অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

মুখ খোলেনি কোনো সাক্ষী: ছাত্রলীগের সেই ২৩ নেতাকর্মী বেকসুর খালাস

বরিশাল: ২০১০ সালের ১০ই মে। সংবাদপত্রের একটি শিরোনাম দেখে চমকে উঠেছিল সারা দেশ। এক ছাত্রকে বসিয়ে ঘাড়ে কোপ দেয়া অবস্থায় এক ছাত্রলীগ কর্মীর ছবি। বরিশাল পলিটেকনিক কলেজে ছাত্রলীগের সেই হামলায় অনেক নিরীহ ছাত্র গুরুতর আহত হন। থানায় মামলাও হয়। কোন সাক্ষী আসামিদের বিপক্ষে মুখ না খোলায় মঙ্গলবার সব আসামিকে খালাস দেন বরিশাল মেট্রেপলিটন মেজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান।

মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর বিচারক ছাত্রলীগের ২৩ নেতাকর্মীকে খালাস দেন। তার মধ্যে অন্যমত জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আ. রাজ্জাক। এছাড়া খালাস প্রাপ্তদের মধ্যে প্রকাশিত ছবির ‘জল্লাদ’ রুপি ছাত্রলীগ কর্মী ইমরানও রয়েছেন।

এছাড়াও রয়েছেন- সাইদুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, মো. মিজানুর রহমান, শেখর দাস, আলামিন, মেহেদি হাসান, মোশারফ মোল্লা, আবু সায়েম সরদার, মো. ইউনুচ, মাকনুদুর রহমান, সজিব, এসএম রাজিবুল ইসলাম, আ খ ম রাজিব হোসেন, রেজাইল করিম রেজা, কামরুজ্জামান জুয়েল, অনুপ কুমার রায়, মহিউদ্দিন ওরয়ে রাইফেল মহিউদ্দিন, আমিনুল ইসলাম হিমেল, মহিউদ্দিন মুহিন, আ. হান্নান, মো. ইমরান। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত আসামিদের খালাস দেয়ার নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ৪ঠা মে সকালে বরিশাল পলিটেকনিক কলেজে ছাত্রলীগের ২ গ্র“পে সংঘর্ষ হয়। এ সময় আসামিরা রামদা, চাইনিজ কুড়াল দিয়ে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ কর্মী নজরুল ইসলামকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

ঘণ্টাব্যাপি সংঘর্ষে পুলিশসহ শতাধিক ছাত্র আহত হয়। কলেজ অধ্যক্ষ বাদি হয়ে পরদিন ৫ই মে মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ১৬ই মে তদন্তকারী কর্মকর্তা মোসলেম হালদার চার্জশিট দেন। ৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক সকল আসামিকে খালাস প্রদান করেন।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

মুখ খোলেনি কোনো সাক্ষী: ছাত্রলীগের সেই ২৩ নেতাকর্মী বেকসুর খালাস

আপডেট টাইম : ০২:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৫

বরিশাল: ২০১০ সালের ১০ই মে। সংবাদপত্রের একটি শিরোনাম দেখে চমকে উঠেছিল সারা দেশ। এক ছাত্রকে বসিয়ে ঘাড়ে কোপ দেয়া অবস্থায় এক ছাত্রলীগ কর্মীর ছবি। বরিশাল পলিটেকনিক কলেজে ছাত্রলীগের সেই হামলায় অনেক নিরীহ ছাত্র গুরুতর আহত হন। থানায় মামলাও হয়। কোন সাক্ষী আসামিদের বিপক্ষে মুখ না খোলায় মঙ্গলবার সব আসামিকে খালাস দেন বরিশাল মেট্রেপলিটন মেজিস্ট্রেট নুসরাত জাহান।

মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর বিচারক ছাত্রলীগের ২৩ নেতাকর্মীকে খালাস দেন। তার মধ্যে অন্যমত জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আ. রাজ্জাক। এছাড়া খালাস প্রাপ্তদের মধ্যে প্রকাশিত ছবির ‘জল্লাদ’ রুপি ছাত্রলীগ কর্মী ইমরানও রয়েছেন।

এছাড়াও রয়েছেন- সাইদুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, মো. মিজানুর রহমান, শেখর দাস, আলামিন, মেহেদি হাসান, মোশারফ মোল্লা, আবু সায়েম সরদার, মো. ইউনুচ, মাকনুদুর রহমান, সজিব, এসএম রাজিবুল ইসলাম, আ খ ম রাজিব হোসেন, রেজাইল করিম রেজা, কামরুজ্জামান জুয়েল, অনুপ কুমার রায়, মহিউদ্দিন ওরয়ে রাইফেল মহিউদ্দিন, আমিনুল ইসলাম হিমেল, মহিউদ্দিন মুহিন, আ. হান্নান, মো. ইমরান। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রাষ্ট্রপক্ষ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত আসামিদের খালাস দেয়ার নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালের ৪ঠা মে সকালে বরিশাল পলিটেকনিক কলেজে ছাত্রলীগের ২ গ্র“পে সংঘর্ষ হয়। এ সময় আসামিরা রামদা, চাইনিজ কুড়াল দিয়ে প্রতিপক্ষ ছাত্রলীগ কর্মী নজরুল ইসলামকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

ঘণ্টাব্যাপি সংঘর্ষে পুলিশসহ শতাধিক ছাত্র আহত হয়। কলেজ অধ্যক্ষ বাদি হয়ে পরদিন ৫ই মে মামলা দায়ের করেন। ২০১১ সালের ১৬ই মে তদন্তকারী কর্মকর্তা মোসলেম হালদার চার্জশিট দেন। ৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক সকল আসামিকে খালাস প্রদান করেন।