অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা পাচ্ছে সংসদ: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

বাংলার খবর২৪.কমcab-pic._48061: সংবিধানের ১৬তম সংশোধনী আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে, বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরে পাচ্ছে সংসদ।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ খসড়ায় বিচারপতি অপসারণে বর্তমানে প্রচলিত বিধান ‘জুডিশিয়াল কাউন্সিল’ থাকছে না। এতে বিচারপতিদের অভিযোগ অনুসন্ধান, তদন্ত, অভিযোগ ওঠা বিচারপতিদের দক্ষতা-অদক্ষতা যাচাইয়ের আলাদা একটি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিচার বিভাগ-সংশ্লিষ্টদের নিয়ে পৃথক একটি কমিশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

১৯৭২ সালের সংবিধানের বিধান ফিরিয়ে আনতে এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১৯৭২ সালের সংবিধানে ‘বিচারকদের পদের মেয়াদ’ শীর্ষক ৯৬ অনুচ্ছেদে দুই দফায় উল্লেখ ছিল, ‘প্রমাণিত ও অসদাচরণের কারণে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোনো বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।’ ১৯৭৭ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক সামরিক ফরমানবলে সংবিধানের ওই অনুচ্ছেদ বাতিল করে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল’-এর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের বিধান প্রতিষ্ঠা করেন।

উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দেয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে আওয়ামী লীগের গত সরকারের মেয়াদে। তবে ২০১২ সালে তৎকালীন স্পিকার ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের একটি রুলিংকে কেন্দ্র করে বিচার বিভাগের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদ, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তসহ সিনিয়র সংসদ সদস্যরা হাইকোর্টের একজন বিচারপতিকে অপসারণের দাবি তোলেন। সে সময়ই বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে আনার দাবি জোরালো হয়।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা পাচ্ছে সংসদ: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

আপডেট টাইম : ০৮:৩১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমcab-pic._48061: সংবিধানের ১৬তম সংশোধনী আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে, বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরে পাচ্ছে সংসদ।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ খসড়ায় বিচারপতি অপসারণে বর্তমানে প্রচলিত বিধান ‘জুডিশিয়াল কাউন্সিল’ থাকছে না। এতে বিচারপতিদের অভিযোগ অনুসন্ধান, তদন্ত, অভিযোগ ওঠা বিচারপতিদের দক্ষতা-অদক্ষতা যাচাইয়ের আলাদা একটি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিচার বিভাগ-সংশ্লিষ্টদের নিয়ে পৃথক একটি কমিশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

১৯৭২ সালের সংবিধানের বিধান ফিরিয়ে আনতে এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১৯৭২ সালের সংবিধানে ‘বিচারকদের পদের মেয়াদ’ শীর্ষক ৯৬ অনুচ্ছেদে দুই দফায় উল্লেখ ছিল, ‘প্রমাণিত ও অসদাচরণের কারণে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোনো বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।’ ১৯৭৭ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক সামরিক ফরমানবলে সংবিধানের ওই অনুচ্ছেদ বাতিল করে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল’-এর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের বিধান প্রতিষ্ঠা করেন।

উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দেয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে আওয়ামী লীগের গত সরকারের মেয়াদে। তবে ২০১২ সালে তৎকালীন স্পিকার ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের একটি রুলিংকে কেন্দ্র করে বিচার বিভাগের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদ, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তসহ সিনিয়র সংসদ সদস্যরা হাইকোর্টের একজন বিচারপতিকে অপসারণের দাবি তোলেন। সে সময়ই বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে আনার দাবি জোরালো হয়।