পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন Logo আগে যারা ঘুষ খেত, তারাই এখন বড় জুলাই আন্দোলনকারী সেজেছে: মির্জা ফখরুল Logo এনসিপি নেতাদের মানুষ ঝেঁটিয়ে বিদায় করছে না, এটাই তাদের সৌভাগ্য: রাশেদ খাঁন Logo ঢাকায় প্রেমিকাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ Logo আরেকজনের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে এসে বড় বিপদে যুবক Logo সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ Logo হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে স্বামীর ছুরিকাঘাতে গৃহবধূ নিহত, আটক স্বামী

শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় অপহরণ হওয়া থেকে রক্ষা পেলেন শিক্ষিকা

রাজশাহী অফিস : রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় মঙ্গলবার দুপুরে তাহিরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকাকে অপহরণের হাত থেকে রক্ষা করেছে স্কুলশিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দুই অপহরণকারীকে আটক করে। তবে অপহরণচক্রের অপর তিন সদস্য প্রাইভেটকার নিয়ে পালিয়ে যায়।

আটকরা হলো- অপহরণচক্রের মূল হোতা নওগাঁর সাপাহার উপজেলার মাইপুর গ্রামের নাজিমুদ্দিনের ছেলে আরিফুজ্জামান আরিফ (৩০) ও তার সহযোগী বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার গাড়িয়াঘোপ গ্রামের আবদুল মালেক সিকদারের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩০)।

তারা দুইজনেই রাজশাহী মহানগরীর তেরখাদিয়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতো এবং গ্রামীণফোনে চাকরি করে বলে জানা গেছে।

তাহিরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমানুজ্জামান লিটন বলেন, ওই সহকারী শিক্ষিকা রাজশাহী নগরীর উপশহর এলাকায় থাকেন। সেখান থেকে তিনি নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত করেন। দুপুর একটার দিকে আরিফ ও সাইফুল ইসলামসহ ৫ জন যুবক একটি প্রাইভেটকার নিয়ে বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থান নেয়। দুপুর সোয়া দুইটার দিকে আরিফ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের সামনে এসে কথা আছে বলে শিক্ষিকাকে অফিস থেকে ডেকে বের করে। এরপর আরিফুল ওই শিক্ষিকার হাত ধরে টেনেহিচড়ে প্রাইভেটকারে তোলার চেষ্টা করে। এসময় ওই শিক্ষিকা চিৎকার করলে ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী দৌড়ে গিয়ে তাদের ধরে ফেলে চিৎকার শুরু করে। এসময় অন্য তিনজন গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। তাদের চিৎকারে শিক্ষকরা বের হয়ে আরিফ ও সাইফুলকে আটক করে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আটকে রেখে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও থানা পুলিশকে খবর দেয়।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিমল কুমার চক্রবর্তী জানান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোফরান হালিমের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুই অপহরণকারীকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। সন্ধ্যায় তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। দোষ স্বীকার করায় যৌন হয়রানির আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তারুন্নাহার আরিফকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন। আর সাইফুল দোষ স্বীকার না করে আরিফ তাকে কিছু না জানিয়ে বেড়ানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে আসে বলে জানায়। তবে তার কাছে গাঁজা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হবে।

Tag :

কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টায় অপহরণ হওয়া থেকে রক্ষা পেলেন শিক্ষিকা

আপডেট টাইম : ০৬:১৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০১৫

রাজশাহী অফিস : রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় মঙ্গলবার দুপুরে তাহিরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষিকাকে অপহরণের হাত থেকে রক্ষা করেছে স্কুলশিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দুই অপহরণকারীকে আটক করে। তবে অপহরণচক্রের অপর তিন সদস্য প্রাইভেটকার নিয়ে পালিয়ে যায়।

আটকরা হলো- অপহরণচক্রের মূল হোতা নওগাঁর সাপাহার উপজেলার মাইপুর গ্রামের নাজিমুদ্দিনের ছেলে আরিফুজ্জামান আরিফ (৩০) ও তার সহযোগী বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার গাড়িয়াঘোপ গ্রামের আবদুল মালেক সিকদারের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩০)।

তারা দুইজনেই রাজশাহী মহানগরীর তেরখাদিয়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতো এবং গ্রামীণফোনে চাকরি করে বলে জানা গেছে।

তাহিরপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমানুজ্জামান লিটন বলেন, ওই সহকারী শিক্ষিকা রাজশাহী নগরীর উপশহর এলাকায় থাকেন। সেখান থেকে তিনি নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত করেন। দুপুর একটার দিকে আরিফ ও সাইফুল ইসলামসহ ৫ জন যুবক একটি প্রাইভেটকার নিয়ে বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থান নেয়। দুপুর সোয়া দুইটার দিকে আরিফ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের সামনে এসে কথা আছে বলে শিক্ষিকাকে অফিস থেকে ডেকে বের করে। এরপর আরিফুল ওই শিক্ষিকার হাত ধরে টেনেহিচড়ে প্রাইভেটকারে তোলার চেষ্টা করে। এসময় ওই শিক্ষিকা চিৎকার করলে ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী দৌড়ে গিয়ে তাদের ধরে ফেলে চিৎকার শুরু করে। এসময় অন্য তিনজন গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়। তাদের চিৎকারে শিক্ষকরা বের হয়ে আরিফ ও সাইফুলকে আটক করে বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে আটকে রেখে উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও থানা পুলিশকে খবর দেয়।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিমল কুমার চক্রবর্তী জানান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গোফরান হালিমের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুই অপহরণকারীকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। সন্ধ্যায় তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। দোষ স্বীকার করায় যৌন হয়রানির আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তারুন্নাহার আরিফকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন। আর সাইফুল দোষ স্বীকার না করে আরিফ তাকে কিছু না জানিয়ে বেড়ানোর কথা বলে ডেকে নিয়ে আসে বলে জানায়। তবে তার কাছে গাঁজা পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে। বুধবার তাদের দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হবে।