অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

কামারুজ্জামানের কবর ঘিরে গ্রামবাসীদের ভিড়

ডেস্ক : মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে যেখানে কবর দেয়া হয়েছে সেই শেরপুরের কুমরি বাজিতখিলা গ্রাম থেকে অতিরিক্ত পুলিশ প্রহরা তুলে নেয়ার পর আশপাশের গ্রামগুলো থেকে বহু মানুষকে সেখানে ভিড় করতে দেখা গেছে।

সংবাদদাতারা বলছেন এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন আবেগতাড়িত।

তবে স্থানীয় জামায়াত বা শিবিরের কোন তৎপরতা চোখে পড়েনি, তাদের কোন প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি।

শনিবার রাতে মৃত্যদণ্ড কার্যকরের পর কামারুজ্জামানের মৃতদেহ শেরপুরের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং কড়া পুলিশ প্রহরার মধ্যে আত্মীয়-স্বজন ও কিছু প্রতিবেশীর উপস্থিতিতে রোবাবার ভোরবেলা তার দাফন অনুষ্ঠিত হয়।

ভোররাতে মো. কামারাজ্জামানকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স যখন শেরপুর সদর উপজেলার কুমরি বাজিতখিলা গ্রামে পৌঁছায় তখন তার বাড়িকে ঘিরে রেখেছিল কয়েকশো পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আর্মড পুলিশের সদস্য। কাউকেই আশেপাশে ভিড়তে দেয়া হচ্ছিল না।

নামাজে জানাজায় অংশ নিতে পারে জনা পঞ্চাশেক মানুষ, যাদের অধিকাংশই ছিলেন কামারুজ্জামানের স্বজন, বাকিরা প্রতিবেশী। এই পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েই ভোর সোয়া পাঁচটা নাগাদ তাকে কবর দেয়া হয়।

সকাল সাতটার পর পুলিশ বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করলে সেখানে সাংবাদিকেরা এবং স্থানীয় মানুষজন প্রবেশাধিকার পায়। এসময় ঘটনাস্থলে ছিলেন স্থানীয় সাংবাদিক আব্দুর রহিম।

আব্দুর রহিম বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া অনেককেই বিলাপ করতে দেখেছেন তিনি। এরা মূলত কামারুজ্জামানের আত্মীয়, প্রতিবেশী এবং উৎসুক জনতা।

জামায়াত বা শিবিরের দলীয় কোন কর্মসূচি এই গ্রামে কিংবা শেরপুরে চোখে পড়েনি, স্থানীয়ভাবে তাদের তরফ থেকে কোন প্রতিক্রিয়াও আসেনি বলে উল্লেখ করেন সাংবাদিক আব্দুর রহিম।

তবে জামায়াতে ইসলামির ওয়েবসাইট থেকে জানা যাচ্ছে, আজকের দিনটিতে (রোববার) তারা দেশ জুড়ে দোয়া অনুষ্ঠানের কর্মসূচি পালন করছে এবং সোমবার হরতাল পারন করবে। কামারুজ্জামানের মৃত্যুতে দেশে এবং বিদেশের বিভিন্নস্থানে আজ গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে খবর ও ছবি প্রকাশিত হচ্ছে।

তবে এর আগে ২০১৩ সালের শেষভাগে আরেক জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর হবার পরপর যেভাবে সহিংস প্রতিক্রিয়া হয়েছিল, আজ এই প্রতিবেদন তৈরি করা পর্যন্ত দেশের কোন জায়গা থেকেই তেমন কোন সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তাদের কাছে যে গোয়েন্দা প্রতিবেদন ছিল, তাতে সহিংসতা হবে বলে কোন পূর্বাভাসও ছিল না।

সূত্র : বিবিসি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

কামারুজ্জামানের কবর ঘিরে গ্রামবাসীদের ভিড়

আপডেট টাইম : ০৭:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০১৫

ডেস্ক : মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত জামায়াত নেতা মুহাম্মদ কামারুজ্জামানকে যেখানে কবর দেয়া হয়েছে সেই শেরপুরের কুমরি বাজিতখিলা গ্রাম থেকে অতিরিক্ত পুলিশ প্রহরা তুলে নেয়ার পর আশপাশের গ্রামগুলো থেকে বহু মানুষকে সেখানে ভিড় করতে দেখা গেছে।

সংবাদদাতারা বলছেন এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন আবেগতাড়িত।

তবে স্থানীয় জামায়াত বা শিবিরের কোন তৎপরতা চোখে পড়েনি, তাদের কোন প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি।

শনিবার রাতে মৃত্যদণ্ড কার্যকরের পর কামারুজ্জামানের মৃতদেহ শেরপুরের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং কড়া পুলিশ প্রহরার মধ্যে আত্মীয়-স্বজন ও কিছু প্রতিবেশীর উপস্থিতিতে রোবাবার ভোরবেলা তার দাফন অনুষ্ঠিত হয়।

ভোররাতে মো. কামারাজ্জামানকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স যখন শেরপুর সদর উপজেলার কুমরি বাজিতখিলা গ্রামে পৌঁছায় তখন তার বাড়িকে ঘিরে রেখেছিল কয়েকশো পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আর্মড পুলিশের সদস্য। কাউকেই আশেপাশে ভিড়তে দেয়া হচ্ছিল না।

নামাজে জানাজায় অংশ নিতে পারে জনা পঞ্চাশেক মানুষ, যাদের অধিকাংশই ছিলেন কামারুজ্জামানের স্বজন, বাকিরা প্রতিবেশী। এই পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েই ভোর সোয়া পাঁচটা নাগাদ তাকে কবর দেয়া হয়।

সকাল সাতটার পর পুলিশ বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করলে সেখানে সাংবাদিকেরা এবং স্থানীয় মানুষজন প্রবেশাধিকার পায়। এসময় ঘটনাস্থলে ছিলেন স্থানীয় সাংবাদিক আব্দুর রহিম।

আব্দুর রহিম বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া অনেককেই বিলাপ করতে দেখেছেন তিনি। এরা মূলত কামারুজ্জামানের আত্মীয়, প্রতিবেশী এবং উৎসুক জনতা।

জামায়াত বা শিবিরের দলীয় কোন কর্মসূচি এই গ্রামে কিংবা শেরপুরে চোখে পড়েনি, স্থানীয়ভাবে তাদের তরফ থেকে কোন প্রতিক্রিয়াও আসেনি বলে উল্লেখ করেন সাংবাদিক আব্দুর রহিম।

তবে জামায়াতে ইসলামির ওয়েবসাইট থেকে জানা যাচ্ছে, আজকের দিনটিতে (রোববার) তারা দেশ জুড়ে দোয়া অনুষ্ঠানের কর্মসূচি পালন করছে এবং সোমবার হরতাল পারন করবে। কামারুজ্জামানের মৃত্যুতে দেশে এবং বিদেশের বিভিন্নস্থানে আজ গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে খবর ও ছবি প্রকাশিত হচ্ছে।

তবে এর আগে ২০১৩ সালের শেষভাগে আরেক জামায়াত নেতা আব্দুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর হবার পরপর যেভাবে সহিংস প্রতিক্রিয়া হয়েছিল, আজ এই প্রতিবেদন তৈরি করা পর্যন্ত দেশের কোন জায়গা থেকেই তেমন কোন সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, তাদের কাছে যে গোয়েন্দা প্রতিবেদন ছিল, তাতে সহিংসতা হবে বলে কোন পূর্বাভাসও ছিল না।

সূত্র : বিবিসি