পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল
শিরোনাম :
Logo পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ Logo নারায়ণগঞ্জ এলজিইডিতে আহসানুজ্জামানের দুর্নীতির অভিযোগ Logo গণপূর্তে খালেকুজ্জামান সিন্ডিকেটের ‘রাজত্ব’ দেখার যেনো কেউ নেই Logo মিরপুর বিআরটিএ’তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ০৫ দালালকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে Logo সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর মাধুর্যের অনন্য নাম—মারিয়ম ইকো Logo বাউফলে সাংবাদিক এনাকে সংবাদ প্রকাশে বাধা ও মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলার অভিযোগ Logo কায়েতপাড়া ভিটা-মাটি ও ফসলি জমি রক্ষার দাবিতে ১০ গ্রামের বিক্ষোভ, কোম্পানি ও প্রভাবশালী চক্রের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ পত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত। Logo পাটগ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo সম্পত্তি লিখে দিলেও ভোগদখল থাকবে বাবা-মায়ের: আইনমন্ত্রী Logo আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন

বাংলাদেশে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে

ঢাকা: বাংলাদেশে আগামী তিন বছরের মধ্যে আবাসিক খাতের ৭০ শতাংশ বাড়ীতে প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিবর্তে সিলিন্ডার গ্যাস দেয়ার একটি পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

তিনি বলেন, গ্যাসের বর্তমান মজুত আগামী ষোল বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে এবং এখনই গ্যাসের রেশনিং করা হচ্ছে।

এই জ্বালানীর সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন গ্যাস খোঁজা ও আমদানীর দিকে সরকার নজর দিয়েছে বলে জানান তিনি।

বর্তমানে গ্যাসের যে মজুত রয়েছে এবং যে হারে তার ব্যবহার হচ্ছে, তাতে করে ২০৩১ সালের পর প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত ফুরিয়ে যাবে বলে মনে করছেন নসরুল হামিদ। জ্বালানী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এই তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় সংসদে।

বিশেষজ্ঞরা অনেক দিন ধরেই সতর্কবাণী দিচ্ছিলেন যে বাংলাদেশের ভূমি এলাকায় নতুন করে বড় ধরণের গ্যাস মজুদ আবিস্কারের সম্ভাবনা একেবারেই কমে গেছে, ফলে গ্যাস নির্ভর অর্থনীতি বিপাকে পড়তে পারে।

তিনি বলছেন, জ্বালানীর এই সম্ভাব্য সংকট সম্পর্কে সরকার অবহিত রয়েছে, আর সে কারণে একটি মাস্টার-প্লান নেয়া হয়েছে ভবিষ্যতের জ্বালানী চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে। তিনি বলেন, জোর দেয়া হয়েছে মূলত সমুদ্রে গ্যাস খোঁজা এবং আমদানীর দিকে।

বাংলাদেশে আবাসিক কিংবা শিল্প, যে কোন কিছুর জন্যেই নতুন গ্যাস সংযোগ পাওয়া বেশ কঠিন ব্যাপার বলেই অনেকে জানেন।

নসরুল হামিদ বলছেন, সরকার আবাসিকখাতে পাইপলাইনে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করতে চায়। এ লক্ষ্যে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রম্তাব করা হলেও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ তাতে এখনও সায় দেয়নি। তবে আগামী তিন বছরের মধ্যে বাসা-বাড়িতে সিলিন্ডারে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস সরবরাহের এই অ্যাকশন প্লান নেয়া হয়েছে জানালেন প্রতিমন্ত্রী।

আগামী বছরগুলোতে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কার না হলে বাংলাদেশকে ষোল বছর পরে হয়তো নির্ভর করতে হবে আমদানী করা গ্যাসের ওপর।

জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী অবশ্য বলছেন এ নিয়ে সরকারের খুব একটা উদ্বেগ নেই, কারণ জাপান কিংবা ইউরোপের অনেক দেশ গ্যাস আমদানী করেই অর্থনীতির চাহিদা মেটাচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাটগ্রামে যুবকের মৃত্যুর বিচার দাবিতে লাশ রেখে মহাসড়ক অবরোধ

বাংলাদেশে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে

আপডেট টাইম : ০৬:৩৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০১৫

ঢাকা: বাংলাদেশে আগামী তিন বছরের মধ্যে আবাসিক খাতের ৭০ শতাংশ বাড়ীতে প্রাকৃতিক গ্যাসের পরিবর্তে সিলিন্ডার গ্যাস দেয়ার একটি পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

তিনি বলেন, গ্যাসের বর্তমান মজুত আগামী ষোল বছরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে এবং এখনই গ্যাসের রেশনিং করা হচ্ছে।

এই জ্বালানীর সরবরাহ নিশ্চিত করতে নতুন গ্যাস খোঁজা ও আমদানীর দিকে সরকার নজর দিয়েছে বলে জানান তিনি।

বর্তমানে গ্যাসের যে মজুত রয়েছে এবং যে হারে তার ব্যবহার হচ্ছে, তাতে করে ২০৩১ সালের পর প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত ফুরিয়ে যাবে বলে মনে করছেন নসরুল হামিদ। জ্বালানী ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী এই তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় সংসদে।

বিশেষজ্ঞরা অনেক দিন ধরেই সতর্কবাণী দিচ্ছিলেন যে বাংলাদেশের ভূমি এলাকায় নতুন করে বড় ধরণের গ্যাস মজুদ আবিস্কারের সম্ভাবনা একেবারেই কমে গেছে, ফলে গ্যাস নির্ভর অর্থনীতি বিপাকে পড়তে পারে।

তিনি বলছেন, জ্বালানীর এই সম্ভাব্য সংকট সম্পর্কে সরকার অবহিত রয়েছে, আর সে কারণে একটি মাস্টার-প্লান নেয়া হয়েছে ভবিষ্যতের জ্বালানী চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে। তিনি বলেন, জোর দেয়া হয়েছে মূলত সমুদ্রে গ্যাস খোঁজা এবং আমদানীর দিকে।

বাংলাদেশে আবাসিক কিংবা শিল্প, যে কোন কিছুর জন্যেই নতুন গ্যাস সংযোগ পাওয়া বেশ কঠিন ব্যাপার বলেই অনেকে জানেন।

নসরুল হামিদ বলছেন, সরকার আবাসিকখাতে পাইপলাইনে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করতে চায়। এ লক্ষ্যে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রম্তাব করা হলেও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ তাতে এখনও সায় দেয়নি। তবে আগামী তিন বছরের মধ্যে বাসা-বাড়িতে সিলিন্ডারে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস সরবরাহের এই অ্যাকশন প্লান নেয়া হয়েছে জানালেন প্রতিমন্ত্রী।

আগামী বছরগুলোতে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কার না হলে বাংলাদেশকে ষোল বছর পরে হয়তো নির্ভর করতে হবে আমদানী করা গ্যাসের ওপর।

জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী অবশ্য বলছেন এ নিয়ে সরকারের খুব একটা উদ্বেগ নেই, কারণ জাপান কিংবা ইউরোপের অনেক দেশ গ্যাস আমদানী করেই অর্থনীতির চাহিদা মেটাচ্ছে।

সূত্র: বিবিসি