অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

কোকো’র কবর জিয়ারতে অশ্রুসিক্ত খালেদা জিয়া

ঢাকা: ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো’র কবর জিয়ারত করতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

সোমবার বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসা থেকে বের হন। বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটে তিনি বনানী কবরস্থানে পৌঁছান।

এসময় তিনি অপলক দৃষ্টিতে ছেলের কবরের পাশে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে ছেলের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ফাতিহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন খালেদা জিয়া। মোনাজাত শেষে তিনি ছেলের কবরের পাশে কিছুক্ষণ নিরবে বসে থাকেন।

এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মহিলা দলের সভাপতি নূরে আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শাম্মি আক্তার, সুলতানা আহমেদ ও বিলকিস জাহান তার সঙ্গে ছিলেন।

আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে আরাফাত রহমান কোকো’র ছোট মামী কানিজ ফাতেমাসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে মারা যান খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো। পরে তাকে ঢাকায় এনে ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়। ওইসময় খালেদা জিয়া তার নিজ কার্যালয়ে কার্যত ‘অবরুদ্ধ’ ছিলেন। তাই ‘মা’ খালেদা জিয়াকে দেখানোর জন্য ছেলের মরদেহ গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া আসা হয়। সেখানে খালেদা জিয়া শেষবারের মতো ছেলে আরাফাত রহমান কোকো’কে অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় জানান।

এর আগে ২৮ জানুয়ারি মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো’র কবর জিয়ারত করেছেন তার স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই সন্তান জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান। তাদেরকে কবর স্থানে নিয়ে যান ছোট মামা শামীম ইস্কান্দার। ওই সময় শামীম এস্কান্দারের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, বড় মামা মরহুম সাঈদ ইস্কান্দারের স্ত্রী নাসরিন সাঈদসহ তাদের পরিবারের সদস্যরাও কোকোর কবর জিয়ারত করেন।

গতকাল রোববার গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে আদালতে হাজিরা দিয়ে ৯২ দিন পর গুলশানের বাসভবনে ফিরেছেন বেগম খালেদা জিয়া।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

কোকো’র কবর জিয়ারতে অশ্রুসিক্ত খালেদা জিয়া

আপডেট টাইম : ০২:১২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০১৫

ঢাকা: ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো’র কবর জিয়ারত করতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

সোমবার বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসা থেকে বের হন। বিকেল ৫টা ৪৯ মিনিটে তিনি বনানী কবরস্থানে পৌঁছান।

এসময় তিনি অপলক দৃষ্টিতে ছেলের কবরের পাশে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে ছেলের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ফাতিহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন খালেদা জিয়া। মোনাজাত শেষে তিনি ছেলের কবরের পাশে কিছুক্ষণ নিরবে বসে থাকেন।

এ সময় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মহিলা দলের সভাপতি নূরে আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা ও নির্বাহী কমিটির সদস্য শাম্মি আক্তার, সুলতানা আহমেদ ও বিলকিস জাহান তার সঙ্গে ছিলেন।

আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে আরাফাত রহমান কোকো’র ছোট মামী কানিজ ফাতেমাসহ তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে মারা যান খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো। পরে তাকে ঢাকায় এনে ২৭ জানুয়ারি রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়। ওইসময় খালেদা জিয়া তার নিজ কার্যালয়ে কার্যত ‘অবরুদ্ধ’ ছিলেন। তাই ‘মা’ খালেদা জিয়াকে দেখানোর জন্য ছেলের মরদেহ গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া আসা হয়। সেখানে খালেদা জিয়া শেষবারের মতো ছেলে আরাফাত রহমান কোকো’কে অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় জানান।

এর আগে ২৮ জানুয়ারি মরহুম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো’র কবর জিয়ারত করেছেন তার স্ত্রী শর্মিলা রহমান, দুই সন্তান জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান। তাদেরকে কবর স্থানে নিয়ে যান ছোট মামা শামীম ইস্কান্দার। ওই সময় শামীম এস্কান্দারের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, বড় মামা মরহুম সাঈদ ইস্কান্দারের স্ত্রী নাসরিন সাঈদসহ তাদের পরিবারের সদস্যরাও কোকোর কবর জিয়ারত করেন।

গতকাল রোববার গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে আদালতে হাজিরা দিয়ে ৯২ দিন পর গুলশানের বাসভবনে ফিরেছেন বেগম খালেদা জিয়া।