বছরে পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে থাকে। এশিয়ার ১৩টি দেশে মিউচ্যুয়ালি এই পদ্ধতি চালু আছে।
বাংলাদেশে এই পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর ফলে দেশের আইটি পেশাজীবীরা তাদের দক্ষতার পরিমাপ করতে পারছেন।এই সার্টিফিকেট অর্জনের ফলে দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এর অধীন ‘বাংলাদেশ আইটি ইঞ্জিনিয়ার্স এক্সামিনেশন সেন্টার (বিডি-আইটেক)’ এর মাধ্যমে দেশে জাপান সরকারের সহায়তায় তথ্য প্রযুক্তি পেশাজীবীদের দক্ষতা পরিমাপক আইটিইই পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করা হয়।
বাংলার খবর ডেস্ক : 

























