পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

ঝুঁকিপূর্ণ ১৪২৯ ভোটকেন্দ্রকে ‘গুরত্বপূর্ণ’ বললেন ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা: আসন্ন দুই ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) নির্বাচনে ১৯৮২ ভোটকেন্দ্রর মধ্যে ১৪২৯ টিকে সরাসরি ঝুঁকিপূর্ণ না বলে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক বিফ্রিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। একক ও পুঞ্জিভূত ভোটকেন্দ্র। এরমধ্যে একক কেন্দ্রের ২৩১ টি গুরুত্বপূর্ণ ও ১৮৩ টি সাধারণ এবং পূঞ্জিভূত ১১৯৮ ও ৩৭০ টি। এরমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ১৪২৯ টি ভোট কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বয় করে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলায় গড়ে তেলা হবে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটাররা যাতে আনন্দঘন পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করতে পারে সেজন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ডিএমপি।’

একটি স্বচ্ছ ও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ডিএমপি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। নির্বাচন পূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

নির্বাচনের দিন রাজধানীর ৯৩ টি নির্বাচনী ওয়ার্ডে ২টি করে মোবাইল টিম টহল দেবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে প্রতিটি টিমে র্যা ব পুলিশ আনসার সদস্য থাকবে। এছাড়া স্ট্রাইকিং ফোর্ থাকবে ৩১টি।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষণ করার জন্য ডিএমপি আব্দুল গণি রোডে একটি প্রধান কন্ট্রোল রুম ও আরও চারটি সাব কন্ট্রোল রুম থাকবে।’

কমিশনার আরও বলেন, ‘ঢাকা উত্তর ওদক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনের সময় মোট ২৩টি মোবাইলকোর্ট চালু থাকবে। কোনো ধরণের অনিয়ম হলে তারা তাৎক্ষনিক সাজা প্রদান করবেন।’

নির্বাচনের সময় ও নির্বাচনের পরবর্তীতে ৭০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে। প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন বিজিবি সদস্যের সঙ্গে থাকবেন একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে কাউকে সন্দেহ হলে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশী চালিয়ে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশে অনুমতি দেয়া হবে।

নির্বাচনী ভোট কেন্দ্র ও নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার স্থান ও এর আশপাশ এলাকা সিসি ক্যামেরা দিয়ে সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এর আগে কমিশনার বলেন, নির্বাচনের পূর্বে যেন কোনো ঘনবসতি এলাকায় কালো টাকার লেনদেন না হয় সেজন্য সাদা পোষাকে পুলিশের গোয়েন্দা সদস্যরা কাজ করবে।

নির্বাচন পরবর্তী উত্তেজনা থাকা অবধি পুলিশ নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষনিক কাজ করবে। এছাড়া পুরো নির্বাচনী এলাকা পর্যবেক্ষণের জন্য প্রত্যেক ডিসি পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

ঝুঁকিপূর্ণ ১৪২৯ ভোটকেন্দ্রকে ‘গুরত্বপূর্ণ’ বললেন ডিএমপি কমিশনার

আপডেট টাইম : ১০:০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৫

ঢাকা: আসন্ন দুই ঢাকা সিটি করপোরেশনের (ডিসিসি) নির্বাচনে ১৯৮২ ভোটকেন্দ্রর মধ্যে ১৪২৯ টিকে সরাসরি ঝুঁকিপূর্ণ না বলে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া।

শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক বিফ্রিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। একক ও পুঞ্জিভূত ভোটকেন্দ্র। এরমধ্যে একক কেন্দ্রের ২৩১ টি গুরুত্বপূর্ণ ও ১৮৩ টি সাধারণ এবং পূঞ্জিভূত ১১৯৮ ও ৩৭০ টি। এরমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ১৪২৯ টি ভোট কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের সমন্বয় করে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলায় গড়ে তেলা হবে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটাররা যাতে আনন্দঘন পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার সুষ্ঠুভাবে প্রয়োগ করতে পারে সেজন্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ডিএমপি।’

একটি স্বচ্ছ ও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য ডিএমপি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। নির্বাচন পূর্ব, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

নির্বাচনের দিন রাজধানীর ৯৩ টি নির্বাচনী ওয়ার্ডে ২টি করে মোবাইল টিম টহল দেবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে প্রতিটি টিমে র্যা ব পুলিশ আনসার সদস্য থাকবে। এছাড়া স্ট্রাইকিং ফোর্ থাকবে ৩১টি।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচনকে সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষণ করার জন্য ডিএমপি আব্দুল গণি রোডে একটি প্রধান কন্ট্রোল রুম ও আরও চারটি সাব কন্ট্রোল রুম থাকবে।’

কমিশনার আরও বলেন, ‘ঢাকা উত্তর ওদক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনের সময় মোট ২৩টি মোবাইলকোর্ট চালু থাকবে। কোনো ধরণের অনিয়ম হলে তারা তাৎক্ষনিক সাজা প্রদান করবেন।’

নির্বাচনের সময় ও নির্বাচনের পরবর্তীতে ৭০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে। প্রতি প্লাটুনে ৩০ জন বিজিবি সদস্যের সঙ্গে থাকবেন একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে কাউকে সন্দেহ হলে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশী চালিয়ে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশে অনুমতি দেয়া হবে।

নির্বাচনী ভোট কেন্দ্র ও নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার স্থান ও এর আশপাশ এলাকা সিসি ক্যামেরা দিয়ে সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষণ করা হবে।

এর আগে কমিশনার বলেন, নির্বাচনের পূর্বে যেন কোনো ঘনবসতি এলাকায় কালো টাকার লেনদেন না হয় সেজন্য সাদা পোষাকে পুলিশের গোয়েন্দা সদস্যরা কাজ করবে।

নির্বাচন পরবর্তী উত্তেজনা থাকা অবধি পুলিশ নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষনিক কাজ করবে। এছাড়া পুরো নির্বাচনী এলাকা পর্যবেক্ষণের জন্য প্রত্যেক ডিসি পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করবেন।