অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

সোনালী আঁশের নতুন সংকট

ফারুক আহমেদ সুজন : প্ল­াস্টিকের পণ্যের আগ্রাসনে সোনালী আঁশের সেই রমরমা দিন বিদায় নিয়েছে অনেক আগেই। তারপরও নানা প্রতিকূলতার মাঝে চলতি ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দেশে এবং দেশের বাইরের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে নতুন করে বিপাকে এ খাত। একদিকে টানা অবরোধ ও হরতালের কারণে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে বহির্বিশ্বে গৃহযুদ্ধের কারণে সংকুচিত হচ্ছে রপ্তানি বাজার।

এ উভয় সংকট চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে সংশ্লিষ্টদের কপালে। তাদের আশঙ্কা, বাজার ধরে রাখতে না পারলে এক সময়ের প্রধান রপ্তানি পণ্যটি বিলুপ্তির মুখে পড়তে পারে।

গত ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ।

এ আশার আলোতে মেঘের মতো অযাচিত প্রতিবন্ধকতার ছায়া হয়ে দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। একদিকে আড়াই মাসের বেশি সময় ধরে টানা অবরোধ ও হরতালের কারণে দেশে পাটের উৎপাদন ও সরবরাহ যেমন বিঘিœত হচ্ছে। এতে খরচ বাড়ছে। আবার অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যসহ ক্রেতা দেশসমূহে গৃহযুদ্ধের কারণে বাজার হারাতে বসেছেন দেশি রপ্তানিকারকরা।

এ সম্পর্কে বিজেএমএ সেক্রেটারি এ. বারেক খান বলেন, পাটে সমস্যা তো লেগেই আছে। দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এ খাত নতুন করে সমস্যার মুখে পড়েছে।

বারেক বলেন, দেশে হরতাল-অবরোধকে ঘিরে পরিবহন ব্যয় ৩ থেকে ৪ গুণ বৃদ্ধি বেড়ে গেছে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়লেও পাটের বিক্রয়মূল্য বৃদ্ধি না পাওয়ায় লোকসান গুণছেন রপ্তানিকারকরা। সিরিয়া, ইরাকসহ ক্রেতা দেশসমূহে গৃহযুদ্ধের কারণে পাটের রপ্তানি বাজারও ক্রমাগতভাবে সংকুচিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের অস্থিরতার মধ্যে ব্যবসা ধরে রাখতে গেলে বিক্রয়মূল্য বাড়াতে হবে। এতে ক্রেতারা বিকল্প খুঁজে নিতে পারেন, যার ফলে আমাদের বাজার হারাতে হতে পারে। কিন্তু দেশে শান্তি আসলে, খরচ কমে আসবে। এতে এ দুঃসময়ে পাট অন্তত টিকে থাকার সুযোগ পাবে।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সোনালী আঁশের নতুন সংকট

আপডেট টাইম : ০৪:৪৯:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০১৫

ফারুক আহমেদ সুজন : প্ল­াস্টিকের পণ্যের আগ্রাসনে সোনালী আঁশের সেই রমরমা দিন বিদায় নিয়েছে অনেক আগেই। তারপরও নানা প্রতিকূলতার মাঝে চলতি ২০১৪-২০১৫ অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দেশে এবং দেশের বাইরের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে নতুন করে বিপাকে এ খাত। একদিকে টানা অবরোধ ও হরতালের কারণে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে বহির্বিশ্বে গৃহযুদ্ধের কারণে সংকুচিত হচ্ছে রপ্তানি বাজার।

এ উভয় সংকট চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে সংশ্লিষ্টদের কপালে। তাদের আশঙ্কা, বাজার ধরে রাখতে না পারলে এক সময়ের প্রধান রপ্তানি পণ্যটি বিলুপ্তির মুখে পড়তে পারে।

গত ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ।

এ আশার আলোতে মেঘের মতো অযাচিত প্রতিবন্ধকতার ছায়া হয়ে দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। একদিকে আড়াই মাসের বেশি সময় ধরে টানা অবরোধ ও হরতালের কারণে দেশে পাটের উৎপাদন ও সরবরাহ যেমন বিঘিœত হচ্ছে। এতে খরচ বাড়ছে। আবার অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যসহ ক্রেতা দেশসমূহে গৃহযুদ্ধের কারণে বাজার হারাতে বসেছেন দেশি রপ্তানিকারকরা।

এ সম্পর্কে বিজেএমএ সেক্রেটারি এ. বারেক খান বলেন, পাটে সমস্যা তো লেগেই আছে। দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এ খাত নতুন করে সমস্যার মুখে পড়েছে।

বারেক বলেন, দেশে হরতাল-অবরোধকে ঘিরে পরিবহন ব্যয় ৩ থেকে ৪ গুণ বৃদ্ধি বেড়ে গেছে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়লেও পাটের বিক্রয়মূল্য বৃদ্ধি না পাওয়ায় লোকসান গুণছেন রপ্তানিকারকরা। সিরিয়া, ইরাকসহ ক্রেতা দেশসমূহে গৃহযুদ্ধের কারণে পাটের রপ্তানি বাজারও ক্রমাগতভাবে সংকুচিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের অস্থিরতার মধ্যে ব্যবসা ধরে রাখতে গেলে বিক্রয়মূল্য বাড়াতে হবে। এতে ক্রেতারা বিকল্প খুঁজে নিতে পারেন, যার ফলে আমাদের বাজার হারাতে হতে পারে। কিন্তু দেশে শান্তি আসলে, খরচ কমে আসবে। এতে এ দুঃসময়ে পাট অন্তত টিকে থাকার সুযোগ পাবে।