পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

‘কাউকে ধ্বংস করে জয়ের আনন্দ উপভোগ করা যায় না’

ঢাকা : কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, “কাউকে ধ্বংস করে জয়ের আনন্দ উপভোগ করা যায় না। অথচ বর্তমান সরকার চায় বিএনপিকে ধ্বংস করতে, আর বিএনপি ভাবে ক্ষতমায় গেলে তারা আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করবে।”

বুধবার বিকেলে অবস্থান কর্মসূচির ৫০ তম দিনে মতিঝিলের দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে কাদের সিদ্দিকী বলেন,“ আওয়ামী লীগকে মানুষের মন থেকে নিশ্চিহ্ন করতে না চাইলে অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন দিন। তা না হলে এমন সময় আসবে যেদিন আপনি প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট, নির্বাচন কমিশনার এমনকি সেনাপ্রধান হয়েও নির্বাচিত হতে পারবেন না।”

তিনি বলেন, “১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের জেনারেল নিয়াজীকে বলেছিলাম, আপনি আত্মসমর্পণ করুন। আপনার সঙ্গে জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজও বলছি নির্বাচনে পরাজিত হলে, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদেরও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।”

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, “এখনও সময় আছে আপনি অবরোধ-হরতাল প্রত্যাহার করুন। গত বছরের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন বাংলার কেউ মানে না। আমরা নতুন নির্বাচনের দাবি আদায় করেই ছাড়বো।”

তিনি আরো বলেন, “দেশের আজকের সংকটের জন্য ৫ জানুয়ারির নির্বাচনই দায়ী।

এ সময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাসরিন কাদের সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক রিফাতুল ইসলাম দ্বীপ, ফারুক আহমেদ, সাইফুল ইসলাম শিমুল, শাহীনুর আলম, মেহেদী স¤্রাট প্রমুখ।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, “গান্ধী যখন সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেছিলেন, তখন সবাই সেই আন্দোলনের বিরোধীতা করেছিলেন। কাদের সিদ্দিকী সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেছেন। ৭২’র পর যখন দেশে নৈরাজ্য শুরু হয়েছিল তখন মাওলানা ভাসানী অহিংস আন্দোলন শুরু করেছিলেন। কাদের সিদ্দিকী এখন মাওলানা ভাসানী হতে চলেছেন।”

নাসরিন কাদের সিদ্দিকী বলেন,‘ আমার স্বামী ৫০ দিন যাবত ফুটপাতে রয়েছেন। জনগণের দাবি আদায়ের জন্য যদি আমার স্বামী ৫০ বছরও ফুটপাতে থাকেন তবুও আমার কোন আপত্তি নেই। আমি স্বামীর পাশেই থাকবো।’

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

‘কাউকে ধ্বংস করে জয়ের আনন্দ উপভোগ করা যায় না’

আপডেট টাইম : ০১:৩৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০১৫

ঢাকা : কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, “কাউকে ধ্বংস করে জয়ের আনন্দ উপভোগ করা যায় না। অথচ বর্তমান সরকার চায় বিএনপিকে ধ্বংস করতে, আর বিএনপি ভাবে ক্ষতমায় গেলে তারা আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করবে।”

বুধবার বিকেলে অবস্থান কর্মসূচির ৫০ তম দিনে মতিঝিলের দলীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে কাদের সিদ্দিকী বলেন,“ আওয়ামী লীগকে মানুষের মন থেকে নিশ্চিহ্ন করতে না চাইলে অবিলম্বে জাতীয় নির্বাচন দিন। তা না হলে এমন সময় আসবে যেদিন আপনি প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট, নির্বাচন কমিশনার এমনকি সেনাপ্রধান হয়েও নির্বাচিত হতে পারবেন না।”

তিনি বলেন, “১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের জেনারেল নিয়াজীকে বলেছিলাম, আপনি আত্মসমর্পণ করুন। আপনার সঙ্গে জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজও বলছি নির্বাচনে পরাজিত হলে, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদেরও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হবে।”

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, “এখনও সময় আছে আপনি অবরোধ-হরতাল প্রত্যাহার করুন। গত বছরের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন বাংলার কেউ মানে না। আমরা নতুন নির্বাচনের দাবি আদায় করেই ছাড়বো।”

তিনি আরো বলেন, “দেশের আজকের সংকটের জন্য ৫ জানুয়ারির নির্বাচনই দায়ী।

এ সময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাসরিন কাদের সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক রিফাতুল ইসলাম দ্বীপ, ফারুক আহমেদ, সাইফুল ইসলাম শিমুল, শাহীনুর আলম, মেহেদী স¤্রাট প্রমুখ।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, “গান্ধী যখন সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেছিলেন, তখন সবাই সেই আন্দোলনের বিরোধীতা করেছিলেন। কাদের সিদ্দিকী সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেছেন। ৭২’র পর যখন দেশে নৈরাজ্য শুরু হয়েছিল তখন মাওলানা ভাসানী অহিংস আন্দোলন শুরু করেছিলেন। কাদের সিদ্দিকী এখন মাওলানা ভাসানী হতে চলেছেন।”

নাসরিন কাদের সিদ্দিকী বলেন,‘ আমার স্বামী ৫০ দিন যাবত ফুটপাতে রয়েছেন। জনগণের দাবি আদায়ের জন্য যদি আমার স্বামী ৫০ বছরও ফুটপাতে থাকেন তবুও আমার কোন আপত্তি নেই। আমি স্বামীর পাশেই থাকবো।’