অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo বাড়ির উঠানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ Logo মিরপুর বিআরটিএতে দালাল চক্রের ২ সদস্য আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩০ দিনের কারাদণ্ড Logo পাটগ্রামে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান Logo জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৮ জন : বিআরটিএ Logo দায়িত্ব নিয়ে স্কুল পরিদর্শনে নবনির্বাচিত সভাপতি Logo লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে ট্রাকের চাপায় ইজিবাইকের দুই যাত্রী নিহত Logo তিস্তায় নতুন ব্যারাজ নির্মাণের পরামর্শ কারিগরি কমিটির Logo এক দিন ছুটি নিলেই টানা ৪ দিনের ছুটি Logo স্বামী চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর মিলল গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ Logo খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ

বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা পাচ্ছে সংসদ: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

বাংলার খবর২৪.কমcab-pic._48061: সংবিধানের ১৬তম সংশোধনী আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে, বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরে পাচ্ছে সংসদ।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ খসড়ায় বিচারপতি অপসারণে বর্তমানে প্রচলিত বিধান ‘জুডিশিয়াল কাউন্সিল’ থাকছে না। এতে বিচারপতিদের অভিযোগ অনুসন্ধান, তদন্ত, অভিযোগ ওঠা বিচারপতিদের দক্ষতা-অদক্ষতা যাচাইয়ের আলাদা একটি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিচার বিভাগ-সংশ্লিষ্টদের নিয়ে পৃথক একটি কমিশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

১৯৭২ সালের সংবিধানের বিধান ফিরিয়ে আনতে এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১৯৭২ সালের সংবিধানে ‘বিচারকদের পদের মেয়াদ’ শীর্ষক ৯৬ অনুচ্ছেদে দুই দফায় উল্লেখ ছিল, ‘প্রমাণিত ও অসদাচরণের কারণে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোনো বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।’ ১৯৭৭ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক সামরিক ফরমানবলে সংবিধানের ওই অনুচ্ছেদ বাতিল করে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল’-এর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের বিধান প্রতিষ্ঠা করেন।

উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দেয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে আওয়ামী লীগের গত সরকারের মেয়াদে। তবে ২০১২ সালে তৎকালীন স্পিকার ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের একটি রুলিংকে কেন্দ্র করে বিচার বিভাগের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদ, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তসহ সিনিয়র সংসদ সদস্যরা হাইকোর্টের একজন বিচারপতিকে অপসারণের দাবি তোলেন। সে সময়ই বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে আনার দাবি জোরালো হয়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ির উঠানে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ, স্বামীর পরিবারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা পাচ্ছে সংসদ: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন

আপডেট টাইম : ০৮:৩১:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৪

বাংলার খবর২৪.কমcab-pic._48061: সংবিধানের ১৬তম সংশোধনী আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর ফলে, বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরে পাচ্ছে সংসদ।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

এ খসড়ায় বিচারপতি অপসারণে বর্তমানে প্রচলিত বিধান ‘জুডিশিয়াল কাউন্সিল’ থাকছে না। এতে বিচারপতিদের অভিযোগ অনুসন্ধান, তদন্ত, অভিযোগ ওঠা বিচারপতিদের দক্ষতা-অদক্ষতা যাচাইয়ের আলাদা একটি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিচার বিভাগ-সংশ্লিষ্টদের নিয়ে পৃথক একটি কমিশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

১৯৭২ সালের সংবিধানের বিধান ফিরিয়ে আনতে এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ১৯৭২ সালের সংবিধানে ‘বিচারকদের পদের মেয়াদ’ শীর্ষক ৯৬ অনুচ্ছেদে দুই দফায় উল্লেখ ছিল, ‘প্রমাণিত ও অসদাচরণের কারণে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোনো বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।’ ১৯৭৭ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এক সামরিক ফরমানবলে সংবিধানের ওই অনুচ্ছেদ বাতিল করে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল’-এর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের বিধান প্রতিষ্ঠা করেন।

উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে দেয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে আওয়ামী লীগের গত সরকারের মেয়াদে। তবে ২০১২ সালে তৎকালীন স্পিকার ও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের একটি রুলিংকে কেন্দ্র করে বিচার বিভাগের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য তোফায়েল আহমেদ, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্তসহ সিনিয়র সংসদ সদস্যরা হাইকোর্টের একজন বিচারপতিকে অপসারণের দাবি তোলেন। সে সময়ই বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে আনার দাবি জোরালো হয়।