পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

সিট দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

বরিশাল: বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ছাত্রাবাসের সিট দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুই ছাত্রলীগকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার রাত ৯টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসের হিন্দু হোস্টেলের ২০ নম্বর কক্ষে এ সংঘর্ষ হয়।

আহতরা হলেন- ছাত্রলীগ নেতা অনিক সেরনিয়াবাতের অনুসারী ক্যাম্পাসের হিন্দু হোস্টেলে বসবাসরত মাস্টার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র সুমন হালদার এবং অনার্স শেষ বর্ষের মনি শঙ্কর।

প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, হিন্দু হোস্টেলের ২০ নম্বর কক্ষের একটি সিট বেশ কয়েক দিন আগে খালি হয়। ওই সিটটি ছাত্রলীগ নেতা অনিক সেরনিয়াবাত অনুসারী সুমন হালদার দখলে নিয়ে মনি শংকর নামে এক ছাত্রকে উঠায়। এ ঘটনায় একই হোস্টেলের ওই কক্ষে বসবাসরত বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আতিকুল্যাহ মুনিমের অনুসারী সাধন ও স্বপন ক্ষুব্ধ হয়ে গালাগাল করেন। এনিয়ে বাকবিতাণ্ডার একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

পরে ওই ঘটনার জের ধরে সাধন ও স্বপনসহ ১০/১২ ছাত্রলীগকর্মী লাঠিছোটা নিয়ে অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় সুমন ও মনি শঙ্করসহ তাদের সহযোগীরা পাল্টা অবস্থান নিলে উভয় গ্রুপের মধ্যে বাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সুমন এবং মনি শঙ্কর গুরুতর আহত হন। পরে হোস্টেলে বসবাসরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কিন্তু ঘটনার সাথে জড়িত সকলে পলাতক থাকায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।

এ বিষয়ে মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুর রহমান মুকুল বলেন, ‘ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। এছাড়া সবকিছু স্বাভাবিক রাখতে হোস্টেলের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

সিট দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

আপডেট টাইম : ০৫:২৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০১৫

বরিশাল: বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ছাত্রাবাসের সিট দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুই ছাত্রলীগকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার রাত ৯টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসের হিন্দু হোস্টেলের ২০ নম্বর কক্ষে এ সংঘর্ষ হয়।

আহতরা হলেন- ছাত্রলীগ নেতা অনিক সেরনিয়াবাতের অনুসারী ক্যাম্পাসের হিন্দু হোস্টেলে বসবাসরত মাস্টার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র সুমন হালদার এবং অনার্স শেষ বর্ষের মনি শঙ্কর।

প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, হিন্দু হোস্টেলের ২০ নম্বর কক্ষের একটি সিট বেশ কয়েক দিন আগে খালি হয়। ওই সিটটি ছাত্রলীগ নেতা অনিক সেরনিয়াবাত অনুসারী সুমন হালদার দখলে নিয়ে মনি শংকর নামে এক ছাত্রকে উঠায়। এ ঘটনায় একই হোস্টেলের ওই কক্ষে বসবাসরত বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আতিকুল্যাহ মুনিমের অনুসারী সাধন ও স্বপন ক্ষুব্ধ হয়ে গালাগাল করেন। এনিয়ে বাকবিতাণ্ডার একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

পরে ওই ঘটনার জের ধরে সাধন ও স্বপনসহ ১০/১২ ছাত্রলীগকর্মী লাঠিছোটা নিয়ে অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় সুমন ও মনি শঙ্করসহ তাদের সহযোগীরা পাল্টা অবস্থান নিলে উভয় গ্রুপের মধ্যে বাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সুমন এবং মনি শঙ্কর গুরুতর আহত হন। পরে হোস্টেলে বসবাসরত সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যায়।

খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কিন্তু ঘটনার সাথে জড়িত সকলে পলাতক থাকায় পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।

এ বিষয়ে মডেল থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুর রহমান মুকুল বলেন, ‘ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। এছাড়া সবকিছু স্বাভাবিক রাখতে হোস্টেলের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’