পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

জনপ্রশাসন সচিবের সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎ: সবাই সচিব হতে চান

ঢাকা : সচিব করার দাবিতে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারকের নেতৃত্বে ১০ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনপ্রশাসন সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় তারা জনপ্রশাসন সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় তারা প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে তাদের পক্ষে দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আর আপিল না করে সচিব পদে পদোন্নতি দেয়ার দাবি জানান।

এর আগে নিয়ম অনুযায়ী চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার প্রায় ১০ বছর পর ভুতাপেক্ষভাবে অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি পেতে চান (একজন অতিরিক্ত সচিব ৬ জন যুগ্মসচিব) অবসরপ্রাপ্ত ৭ জন কর্মকর্তা। এজন্য তারা প্রাশাসনিক ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে নিজেদের পক্ষে এই মর্মে রায়ও এনেছেন।

এই ৭ জন কর্মকর্তার মধ্যে একজন অতিরিক্ত সচিব এবং বাকি ৬ জন যুগ্মসচিব পদে থাকাকালে চাকরির বয়স শেষে অবসরে গেছেন। এদের মধ্যে মোহাম্মদ আবদুল মোবারক (২৪২৩), মো. আবদুল মালেক মিয়া (৩০৫০), খন্দকার মো. আবু আবদুল্লাহ (২৮৩২), মো. তোফাজ্জল হোসেন (১৩২০), মো. আক্কাস আলী মৃধা (২৮৪১) এবং এম অবিদুর রহমান (১২৬২) যুগ্মসচিব পদে থাকাকালে অবসরে গেছেন। হাসান মাহমুদ দেলওয়ার (১৩৪৭) অতিরিক্ত সচিব পদে থাকাকালে চাকরির বয়স শেষে স্বাভাবিক অবসর শুরু করেন। এরাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন ভুতাপেক্ষভাবে তাদেরকে অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি দেয়ার জন্য।

আর এরাই আজ জনপ্রশাসন সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সচিব হওয়ার আবেদন জানিয়ে এসেছেন। সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডে (এসএসবি) তাদের পদোন্নতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী।

প্রসঙ্গত, চাকরিতে থাকাকালে বা চাকরি থেকে অবসরে যাবার পরও এরা তাদের পদোন্নতি না পাওয়া প্রসঙ্গে কোনো অভিযোগ, আপত্তি বা অসন্তোষ তুলে ধরেননি। বরং স্বাভাবিক অবসরকাল শুরু করেন এবং অবসরকালীন সকল সুযোগ-সুবিধাও যথাসময়েগ্রহণ করেন। কিন্তু, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন সময়ে এরা প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন, পদোন্নতি বঞ্চিত হিসেবে। মোহাম্মদ আবদুল মোবারক মামলা করেন ২০০৯ সালে, মামলা নম্বর ২০৫। অথচ চাকরির বয়স শেষে আবদুল মোবারকের অবসর শুরু হয় ২০০৫ সালে। অন্যরাও প্রায় সকলের অবসর শুরু হয় বিএনপি আমলেই। কিন্তু, মো. আবদুল মালেক মিয়া মামলা করেন ২০০৯ সালে, মামলা নম্বর ১৯৭। খন্দকার মো. আবু আবদুল্লাহ মামলা করেন ২০১১ সালে, মামলা নম্বর ৫১। মো. তোফাজ্জল হোসেনের মামলা নম্বর ১৯৪/২০০৯। মো. আক্কাস আলী মৃধার ৫২/২০১১, এম অবিদুর রহমানের ১৯৮/২০০৯ এবং হাসান মাহমুদ দেলোয়ারের ১৯৬/২০০৯। এরা সবাই ০১/১২/২০০১ সালে অতিরিক্ত সচিব এবং ২৯/০৩/২০০৩ সাল থেকে সচিব পদ দাবি করেছেন। ওই দু’টি পদে পদোন্নতি এবং এর সঙ্গে সার্বিক সুযোগ-সুবিধা ভুতাপেক্ষভাবে দাবি করেছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

জনপ্রশাসন সচিবের সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎ: সবাই সচিব হতে চান

আপডেট টাইম : ০২:০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০১৫

ঢাকা : সচিব করার দাবিতে নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারকের নেতৃত্বে ১০ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনপ্রশাসন সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় তারা জনপ্রশাসন সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এসময় তারা প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে তাদের পক্ষে দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আর আপিল না করে সচিব পদে পদোন্নতি দেয়ার দাবি জানান।

এর আগে নিয়ম অনুযায়ী চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার প্রায় ১০ বছর পর ভুতাপেক্ষভাবে অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি পেতে চান (একজন অতিরিক্ত সচিব ৬ জন যুগ্মসচিব) অবসরপ্রাপ্ত ৭ জন কর্মকর্তা। এজন্য তারা প্রাশাসনিক ট্রাইব্যুনালে আবেদন করে নিজেদের পক্ষে এই মর্মে রায়ও এনেছেন।

এই ৭ জন কর্মকর্তার মধ্যে একজন অতিরিক্ত সচিব এবং বাকি ৬ জন যুগ্মসচিব পদে থাকাকালে চাকরির বয়স শেষে অবসরে গেছেন। এদের মধ্যে মোহাম্মদ আবদুল মোবারক (২৪২৩), মো. আবদুল মালেক মিয়া (৩০৫০), খন্দকার মো. আবু আবদুল্লাহ (২৮৩২), মো. তোফাজ্জল হোসেন (১৩২০), মো. আক্কাস আলী মৃধা (২৮৪১) এবং এম অবিদুর রহমান (১২৬২) যুগ্মসচিব পদে থাকাকালে অবসরে গেছেন। হাসান মাহমুদ দেলওয়ার (১৩৪৭) অতিরিক্ত সচিব পদে থাকাকালে চাকরির বয়স শেষে স্বাভাবিক অবসর শুরু করেন। এরাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন ভুতাপেক্ষভাবে তাদেরকে অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি দেয়ার জন্য।

আর এরাই আজ জনপ্রশাসন সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সচিব হওয়ার আবেদন জানিয়ে এসেছেন। সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডে (এসএসবি) তাদের পদোন্নতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী।

প্রসঙ্গত, চাকরিতে থাকাকালে বা চাকরি থেকে অবসরে যাবার পরও এরা তাদের পদোন্নতি না পাওয়া প্রসঙ্গে কোনো অভিযোগ, আপত্তি বা অসন্তোষ তুলে ধরেননি। বরং স্বাভাবিক অবসরকাল শুরু করেন এবং অবসরকালীন সকল সুযোগ-সুবিধাও যথাসময়েগ্রহণ করেন। কিন্তু, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন সময়ে এরা প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন, পদোন্নতি বঞ্চিত হিসেবে। মোহাম্মদ আবদুল মোবারক মামলা করেন ২০০৯ সালে, মামলা নম্বর ২০৫। অথচ চাকরির বয়স শেষে আবদুল মোবারকের অবসর শুরু হয় ২০০৫ সালে। অন্যরাও প্রায় সকলের অবসর শুরু হয় বিএনপি আমলেই। কিন্তু, মো. আবদুল মালেক মিয়া মামলা করেন ২০০৯ সালে, মামলা নম্বর ১৯৭। খন্দকার মো. আবু আবদুল্লাহ মামলা করেন ২০১১ সালে, মামলা নম্বর ৫১। মো. তোফাজ্জল হোসেনের মামলা নম্বর ১৯৪/২০০৯। মো. আক্কাস আলী মৃধার ৫২/২০১১, এম অবিদুর রহমানের ১৯৮/২০০৯ এবং হাসান মাহমুদ দেলোয়ারের ১৯৬/২০০৯। এরা সবাই ০১/১২/২০০১ সালে অতিরিক্ত সচিব এবং ২৯/০৩/২০০৩ সাল থেকে সচিব পদ দাবি করেছেন। ওই দু’টি পদে পদোন্নতি এবং এর সঙ্গে সার্বিক সুযোগ-সুবিধা ভুতাপেক্ষভাবে দাবি করেছেন।