অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার Logo জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস আজ Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

শুক্রবারের মধ্যে সিটি নির্বাচনের প্রার্থীদের ব্যয় জমা না দিলে ব্যবস্থা

ঢাকা : তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী সকল প্রার্থীদের শুক্রবারের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে। এই নিদের্শ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কঠোর ব্যবস্থা নিবে।

বৃহস্পতিবার রির্টানিং কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে নির্বাচনী বিধি অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মিহির সারওয়ার মোর্শেদ শীর্ষ নিউজকে জানান, গেজেট প্রকাশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। সে হিসেবে আগামী কাল তার শেষ সময়।

তিনি বলেন, বিজয়ী এবং পরাজিত সব প্রার্থীকে ব্যয়ের হিসাব যথাসময়ে দাখিল করতে হবে। কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাখিল না করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের জেল দেয়ার বিধান রয়েছে।

মেয়র প্রার্থীরা ২০লাখ ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ দেড় লাখ এবং ২০ লাখের বেশি ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা ব্যক্তিগতভাবে খরচ করতে পারেন।

এছাড়া ‘নির্বাচনী ব্যয়’ হিসেবে ২০ লাখ ভোটারের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা এবং ২০ লাখের বেশি ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করার বিধান রয়েছে।

এক্ষেত্রে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থীরা ব্যক্তিগত খরচসহ সর্বোচ্চ ৫৫লাখ টাকার ব্যয়ের সুবিধা পেয়েছেন। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের মেয়র প্রার্থীরা পেয়েছেন সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ের সুবিধা।

অপরদিকে কাউন্সিলর প্রার্থীরা অনধিক ১৫ হাজার ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ ১লাখ ১০ হাজার টাকা, ১৫ হাজার ১থেকে ৩০হাজার ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যায় করার বিধান রয়েছে।

আর ৩০ হাজার এক থেকে ৫০হাজার ভোটার এলাকার জন্য সার্বোচ্চ চার লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ৫০ হাজার এক থেকে তার বেশি ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ ছয় লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় করতে পারেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুষ্টিয়ায় শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

শুক্রবারের মধ্যে সিটি নির্বাচনের প্রার্থীদের ব্যয় জমা না দিলে ব্যবস্থা

আপডেট টাইম : ০৭:৪৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০১৫

ঢাকা : তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতাকারী সকল প্রার্থীদের শুক্রবারের মধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হবে। এই নিদের্শ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কঠোর ব্যবস্থা নিবে।

বৃহস্পতিবার রির্টানিং কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে নির্বাচনী বিধি অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মিহির সারওয়ার মোর্শেদ শীর্ষ নিউজকে জানান, গেজেট প্রকাশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। সে হিসেবে আগামী কাল তার শেষ সময়।

তিনি বলেন, বিজয়ী এবং পরাজিত সব প্রার্থীকে ব্যয়ের হিসাব যথাসময়ে দাখিল করতে হবে। কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাখিল না করলে সর্বোচ্চ সাত বছরের জেল দেয়ার বিধান রয়েছে।

মেয়র প্রার্থীরা ২০লাখ ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ দেড় লাখ এবং ২০ লাখের বেশি ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা ব্যক্তিগতভাবে খরচ করতে পারেন।

এছাড়া ‘নির্বাচনী ব্যয়’ হিসেবে ২০ লাখ ভোটারের জন্য সর্বোচ্চ ৩০ লাখ টাকা এবং ২০ লাখের বেশি ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ব্যয় করার বিধান রয়েছে।

এক্ষেত্রে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থীরা ব্যক্তিগত খরচসহ সর্বোচ্চ ৫৫লাখ টাকার ব্যয়ের সুবিধা পেয়েছেন। আর ঢাকা দক্ষিণ সিটি ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের মেয়র প্রার্থীরা পেয়েছেন সর্বোচ্চ ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ের সুবিধা।

অপরদিকে কাউন্সিলর প্রার্থীরা অনধিক ১৫ হাজার ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ ১লাখ ১০ হাজার টাকা, ১৫ হাজার ১থেকে ৩০হাজার ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যায় করার বিধান রয়েছে।

আর ৩০ হাজার এক থেকে ৫০হাজার ভোটার এলাকার জন্য সার্বোচ্চ চার লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং ৫০ হাজার এক থেকে তার বেশি ভোটার এলাকার জন্য সর্বোচ্চ ছয় লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয় করতে পারেন।