পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন জনগণ মানবে না : এমাজউদ্দীন

ঢাকা : ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মতো ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে জনগণ মানবে না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমদ।

শনিবার বিকেল চারটায় জাতীয় প্রেসক্লাবের হল রুমে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) আয়োজিত “বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা ও শহীদ জিয়া” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এমাজউদ্দীন বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ১৫৪ টি আসনে ৪ কোটি ৮২ লক্ষ জনগণকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা থেকে বিরত রাখা হয়। বাকি আসনে ৬০ শতাংশ জনগণ প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে। বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে যদি প্রশ্নবিদ্ধ করা হয় তাহলে বাংলাদেশের জনগণ সহ্য করবে না।

তিনি বলেন, বর্তমান সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে কথা বলেছি। বর্তমান নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি জানিয়েছি। নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা না হলে, নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে। নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হলে মিছিল-মিটিং অপরিহার্য। কিন্তু এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে ইসি কোন পদক্ষেপ নেয় নি।

জিয়াউর রহমানকে আওয়ামী লীগের একজন প্রতিষ্ঠাতা দাবি করে এমাজউদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ অর্থাৎ বাকশাল গঠনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এমনকি সে সময় আওয়ামী লীগও রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে ইপিআর গঠন করার মাধ্যমে সকল রাজনৈতিক দলকে রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলো। সে সময় আওয়ামী লীগও রাজনৈতিক দল হিসেবে পুন:জীবিত হয়েছিল। এ হিসেবে কেউ যদি বলে জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা তাহলে মিথ্যা নয়।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের যদি প্রথম সৈনিক হিসেবে কাউকে চিহ্নিত করা হয় তিনি জিয়াউর রহমান। কারণ সংকটময় মুহূর্তে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা না করলে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্ম প্রকাশ করতো না।

আয়োজক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবুল হাশেমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরি, জাসাসের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন জনগণ মানবে না : এমাজউদ্দীন

আপডেট টাইম : ০৩:৪৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০১৫

ঢাকা : ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মতো ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হলে জনগণ মানবে না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমদ।

শনিবার বিকেল চারটায় জাতীয় প্রেসক্লাবের হল রুমে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) আয়োজিত “বর্তমান প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা ও শহীদ জিয়া” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এমাজউদ্দীন বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ১৫৪ টি আসনে ৪ কোটি ৮২ লক্ষ জনগণকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা থেকে বিরত রাখা হয়। বাকি আসনে ৬০ শতাংশ জনগণ প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থেকেছে। বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে যদি প্রশ্নবিদ্ধ করা হয় তাহলে বাংলাদেশের জনগণ সহ্য করবে না।

তিনি বলেন, বর্তমান সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে কথা বলেছি। বর্তমান নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার দাবি জানিয়েছি। নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা না হলে, নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে। নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে হলে মিছিল-মিটিং অপরিহার্য। কিন্তু এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে ইসি কোন পদক্ষেপ নেয় নি।

জিয়াউর রহমানকে আওয়ামী লীগের একজন প্রতিষ্ঠাতা দাবি করে এমাজউদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ অর্থাৎ বাকশাল গঠনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলো রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এমনকি সে সময় আওয়ামী লীগও রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ ছিল। কিন্তু জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে ইপিআর গঠন করার মাধ্যমে সকল রাজনৈতিক দলকে রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলো। সে সময় আওয়ামী লীগও রাজনৈতিক দল হিসেবে পুন:জীবিত হয়েছিল। এ হিসেবে কেউ যদি বলে জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা তাহলে মিথ্যা নয়।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের যদি প্রথম সৈনিক হিসেবে কাউকে চিহ্নিত করা হয় তিনি জিয়াউর রহমান। কারণ সংকটময় মুহূর্তে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা না করলে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্ম প্রকাশ করতো না।

আয়োজক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবুল হাশেমের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক রুহুল আমিন গাজী, জাতীয় প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরি, জাসাসের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।